ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
কোটা সংস্কারের পক্ষে সরকার নীতিগতভাবে একমত: আইনমন্ত্রী ঘোষণার পর মানছেন না কোটা আন্দোলনকারীরা আমার ভাইদের ফেরত দেওয়া হোক আগে রায়পুরে বালু উত্তোলনে ভাঙন আতঙ্ক সরকারের কাছ থেকে দৃশ্যমান পদক্ষেপ ও সমাধানের পথ তৈরির প্রত্যাশা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শনির আখড়া-যাত্রাবাড়ী সড়কে চলছে সংঘর্ষ, যান চলালাচল অচল করে দিচ্ছেন ফেসবুক লাইভে এসে পদত্যাগের ঘোষণা ছাত্রলীগ নেতার উত্তরায় গুলিতে নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থী নিহত কমপ্লিট শাটডাউন ঢাকার সঙ্গে সব জেলার যোগাযোগ বন্ধ, টার্মিনাল থেকে ছাড়ছে না কোনো বাস ফুলবাড়ীর দৌলতপুর ইউনিয়নে গরু চুরির হিড়িক দেশবাসীর প্রতি মির্জা ফখরুলের আহ্বান, শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঢাবি, ৬টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ

রাণীনগরে ঐতিহ্যবাহি শীতাতলার মাছের মেলা।

সময়ের কন্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : ০৮:৩৯:০৭ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২২
  • / ২৫৬ ৫০০.০০০ বার পাঠক

শাহাদুল ইসলাম (বাবু) নওগাঁ প্রতিনিধি।।
নওগাঁর রাণীনগরে শনিবার গোনা ইউনিয়নের গোনা ঐতিহ্যবাহী শীতাতলা মাছের মেলা। এক দিন ব্যাপী এ মেলা {১৫ জানুয়ারি} শুরু হয়। প্রকৃত একদিনের মেলা হলেও মেলার আগের দিন সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় এবং পৌষ মাসের শেষ দিন হয় পৌষ সংক্রান্তির মেলা পরের দিন বৌ মেলা হিসেবে কেনাবেঁচা হয়।

প্রতি বছর এ মেলা পৌষ মাসের শেষ ও মাঘের শুরুতে অনুষ্ঠিত হয়। মেলাটি অনুষ্ঠিত হয় উপজেলার গোনা ইউনিয়নের গোনা মাঠে । যুগ যুগ ধরে সাজ রবে অনুষ্ঠিত হয় এ মেলা। তবে এ বছর একটু ভিন্ন চিত্র। করোনা ভাইরাস কারনে মেলাতে উৎসুক জনতার বা মেলা দর্শনাথীদের আগমন অন্যআন্য বছরের তুলনায় এ বছর অনেক কম লক্ষ্য করা গেছে। তবে মাস্ক পরিহিত দর্শনাথীদের সংখ্যায় ও কম ছিল এ মেলাতে এখন হিন্দু মুসলিম সকলেই অংশ গ্রহন করেন। এ ছাড়াও মেলাটি এ অঞ্চলে উৎসবে পরিনত হয়েছে।মূলত এটা জামাই মেলা। কিন্তু সবাই এটাকে বলে মাছের মেলা। মেলাকে ঘিরে এখনে দিন ব্যাপী চলে আনন্দ উৎসব।

এ ছাড়া মেলাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আনন্দের বাতাস বইতে শুরু করেছে। জামাই মেয়ে ও আত্মীয়-স্বজন সহ বন্ধু-বান্ধবদের মিলন মেলায় পরিনিত হয়। গোনা সহ আশে-পাশের গ্রাম গুলোর প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই আপ্যায়িত অতিথিদের সন্মানে পিঠা-পুলি,মিঠাই- মিষ্টান্ন সহ রকমারী খাবারের ধুম পড়ে য়ায়। এবার তবে একটু ভিন্ন চিত্র। প্রতিটি বাড়িতে জামাই-মেয়ে ও আত্মীয় স্বজনদের আগমন কম দেখা গেছে।এই দিন টির জন্য সারাটি বছর অপেক্ষায় থাকেন উপজেলা বাসী।এ মেলায় আছে একের ভিতর দুই। কারণ এটা জামাই মেলা হলেও এখানে বসে মাছের বিরাট মেলা। গোনা আশ-পাশের গ্রামে যারা বিয়ে করেছেন, সে সব জামাই হচ্ছে ওই মেলার মূল ক্রেতা ও দর্শনাথী।তা ছাড়া এই মেলাকে ঘিরে চলে এলাকার জামাইদের মধ্যে এক নীরব প্রতিযোগীতা। আর এই প্রতিযোগীতাটি হচ্ছে কোন জামাই সব চেয়ে বড় মাছটি কিনে শ্বশুর বাড়িতে নিয়ে যেতে পারে।

একটা মাছকে ঘিরে ক্রেতা জামাইদের ভীষন জটলা। মাছের নাম চিতল বিক্রেতা দাম হাঁকান বারো শ’ টাকা কেজি একটি মাছের ওজন প্রায় ছয়/শাত কেজি। গোনা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গোনা শীতাতলার মাছের মেলায় গিয়ে দেখা যায় এ দৃশ্য। মেলায় বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন এসেছেন এবারও মেলায় প্রায় শতাধিক মাছ ব্যবসায়ীরা বাহির থেকে মাছেরপসরা সাজিয়ে বসেছেন। মেলায় মাছ ছাড়াও আসবাবপত্র, খেলনা, মিষ্টান্ন ইত্যাদির দোকান বসেছে।

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাণীনগরে ঐতিহ্যবাহি শীতাতলার মাছের মেলা।

আপডেট টাইম : ০৮:৩৯:০৭ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২২

শাহাদুল ইসলাম (বাবু) নওগাঁ প্রতিনিধি।।
নওগাঁর রাণীনগরে শনিবার গোনা ইউনিয়নের গোনা ঐতিহ্যবাহী শীতাতলা মাছের মেলা। এক দিন ব্যাপী এ মেলা {১৫ জানুয়ারি} শুরু হয়। প্রকৃত একদিনের মেলা হলেও মেলার আগের দিন সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় এবং পৌষ মাসের শেষ দিন হয় পৌষ সংক্রান্তির মেলা পরের দিন বৌ মেলা হিসেবে কেনাবেঁচা হয়।

প্রতি বছর এ মেলা পৌষ মাসের শেষ ও মাঘের শুরুতে অনুষ্ঠিত হয়। মেলাটি অনুষ্ঠিত হয় উপজেলার গোনা ইউনিয়নের গোনা মাঠে । যুগ যুগ ধরে সাজ রবে অনুষ্ঠিত হয় এ মেলা। তবে এ বছর একটু ভিন্ন চিত্র। করোনা ভাইরাস কারনে মেলাতে উৎসুক জনতার বা মেলা দর্শনাথীদের আগমন অন্যআন্য বছরের তুলনায় এ বছর অনেক কম লক্ষ্য করা গেছে। তবে মাস্ক পরিহিত দর্শনাথীদের সংখ্যায় ও কম ছিল এ মেলাতে এখন হিন্দু মুসলিম সকলেই অংশ গ্রহন করেন। এ ছাড়াও মেলাটি এ অঞ্চলে উৎসবে পরিনত হয়েছে।মূলত এটা জামাই মেলা। কিন্তু সবাই এটাকে বলে মাছের মেলা। মেলাকে ঘিরে এখনে দিন ব্যাপী চলে আনন্দ উৎসব।

এ ছাড়া মেলাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আনন্দের বাতাস বইতে শুরু করেছে। জামাই মেয়ে ও আত্মীয়-স্বজন সহ বন্ধু-বান্ধবদের মিলন মেলায় পরিনিত হয়। গোনা সহ আশে-পাশের গ্রাম গুলোর প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই আপ্যায়িত অতিথিদের সন্মানে পিঠা-পুলি,মিঠাই- মিষ্টান্ন সহ রকমারী খাবারের ধুম পড়ে য়ায়। এবার তবে একটু ভিন্ন চিত্র। প্রতিটি বাড়িতে জামাই-মেয়ে ও আত্মীয় স্বজনদের আগমন কম দেখা গেছে।এই দিন টির জন্য সারাটি বছর অপেক্ষায় থাকেন উপজেলা বাসী।এ মেলায় আছে একের ভিতর দুই। কারণ এটা জামাই মেলা হলেও এখানে বসে মাছের বিরাট মেলা। গোনা আশ-পাশের গ্রামে যারা বিয়ে করেছেন, সে সব জামাই হচ্ছে ওই মেলার মূল ক্রেতা ও দর্শনাথী।তা ছাড়া এই মেলাকে ঘিরে চলে এলাকার জামাইদের মধ্যে এক নীরব প্রতিযোগীতা। আর এই প্রতিযোগীতাটি হচ্ছে কোন জামাই সব চেয়ে বড় মাছটি কিনে শ্বশুর বাড়িতে নিয়ে যেতে পারে।

একটা মাছকে ঘিরে ক্রেতা জামাইদের ভীষন জটলা। মাছের নাম চিতল বিক্রেতা দাম হাঁকান বারো শ’ টাকা কেজি একটি মাছের ওজন প্রায় ছয়/শাত কেজি। গোনা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গোনা শীতাতলার মাছের মেলায় গিয়ে দেখা যায় এ দৃশ্য। মেলায় বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন এসেছেন এবারও মেলায় প্রায় শতাধিক মাছ ব্যবসায়ীরা বাহির থেকে মাছেরপসরা সাজিয়ে বসেছেন। মেলায় মাছ ছাড়াও আসবাবপত্র, খেলনা, মিষ্টান্ন ইত্যাদির দোকান বসেছে।