ঢাকা ১১:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুন ২০২২
সংবাদ শিরোনাম ::
নান্দাইলে প্রতিবন্ধি নজরুলকে হুইলচেয়ার উপহার পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে ইপিজেড থানা জাতীয় শ্রমিকলীগের উদগ্যে মোটরসাইকেল র‌্যালী ও মিষ্টি বিতরণ অনুষ্ঠিত আমার টাকায় আমার সেতু, বাংলাদেশ পদ্মা সেতু প্রতিপাদ্য কে সমনে রেখে মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশ বাহিনীর আয়োজন নান্দাইলে পদ্মাসেতু উদ্বোধন উপলক্ষে উপজেলা আ’লীগের আনন্দ র্যালী অনুষ্ঠিত বিসিএস ডাক্তারের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ দ্বিতীয় স্ত্রীর এক নজরে পদ্মা সেতু নাম : পদ্মা সেতু, আছ সফল দক্ষিণ অঞ্চলের জনগণ পদ্ম সেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে বিরামপুরে আনন্দ র‍্যালী পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে মোংলা উপজেলা প্রশাসনের আনন্দ মিছিল পাথরঘাটার রায়হানপুরে গভীর রাতে ডাকাতে হামলা, আহত -৪ পদ্মা সেতু পারাপারে প্রথম টোল প্রদান করলেন সেতুর স্থপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

রায়পুরে দাদন ব্যাবসায়ীদের কাছে জিম্মি হাজারো জেলে

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় দাদন ব্যবসায়ীদের কোছে জিম্মি হয়ে পড়েছে মেঘনা পাড়ের হাজার হাজার মৎস্যজীবী। মহাজনদের খুশিমত বেধে দেওয়া দামে মাছ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে জেলেরা।দিন রাত হাড় খাটানির মাধ্যমে আহরিত মাছের লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত হয় জেলেরা। মহাজনের দাদনের কাছে অসহায় জেলে পরিবার গুলো।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রায়পুর উপজেলার চরবংশী ,উত্তর চরবংশী, চর আবাবিল সহ আশেপাশের প্রায় দশ হাজার জেলে পরিবার বংশ পরস্পরায় নদীতে মাছ শীকার করে নিজেদের জীবন-জীবিকা চালিয়ে আসছে। মাছ আহরনই তাদের উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম। কিন্তু বিগত কয়েক বছর যাবৎ নদীতে মাছ কম থাকায় জেলেদের জালে চাহিদানুরূপ হারে মাছ শীকার না হওয়ায় চরম হতাশা হয়ে পড়ছে জেলেরা।

আর এতে তাদের জীবন-জীবিকায় বিরূপ প্রভাব পড়েছে। জেলেরা মৌসুমের শুরুতে নৌকা মেরামত,জাল কেনার জন্য মহাজনদের কাছে আহরিত সকল মাছ বিক্রয়ের শর্তে টাকা ধার নেয়। নদীতে মাছের অকালত্বে মাহাজনদের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় অধিকংশ জেলে বছরের পর বছর জিম্মি থেকে যায়। ফলে বিভিন্ন সময় আহরিত মাছের বাজার মূল্য থেকে অনেক কম মূল্যে জেলেদের মাছ বিক্রয় করতে বাধ্য করে মহাজনারা।

তাছাড়া নদীতে মাছ ধরতে গেলে জেলেদের নৌ-দস্যূদের কবলে পড়ে অনেক সময় চাঁদা প্রদান সহ সর্বস্ব খোঁড়াতে হয়। অনেক সময় দস্যূদের হাতে জীবন পর্যন্ত চলে যায়। হাজীমার মৎস ঘাটে মাছ বিক্রয় করতে আসা জামাল, সোহেল সহ কয়েক জন জানান, ইলিশ ধরার মৌসুমে দস্যুদের উৎপাত বেড়ে যায়। তার উপর মহাজনের বিশাল ঋণের বোঝা নিয়ে পানির দরে মাছ বিক্রয় করতে বাধ্য হয় তারা।

জাতীয় আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নান্দাইলে প্রতিবন্ধি নজরুলকে হুইলচেয়ার উপহার

রায়পুরে দাদন ব্যাবসায়ীদের কাছে জিম্মি হাজারো জেলে

আপডেট টাইম : ০৯:৩১:২৭ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন ২০২২

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় দাদন ব্যবসায়ীদের কোছে জিম্মি হয়ে পড়েছে মেঘনা পাড়ের হাজার হাজার মৎস্যজীবী। মহাজনদের খুশিমত বেধে দেওয়া দামে মাছ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে জেলেরা।দিন রাত হাড় খাটানির মাধ্যমে আহরিত মাছের লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত হয় জেলেরা। মহাজনের দাদনের কাছে অসহায় জেলে পরিবার গুলো।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রায়পুর উপজেলার চরবংশী ,উত্তর চরবংশী, চর আবাবিল সহ আশেপাশের প্রায় দশ হাজার জেলে পরিবার বংশ পরস্পরায় নদীতে মাছ শীকার করে নিজেদের জীবন-জীবিকা চালিয়ে আসছে। মাছ আহরনই তাদের উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম। কিন্তু বিগত কয়েক বছর যাবৎ নদীতে মাছ কম থাকায় জেলেদের জালে চাহিদানুরূপ হারে মাছ শীকার না হওয়ায় চরম হতাশা হয়ে পড়ছে জেলেরা।

আর এতে তাদের জীবন-জীবিকায় বিরূপ প্রভাব পড়েছে। জেলেরা মৌসুমের শুরুতে নৌকা মেরামত,জাল কেনার জন্য মহাজনদের কাছে আহরিত সকল মাছ বিক্রয়ের শর্তে টাকা ধার নেয়। নদীতে মাছের অকালত্বে মাহাজনদের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় অধিকংশ জেলে বছরের পর বছর জিম্মি থেকে যায়। ফলে বিভিন্ন সময় আহরিত মাছের বাজার মূল্য থেকে অনেক কম মূল্যে জেলেদের মাছ বিক্রয় করতে বাধ্য করে মহাজনারা।

তাছাড়া নদীতে মাছ ধরতে গেলে জেলেদের নৌ-দস্যূদের কবলে পড়ে অনেক সময় চাঁদা প্রদান সহ সর্বস্ব খোঁড়াতে হয়। অনেক সময় দস্যূদের হাতে জীবন পর্যন্ত চলে যায়। হাজীমার মৎস ঘাটে মাছ বিক্রয় করতে আসা জামাল, সোহেল সহ কয়েক জন জানান, ইলিশ ধরার মৌসুমে দস্যুদের উৎপাত বেড়ে যায়। তার উপর মহাজনের বিশাল ঋণের বোঝা নিয়ে পানির দরে মাছ বিক্রয় করতে বাধ্য হয় তারা।