ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজীপুর মহানগর পুলিশ কর্তৃক ২৪ ঘন্টার উদ্ধার অভিযান আত্রাইয়ে থানাপুলিশ অভিযান চালিয়ে ২৫০গ্রাম গাঁজাসহ আটক এক সাভারে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপ-প্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ কিশোরের হত্যাকান্ডকে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচারণা,করায় মা ও তার, মামা গ্রেফতার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ২ নং ওয়ার্ডে রাস্তা ঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন নাজিরপুরে হার্ডওয়্যার এর দোকানে বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিটে আগুন পূর্বের বিরোধকে কেন্দ্র করে স্ব মিলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ মংলা উপজেলার মিঠু ফকির আর নেই মোংলায় নাসা অ্যাপস চ্যালেঞ্জ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলনেতা সুমিত’র সংবর্ধনা স্বামী ছাড়া পাগলী এখন সন্তানের জননী

আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মিমাংশার পরেও একই মামলায় দুবছর ধরে সাংবাদিককে হয়রানির অভিযোগ 

স্টাফ রিপোর্টারঃ-  প্রথম পক্ষ আঃ রাজ্জাক ওরফে সুলতান মামুদ, দ্বিতীয় পক্ষ সুমি আক্তারগণ, জয়পুরহাট কালাইয়ে ১৩৬ নোটারী পাবলিক হলফনামা প্রতারনার অভিযোগ উঠেছে সাবেক ইউপি সদস্য ইউনুছ মেম্বার,আলী আনসার, মর্জিনা বেগম, তানজিলা বেগম সুমি আক্তারের বিরুদ্ধে।

ঘটনার বিষয়টি সম্পর্কে জানা যায়,বিবাহ সংক্রান্ত পারিবারিক বিষয়বস্তু নিয়ে বগুড়া বিজ্ঞ আদালতে নোটারী পাবলিক কার্যালয়ে এ্যাড. তহমিনুর রহমান ও এ্যাড. পবনের সেরেস্তায় স্ট্যাম্পে লিখিত উভয়পক্ষের অভিভাবকগণের উপস্থিতে ও সকলের সম্মতিক্রমে একটি আপোষ মিমাংশা করা হয়।
১৩৬ নং এভিডেভিডের মূলে ১ থেকে ১১ নং দফার বিষয় বস্তু নিয়ে উক্ত হলফনামায়  উল্লেখ রয়েছে ৩৪/১৮/ ৬/১৯/৫৮ পারিবারিক মামলা আপোষে স্বাক্ষীর মাধ্যমে মামলা নিষপত্তি করা হইলো। কিন্তু দ্বিতীয় পক্ষসহ তাহার অভিভাবকেরা প্রথম পক্ষের নিকট হইতে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টায় বিজ্ঞ আদালতের আইনকে অমান্য করে এখনো উক্ত মামলাটি চলমান রেখেছেন।
৩৪/১৮ রাষ্ট মামলা দীর্ঘ ৪ বছর শুনানি শেষে দ্বিতীয় পক্ষ সুমি আক্তারের অভিযোগ আদালতে প্রমানিত না হওয়ায় বিজ্ঞ আদালতের বিচারক উক্ত মামলা থেকে প্রথম পক্ষ সাংবাদিক আঃ রাজ্জাক কে  অব্যহিত দিলেও এ বিষয়ে বাদীনি সুমি আক্তার ও মিথ্যা স্বাক্ষ প্রদান কারি মর্জিনা বেগম,মিজানুর রহমান, শফিকুল ও আলী আনসারের বিরুদ্ধে ধারা ১৭ মামলার প্রস্ততি নিয়েছি।
মিথ্যা অপবাদ, সম্মানহানি, আর্থীক ক্ষতি, পারিবারিকভাবে অপদস্থ করাসহ বেশ কিছু বিষয়ে সুমিগনের বিরুদ্ধে মামলা করবেন সাংবাদিক আঃ রাজ্জাক যেকোনও সময় তিনি মামলা দায়ের করবেন।
 আমার সম্পর্কে যে ধরনের অভিযোগ করেছেন, সবই মিথ্যা, পারিবারিকভাবে আমাকে হয়রানি করা হয়েছে। আমার দীর্ঘদিনের অর্জিত মান-সম্মান সবকিছুই মিশে গেছে এ ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগের কারনে৷  একাধিক মামলাই ফাঁসানো অব্যাহত রেখেছে.
আমার পরিবারে কোন প্রকার মামলা হামলা ছিলনা৷
এক পর্যায়ে ১৩৬ এভিডেভিডে ৬ নং দফায় দেন মহর খোরপোষসহ যাবতীয় দেনা পাওনা বুজিয়া পাইয়া দ্বিতীয় পক্ষ হয়ে স্বাক্ষর করেন, ইউনুস আলী আনসার মর্জিনা, তানজিলা বেগম এমনকি উক্ত এভিডেবিভিডটি গত ১৮/২/২০-ইং তারিখে বগুড়া থেকে প্রকাশিত  দৈনিক চাঁদনী বাজার প্রত্রিকায় তা প্রকাশ করা হয়।
সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষেও আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রায় দুইবছর ধরে এখনো ওই মামলাটি চলমান রয়েছেন কিভাবে-? আর কোন আধ্যাত্মিক ক্ষমতার জোড়ে উক্ত মামলাটি এখনো চলছে যে মামলাটি সাংবাদিক মহলের নিকট কৌতূহল জাগিয়েছে। মামলা মিমাংশার পরেও কিভাবে মামলাটি চলমান থাকতে পারে। শুধু তাই নয় এ মামলার বিষয়ে দ্বিতীয় পক্ষকে নিয়ে জাতীয় দৈনিক ভোরের দর্পণ প্রত্রিকায় লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে জবাব চাওয়া হলেও তাহার কোন প্রকার জবাব না দিয়ে প্রথম পক্ষের নিকট মোটা অংকের অর্থের চাঁপ সৃষ্টি করে বিজ্ঞ আদালতের সাথে প্রতারণাসহ সাংবাদিককে এখনো বিভিন্ন হুমকি অব্যাহত রেখেছে বাদীনি পক্ষ৷
ভুক্তভুগী প্রথম সাংবাদিক আঃ রাজ্জাক তাদের প্রতারণাসহ বিভিন্ন হুমকির শিকারে পরে ন্যায্য বিচারের আশাই সে দ্বারেদ্বারে ঘুরছেন। তিনি সঠিক বিচার না পেয়ে অবশেষে সাংবাদিকদের নিকট তাহার হয়রানির  বিষয়টি প্রমাণ সাপেক্ষে অভিযোগ করেন৷
দায়িত্বশীল সূত্র জানায় দ্বিতীয় পক্ষের স্বাক্ষী ইউপি সদস্য ইউনুছ মেম্বারের সাথে মুঠো ফোনে উক্ত ১৩৬ এএভিডেভিটে তাহার স্বাক্ষরের বিষয়টি নিয়ে কথা বললে তিনি বলেন উক্ত আপোষ নামায় আমি স্বাক্ষর করেছি এবং আলী আনসার মর্জিনা তানজিলা তারাও আমার উপস্থিততে স্বাক্ষর করেছে। তাহার এ কথার কল রেকডটি সাংবাদিক মহলের নিকট প্রমান সহিত রয়েছে।
সরজমিনে সাংবাদিকগণ আলী আনসারের সাথে স্বাক্ষাৎ হলে তিনি বলেন, আমি কোন স্বাক্ষর করিনি ইউনছ টাকা পয়সা খেয়ে মিথ্যা কথা বলছে  আমার ভগনী জেলে ছিলো তার সাথে কথা বলেন। আর কখনো আমাকে কল দিয়ে ডিস্টার্ব করবেননা  রাগানিত হয়ে কথা বলেন তিনি।
দ্বিতীয় পক্ষ সুমি আক্তারের মুঠো ফোনে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ১৩৬ এভিডেভিটের বিষয় নিয়ে কথা বললে তিনি বলেন, আপনি সাংবাদিক হন, আর ক্রাইম রিপোর্টার হন,নিউজ করবেন তা আমাকে ফোন করেছেন কেন-? জানেন না নারীদের ক্ষমতা সাংবাদিকের চেয়েও বেশি, বলে কলটি কেটে দেন তিনি  যাহার কল রেকডটিও সাংবাদিক মহলের নিকট প্রমান সহিত রয়েছে।
মর্জিনা বেগমের সাথে স্বাক্ষাত করতে গেলে তিনি অচ্ছিল ভাষা গালিগালাজ করতে থাকেন। এরপর তানজিলা বেগমের সাথেও কথা বলতে গেলে তিনিও চড়াও হয়ে বলেন আমি কিছু বলতে পারব না আপনারা কিসের সাংবাদিক এসব আমরা সাংবাদিকদের টাইম দেই না আপনাদের কি করার আছে করেন জান৷
নাম প্রকাশে আনইচ্ছুক ব্যক্তির কাছে তানজিলা বেগমের গল্পের তালে স্বীকার করেন যে এভিডেভিডে আমরা সাক্ষর করেছি৷ প্রয়োজনে আমি কোর্টে স্বাক্ষীও দিব। উক্ত ব্যক্তিটি যেকোনো সময়ে স্বাক্ষী দিতেও তিনি প্রস্তুত আছেন৷
ভুক্তভোগী হয়রানির শিকার সাংবাদিক আঃ রাজ্জাক বলেন, আমি দেশ সমাজের কল্যাণে কাজ করি’ আমি আইনকে শ্রদ্ধা করি তাই বিজ্ঞ আইনের পাশাপাশি দেশের সকল জাতির দর্পণের নিকট আমার আকুল আবেদন আমাকে এ মিথ্যা হয়রানি থেকে রক্ষার্থে আপনাদের সহযোগীতা কামনা করছি৷ আমার বাবা ক্যন্সার রুগী সংসার বলতে আমার আর কিছুই নেই এবং তদন্ত সাপেক্ষে বিজ্ঞ হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্শন করে ন্যায্য বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
উল্লিখিত বিষয়ে নিম্নে এ্যড, আঃ জলিল এ্যাড. তহমিনুর রহমান ও এ্যাড.পবন কর্তৃক ১৩৬ এভিডেভিটের লিখিতসহ স্বাক্ষীর বিষয়ে তাদের বক্তব্য তুলে ধরা হইলো-
এ্যড, আঃ জলিল তিনি বলেন আমার সেরেস্তার স্বমনে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন  উভয় পক্ষ৷ আমার বাড়ি কালাই থানাতে তাদেরকে আমি চিনিও বটে প্রযোন হলে আমিও আদালতে স্বাক্ষী দিবো
এ্যাড.তহমিনুর রহমান বলেন,আপোষ কারী দয় সেরেস্তায় উভয় পক্ষ আমার সামনে টাকা পয়সা লেন দেন করেন স্বাক্ষর গ্রহনের পরে বিষয়টি আইডেন্টি ফাইকরি৷ এটা প্রায় দুইবছর আগের ঘটনা আমি জয়পুরহাটের কালাই পারিবারিক আদালতে স্বাক্ষও দিয়েছি।
এ্যাড.পবন বলেন নোটারি রুলস-১৯৬৪ দ্বারা বাংলাদেশে নোটারী পাবলিকের বিষয়টি নিয়ন্ত্রিত হয়। উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে নোটারী করতে হবে। নোটারী বিধিমালা (৬০-ক) অনুযায়ী, একজন নোটারীয়ান বা যিনি নোটারী করে দেন তাঁর নির্দিষ্ট কার্যালয় থাকতে হবে। এছাড়াও আমি জয়পুরহাটের কালাই পারিবারিক আদালতে গিয়ে স্বাক্ষ্য দিয়েছি সুমি আক্তার বগুড়া জেলা কারাগারে বন্ধি থাকায় তারা উভয়পক্ষের অভিভাবকের সম্মতিক্রমে স্বাক্ষর করিয়াছে এবং আমার অফিস থেকে এভিডেভিট সরবারহ করিয়াছি৷ এবং যাহার রেজিষ্টারেও উল্লেখিত রয়েছে৷
 উক্ত বিষয়ে উদয়পুর ইউ পিঃ আহম্মেদাবাদ ইউপিঃ চেয়ারম্যান দয়দেরকে  জিজ্ঞাসা করা হলে সাংবাদিকদের বলেন আঃ রাজ্জাক একিটি আপষ নামার বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ করেছিলো এনিয়ে ২য় পক্ষকে ডেকেছিলাম তারা কোন যোগা যোগ করেনি৷ এদের সমাজিক মর্জাদা নেই তিনি যেনো আইনি সহায়াতা পায় এই প্রত্যা করি৷
আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুর মহানগর পুলিশ কর্তৃক ২৪ ঘন্টার উদ্ধার অভিযান

আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মিমাংশার পরেও একই মামলায় দুবছর ধরে সাংবাদিককে হয়রানির অভিযোগ 

আপডেট টাইম : ১১:২৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১২ আগস্ট ২০২১

স্টাফ রিপোর্টারঃ-  প্রথম পক্ষ আঃ রাজ্জাক ওরফে সুলতান মামুদ, দ্বিতীয় পক্ষ সুমি আক্তারগণ, জয়পুরহাট কালাইয়ে ১৩৬ নোটারী পাবলিক হলফনামা প্রতারনার অভিযোগ উঠেছে সাবেক ইউপি সদস্য ইউনুছ মেম্বার,আলী আনসার, মর্জিনা বেগম, তানজিলা বেগম সুমি আক্তারের বিরুদ্ধে।

ঘটনার বিষয়টি সম্পর্কে জানা যায়,বিবাহ সংক্রান্ত পারিবারিক বিষয়বস্তু নিয়ে বগুড়া বিজ্ঞ আদালতে নোটারী পাবলিক কার্যালয়ে এ্যাড. তহমিনুর রহমান ও এ্যাড. পবনের সেরেস্তায় স্ট্যাম্পে লিখিত উভয়পক্ষের অভিভাবকগণের উপস্থিতে ও সকলের সম্মতিক্রমে একটি আপোষ মিমাংশা করা হয়।
১৩৬ নং এভিডেভিডের মূলে ১ থেকে ১১ নং দফার বিষয় বস্তু নিয়ে উক্ত হলফনামায়  উল্লেখ রয়েছে ৩৪/১৮/ ৬/১৯/৫৮ পারিবারিক মামলা আপোষে স্বাক্ষীর মাধ্যমে মামলা নিষপত্তি করা হইলো। কিন্তু দ্বিতীয় পক্ষসহ তাহার অভিভাবকেরা প্রথম পক্ষের নিকট হইতে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টায় বিজ্ঞ আদালতের আইনকে অমান্য করে এখনো উক্ত মামলাটি চলমান রেখেছেন।
৩৪/১৮ রাষ্ট মামলা দীর্ঘ ৪ বছর শুনানি শেষে দ্বিতীয় পক্ষ সুমি আক্তারের অভিযোগ আদালতে প্রমানিত না হওয়ায় বিজ্ঞ আদালতের বিচারক উক্ত মামলা থেকে প্রথম পক্ষ সাংবাদিক আঃ রাজ্জাক কে  অব্যহিত দিলেও এ বিষয়ে বাদীনি সুমি আক্তার ও মিথ্যা স্বাক্ষ প্রদান কারি মর্জিনা বেগম,মিজানুর রহমান, শফিকুল ও আলী আনসারের বিরুদ্ধে ধারা ১৭ মামলার প্রস্ততি নিয়েছি।
মিথ্যা অপবাদ, সম্মানহানি, আর্থীক ক্ষতি, পারিবারিকভাবে অপদস্থ করাসহ বেশ কিছু বিষয়ে সুমিগনের বিরুদ্ধে মামলা করবেন সাংবাদিক আঃ রাজ্জাক যেকোনও সময় তিনি মামলা দায়ের করবেন।
 আমার সম্পর্কে যে ধরনের অভিযোগ করেছেন, সবই মিথ্যা, পারিবারিকভাবে আমাকে হয়রানি করা হয়েছে। আমার দীর্ঘদিনের অর্জিত মান-সম্মান সবকিছুই মিশে গেছে এ ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগের কারনে৷  একাধিক মামলাই ফাঁসানো অব্যাহত রেখেছে.
আমার পরিবারে কোন প্রকার মামলা হামলা ছিলনা৷
এক পর্যায়ে ১৩৬ এভিডেভিডে ৬ নং দফায় দেন মহর খোরপোষসহ যাবতীয় দেনা পাওনা বুজিয়া পাইয়া দ্বিতীয় পক্ষ হয়ে স্বাক্ষর করেন, ইউনুস আলী আনসার মর্জিনা, তানজিলা বেগম এমনকি উক্ত এভিডেবিভিডটি গত ১৮/২/২০-ইং তারিখে বগুড়া থেকে প্রকাশিত  দৈনিক চাঁদনী বাজার প্রত্রিকায় তা প্রকাশ করা হয়।
সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষেও আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রায় দুইবছর ধরে এখনো ওই মামলাটি চলমান রয়েছেন কিভাবে-? আর কোন আধ্যাত্মিক ক্ষমতার জোড়ে উক্ত মামলাটি এখনো চলছে যে মামলাটি সাংবাদিক মহলের নিকট কৌতূহল জাগিয়েছে। মামলা মিমাংশার পরেও কিভাবে মামলাটি চলমান থাকতে পারে। শুধু তাই নয় এ মামলার বিষয়ে দ্বিতীয় পক্ষকে নিয়ে জাতীয় দৈনিক ভোরের দর্পণ প্রত্রিকায় লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে জবাব চাওয়া হলেও তাহার কোন প্রকার জবাব না দিয়ে প্রথম পক্ষের নিকট মোটা অংকের অর্থের চাঁপ সৃষ্টি করে বিজ্ঞ আদালতের সাথে প্রতারণাসহ সাংবাদিককে এখনো বিভিন্ন হুমকি অব্যাহত রেখেছে বাদীনি পক্ষ৷
ভুক্তভুগী প্রথম সাংবাদিক আঃ রাজ্জাক তাদের প্রতারণাসহ বিভিন্ন হুমকির শিকারে পরে ন্যায্য বিচারের আশাই সে দ্বারেদ্বারে ঘুরছেন। তিনি সঠিক বিচার না পেয়ে অবশেষে সাংবাদিকদের নিকট তাহার হয়রানির  বিষয়টি প্রমাণ সাপেক্ষে অভিযোগ করেন৷
দায়িত্বশীল সূত্র জানায় দ্বিতীয় পক্ষের স্বাক্ষী ইউপি সদস্য ইউনুছ মেম্বারের সাথে মুঠো ফোনে উক্ত ১৩৬ এএভিডেভিটে তাহার স্বাক্ষরের বিষয়টি নিয়ে কথা বললে তিনি বলেন উক্ত আপোষ নামায় আমি স্বাক্ষর করেছি এবং আলী আনসার মর্জিনা তানজিলা তারাও আমার উপস্থিততে স্বাক্ষর করেছে। তাহার এ কথার কল রেকডটি সাংবাদিক মহলের নিকট প্রমান সহিত রয়েছে।
সরজমিনে সাংবাদিকগণ আলী আনসারের সাথে স্বাক্ষাৎ হলে তিনি বলেন, আমি কোন স্বাক্ষর করিনি ইউনছ টাকা পয়সা খেয়ে মিথ্যা কথা বলছে  আমার ভগনী জেলে ছিলো তার সাথে কথা বলেন। আর কখনো আমাকে কল দিয়ে ডিস্টার্ব করবেননা  রাগানিত হয়ে কথা বলেন তিনি।
দ্বিতীয় পক্ষ সুমি আক্তারের মুঠো ফোনে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ১৩৬ এভিডেভিটের বিষয় নিয়ে কথা বললে তিনি বলেন, আপনি সাংবাদিক হন, আর ক্রাইম রিপোর্টার হন,নিউজ করবেন তা আমাকে ফোন করেছেন কেন-? জানেন না নারীদের ক্ষমতা সাংবাদিকের চেয়েও বেশি, বলে কলটি কেটে দেন তিনি  যাহার কল রেকডটিও সাংবাদিক মহলের নিকট প্রমান সহিত রয়েছে।
মর্জিনা বেগমের সাথে স্বাক্ষাত করতে গেলে তিনি অচ্ছিল ভাষা গালিগালাজ করতে থাকেন। এরপর তানজিলা বেগমের সাথেও কথা বলতে গেলে তিনিও চড়াও হয়ে বলেন আমি কিছু বলতে পারব না আপনারা কিসের সাংবাদিক এসব আমরা সাংবাদিকদের টাইম দেই না আপনাদের কি করার আছে করেন জান৷
নাম প্রকাশে আনইচ্ছুক ব্যক্তির কাছে তানজিলা বেগমের গল্পের তালে স্বীকার করেন যে এভিডেভিডে আমরা সাক্ষর করেছি৷ প্রয়োজনে আমি কোর্টে স্বাক্ষীও দিব। উক্ত ব্যক্তিটি যেকোনো সময়ে স্বাক্ষী দিতেও তিনি প্রস্তুত আছেন৷
ভুক্তভোগী হয়রানির শিকার সাংবাদিক আঃ রাজ্জাক বলেন, আমি দেশ সমাজের কল্যাণে কাজ করি’ আমি আইনকে শ্রদ্ধা করি তাই বিজ্ঞ আইনের পাশাপাশি দেশের সকল জাতির দর্পণের নিকট আমার আকুল আবেদন আমাকে এ মিথ্যা হয়রানি থেকে রক্ষার্থে আপনাদের সহযোগীতা কামনা করছি৷ আমার বাবা ক্যন্সার রুগী সংসার বলতে আমার আর কিছুই নেই এবং তদন্ত সাপেক্ষে বিজ্ঞ হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্শন করে ন্যায্য বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
উল্লিখিত বিষয়ে নিম্নে এ্যড, আঃ জলিল এ্যাড. তহমিনুর রহমান ও এ্যাড.পবন কর্তৃক ১৩৬ এভিডেভিটের লিখিতসহ স্বাক্ষীর বিষয়ে তাদের বক্তব্য তুলে ধরা হইলো-
এ্যড, আঃ জলিল তিনি বলেন আমার সেরেস্তার স্বমনে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন  উভয় পক্ষ৷ আমার বাড়ি কালাই থানাতে তাদেরকে আমি চিনিও বটে প্রযোন হলে আমিও আদালতে স্বাক্ষী দিবো
এ্যাড.তহমিনুর রহমান বলেন,আপোষ কারী দয় সেরেস্তায় উভয় পক্ষ আমার সামনে টাকা পয়সা লেন দেন করেন স্বাক্ষর গ্রহনের পরে বিষয়টি আইডেন্টি ফাইকরি৷ এটা প্রায় দুইবছর আগের ঘটনা আমি জয়পুরহাটের কালাই পারিবারিক আদালতে স্বাক্ষও দিয়েছি।
এ্যাড.পবন বলেন নোটারি রুলস-১৯৬৪ দ্বারা বাংলাদেশে নোটারী পাবলিকের বিষয়টি নিয়ন্ত্রিত হয়। উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে নোটারী করতে হবে। নোটারী বিধিমালা (৬০-ক) অনুযায়ী, একজন নোটারীয়ান বা যিনি নোটারী করে দেন তাঁর নির্দিষ্ট কার্যালয় থাকতে হবে। এছাড়াও আমি জয়পুরহাটের কালাই পারিবারিক আদালতে গিয়ে স্বাক্ষ্য দিয়েছি সুমি আক্তার বগুড়া জেলা কারাগারে বন্ধি থাকায় তারা উভয়পক্ষের অভিভাবকের সম্মতিক্রমে স্বাক্ষর করিয়াছে এবং আমার অফিস থেকে এভিডেভিট সরবারহ করিয়াছি৷ এবং যাহার রেজিষ্টারেও উল্লেখিত রয়েছে৷
 উক্ত বিষয়ে উদয়পুর ইউ পিঃ আহম্মেদাবাদ ইউপিঃ চেয়ারম্যান দয়দেরকে  জিজ্ঞাসা করা হলে সাংবাদিকদের বলেন আঃ রাজ্জাক একিটি আপষ নামার বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ করেছিলো এনিয়ে ২য় পক্ষকে ডেকেছিলাম তারা কোন যোগা যোগ করেনি৷ এদের সমাজিক মর্জাদা নেই তিনি যেনো আইনি সহায়াতা পায় এই প্রত্যা করি৷