ঢাকা ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
রাণীশংকৈলে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন নওগাঁর নিয়ামতপুরে শহীদ দিবস ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২১শে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে ভাষা শহীদদের স্বরনে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেবহাটা উপজেলা সমিতির ও পিকনিক স্পট পরিদর্শন কালিহাতীতে মহান শহিদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত আজ সারা ভারতের বিভিন্ন যায়গার সাথে সিরাকল মহাবিদ্যালয়ে উদযাপিত হল ভাষা দিবস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উৎযাপন ভৈরবে অমর ২১শে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সকল বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছে কিশোরগঞ্জে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত কমলনগরে সয়াবিন ক্ষেত থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার ২১ শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে

ঢাকার নবাবগঞ্জের ইছামতী নদী ভরে গেছে কচুরিপানায়

আবুবকর গাজী ( নবাবগঞ্জ সংবাদাতা)।।নবাবগঞ্জ থানার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরোটা জুড়েই রয়েছে এই ইছামতী নদী ।

যার একপান্ত ছিল পদ্মার সাথে সংযোগ ও অপর প্রান্ত ছিল বুড়িগঙ্গার সাথে সংযোগ।
এই নদীতে এক সময় যাত্রী বাহী নৌযান চলত ।
আজ এই অবস্থা। চৈএ মাসে এই নদীর বেশির ভাগ শুকিয়ে যায়। বষাকালে বৃষ্টির ও পানিতে জন্ম নেয় কচুরিপানা। ফলে কোন নৌযান চলাচল করতে পারে না। এর মূলকারন হল পদ্মা নদীর সমান্তরালে ( এই নদীর মাঝ বরাবর ) দেওয়া হয়েছে একটা উচু বেড়িবাঁধ। যাতে পদ্মার হঠাৎ পানি এই এলাকায় বন্যার সৃষ্টি না হয়। ফলে এই নদী টা এখন স্রোতহীন মরা নদীতে পরিনত হয়েছে। তারপর ইছামতী নদী বাঁচাও আন্দোলন হয়েছে অনেক। এতে ব্যানার নিয়ে উপস্থিত হয় হাজার হাজার মানুষ। পানি মন্ত্রানালয়ে গেছে অনেক নেতারা। এই ইছামতী নদীর মাঝে বেশ কয়েকটি সুইচগেট করার কথা বলা হয়েছে। যাতে পদ্মা হতে পানি এসে এই নদীর নাব্যতা ও প্রবাহ ঠিক থাকে আগের মত। কিন্তু পানি মন্ত্রানালয় আজও সাড়া দেয় নি। নদীর মাঝখানে আজও সূইচগেট করা সম্ভব হয় নাই। ফলে মানিকগঞ্জের পদ্ম নদী মোহনা হতে কেরানীগঞ্জের সীমানা পযন্ত ৩০ কিমি সারা নবাবগঞ্জ জুড়ে এখন কচুরিপানা।

আরো খবর.......

জনপ্রিয় সংবাদ

রাণীশংকৈলে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

ঢাকার নবাবগঞ্জের ইছামতী নদী ভরে গেছে কচুরিপানায়

আপডেট টাইম : ০৩:০৯:৫৯ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৩ আগস্ট ২০২১

আবুবকর গাজী ( নবাবগঞ্জ সংবাদাতা)।।নবাবগঞ্জ থানার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরোটা জুড়েই রয়েছে এই ইছামতী নদী ।

যার একপান্ত ছিল পদ্মার সাথে সংযোগ ও অপর প্রান্ত ছিল বুড়িগঙ্গার সাথে সংযোগ।
এই নদীতে এক সময় যাত্রী বাহী নৌযান চলত ।
আজ এই অবস্থা। চৈএ মাসে এই নদীর বেশির ভাগ শুকিয়ে যায়। বষাকালে বৃষ্টির ও পানিতে জন্ম নেয় কচুরিপানা। ফলে কোন নৌযান চলাচল করতে পারে না। এর মূলকারন হল পদ্মা নদীর সমান্তরালে ( এই নদীর মাঝ বরাবর ) দেওয়া হয়েছে একটা উচু বেড়িবাঁধ। যাতে পদ্মার হঠাৎ পানি এই এলাকায় বন্যার সৃষ্টি না হয়। ফলে এই নদী টা এখন স্রোতহীন মরা নদীতে পরিনত হয়েছে। তারপর ইছামতী নদী বাঁচাও আন্দোলন হয়েছে অনেক। এতে ব্যানার নিয়ে উপস্থিত হয় হাজার হাজার মানুষ। পানি মন্ত্রানালয়ে গেছে অনেক নেতারা। এই ইছামতী নদীর মাঝে বেশ কয়েকটি সুইচগেট করার কথা বলা হয়েছে। যাতে পদ্মা হতে পানি এসে এই নদীর নাব্যতা ও প্রবাহ ঠিক থাকে আগের মত। কিন্তু পানি মন্ত্রানালয় আজও সাড়া দেয় নি। নদীর মাঝখানে আজও সূইচগেট করা সম্ভব হয় নাই। ফলে মানিকগঞ্জের পদ্ম নদী মোহনা হতে কেরানীগঞ্জের সীমানা পযন্ত ৩০ কিমি সারা নবাবগঞ্জ জুড়ে এখন কচুরিপানা।