ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
মনোহরদীতে নানা আয়োজনে বর্ষবরণ উৎসব পালিত হয়েছে ঠাকুরগাঁও। রুহিয়া ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা করোনাভাইরাস এর কারণে বন্ধ থাকায় আবারও পাঁচ বছর পর ১০ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়েছে রানীশংকৈলে নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত রায়পুরে পহেলা বৈশাখে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নবাবগঞ্জে বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ পালিত ঘাটাইলে ব্যবসায়ীর হাত-পায়ের রগ কেটে সর্বস্ব লুট টঙ্গীতে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর উপর হামলা: তদন্তে গিয়ে সিসিটিভি আবদার করলো পুলিশ! আনোয়ারা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে ঈদ পূর্ণমিলনী ও মত বিনিময় সভা মোংলায় নিরুদ্দেশ মোতালেব জমাদ্দারের নাতিদের আকিকা অনুষ্ঠানে হাজারও লোকের ভিড় বহিষ্কার মোঃ রবিউল ইসলাম রবি কে দৈনিক সময়ের কন্ঠ পত্রিকা ও অনলাইন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে

মহামারীতেও ব্যাপক আর্থিক সহায়তা নর্থ সাউথ পরিবারে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মহামারী করোনার ছোবলে লন্ডভন্ড দেশের শিক্ষা খাত। পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে একের পর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হচ্ছে বিক্রিও। চাকরি হারাচ্ছেন বেসরকারী শিক্ষাস্তরের শিক্ষক, কর্মকতা, কর্মচারি। শিক্ষাথীর পরিবারও ভুগছে আর্থিক সংকটে। তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম দেশের অন্যতম বেসরকারী উচ্চ শিক্ষাঙ্গন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ)। মহামারীতে কেবল অনলাইন শিক্ষাতেই সফল নয় প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে ব্যাপক আর্থিক সহায়তা নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা, কর্মচারিদের পাশে দাড়িয়েছে নর্থ সাউথ পরিবার।

মহামারীর কারনে চাকরিচ্যুত হয়নি কেউ, বন্ধ হয়নি বেতন ভাতা, এমনকি সাভাবিক সময়ের মতোই শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারিরা পেয়েছেন বেনাস। আর্থিক সহায়তা, টিউশন ফি মওকুপ, সম্পুর্ন বিনামূল্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের পড়ালেখা করার সুযোগ দেয়াসহ ব্যতিক্রমীসহ সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

বিষয়টিতে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা। আর্থিক সহায়তা সংক্রান্ত তথ্যে দেখা গেছে, ১৯৯৩ সালে সাল থেকে (স্প্রি সেশন) এখন পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদেরকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে ২২৩ কোটি টাকা, যা দেশের যে কোন বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি উদাহরণ।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আতিকুল ইসলাম সন্তোষ প্রকাশ বলেন, গত ১২ মাসে করোনাকালে তিন সেমিস্টারে সকল শিক্ষার্থীর জন্য নির্দিষ্ট পরিমানে ফি মওকুফ করা হয়েছে। স্টুডেন্ট-এক্টিভিটি ফি শতভাগ মওকুফ করা হয়েছে। মোট ফিসহ মওকুফের পরিমাণ ২০ শতাংশ। মেধাবী ও অভাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি হিসাবে ১৮ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। যেসব শিক্ষার্থী তাদের বাবা-মা হারিয়েছে তাদের জন্যও বিশেষ বৃত্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০০১ থেকে আজ পর্যন্ত অবধি মোট ৪০ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থীকে প্রতিটি সেমিস্টারে ব্যক্তিগত অনুদান সহায়তা দেয়া হয়েছে। যার পরিমান প্রায় ১৩৪ কোটি টাকা। করোনা মহামারীর মধ্যে ‘কোভিড স্পেশাল’ ফি মওকুপ হিসেবে এখন পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ১১৫ কোটি টাকা ছাড় দেয়া হয়েছে। ২০১০ সালে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ কার্যকরের পর এখন পর্যন্ত এনএসইউতে এক হাজার ৩৩৪ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ছাত্রত্ব পেয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত টিউশন মওকুফ বাদের মহামারীর (সামার’-২০-স্প্রিং’২১) প্রেক্ষিতে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য কোভিড স্পেশাল টিউশন মওকুফ হিসাবে ৮৮ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত হযেছেন, পিতা মাতা হারিয়েছেন এমন ৫৪ জন শিক্ষার্থীকে মহামারীর বিশেষ কেস হিসেবে দেয়া হয়েছে আর্থিক সহায়তা। এদিকে ইউজিসি ও এনএসইউ‘র আর্থিক সহায়তা সংক্রান্ত তথ্যে দেখা গেছে শিক্ষার্থীদেনর সবচেয়ে বেশি আর্থিক সহায়তাদানকারি বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে নর্থ সাউথ। অথচ ভর্তি, টিউশন ফিসহ কোন ফি‘ই নর্থ সাউথে সর্বেচ্চে নয়। স্মাতক ও স্মাতকোত্তর পর্যায়ের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সকল ফি নর্থ সাউথের তুলনায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে বেশি।

আরো খবর.......

জনপ্রিয় সংবাদ

মনোহরদীতে নানা আয়োজনে বর্ষবরণ উৎসব পালিত হয়েছে

মহামারীতেও ব্যাপক আর্থিক সহায়তা নর্থ সাউথ পরিবারে

আপডেট টাইম : ০৪:৫৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ১১ আগস্ট ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মহামারী করোনার ছোবলে লন্ডভন্ড দেশের শিক্ষা খাত। পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে একের পর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হচ্ছে বিক্রিও। চাকরি হারাচ্ছেন বেসরকারী শিক্ষাস্তরের শিক্ষক, কর্মকতা, কর্মচারি। শিক্ষাথীর পরিবারও ভুগছে আর্থিক সংকটে। তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম দেশের অন্যতম বেসরকারী উচ্চ শিক্ষাঙ্গন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ)। মহামারীতে কেবল অনলাইন শিক্ষাতেই সফল নয় প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে ব্যাপক আর্থিক সহায়তা নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা, কর্মচারিদের পাশে দাড়িয়েছে নর্থ সাউথ পরিবার।

মহামারীর কারনে চাকরিচ্যুত হয়নি কেউ, বন্ধ হয়নি বেতন ভাতা, এমনকি সাভাবিক সময়ের মতোই শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারিরা পেয়েছেন বেনাস। আর্থিক সহায়তা, টিউশন ফি মওকুপ, সম্পুর্ন বিনামূল্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের পড়ালেখা করার সুযোগ দেয়াসহ ব্যতিক্রমীসহ সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

বিষয়টিতে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা। আর্থিক সহায়তা সংক্রান্ত তথ্যে দেখা গেছে, ১৯৯৩ সালে সাল থেকে (স্প্রি সেশন) এখন পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদেরকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে ২২৩ কোটি টাকা, যা দেশের যে কোন বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি উদাহরণ।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আতিকুল ইসলাম সন্তোষ প্রকাশ বলেন, গত ১২ মাসে করোনাকালে তিন সেমিস্টারে সকল শিক্ষার্থীর জন্য নির্দিষ্ট পরিমানে ফি মওকুফ করা হয়েছে। স্টুডেন্ট-এক্টিভিটি ফি শতভাগ মওকুফ করা হয়েছে। মোট ফিসহ মওকুফের পরিমাণ ২০ শতাংশ। মেধাবী ও অভাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি হিসাবে ১৮ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। যেসব শিক্ষার্থী তাদের বাবা-মা হারিয়েছে তাদের জন্যও বিশেষ বৃত্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০০১ থেকে আজ পর্যন্ত অবধি মোট ৪০ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থীকে প্রতিটি সেমিস্টারে ব্যক্তিগত অনুদান সহায়তা দেয়া হয়েছে। যার পরিমান প্রায় ১৩৪ কোটি টাকা। করোনা মহামারীর মধ্যে ‘কোভিড স্পেশাল’ ফি মওকুপ হিসেবে এখন পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ১১৫ কোটি টাকা ছাড় দেয়া হয়েছে। ২০১০ সালে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ কার্যকরের পর এখন পর্যন্ত এনএসইউতে এক হাজার ৩৩৪ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ছাত্রত্ব পেয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত টিউশন মওকুফ বাদের মহামারীর (সামার’-২০-স্প্রিং’২১) প্রেক্ষিতে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য কোভিড স্পেশাল টিউশন মওকুফ হিসাবে ৮৮ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত হযেছেন, পিতা মাতা হারিয়েছেন এমন ৫৪ জন শিক্ষার্থীকে মহামারীর বিশেষ কেস হিসেবে দেয়া হয়েছে আর্থিক সহায়তা। এদিকে ইউজিসি ও এনএসইউ‘র আর্থিক সহায়তা সংক্রান্ত তথ্যে দেখা গেছে শিক্ষার্থীদেনর সবচেয়ে বেশি আর্থিক সহায়তাদানকারি বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে নর্থ সাউথ। অথচ ভর্তি, টিউশন ফিসহ কোন ফি‘ই নর্থ সাউথে সর্বেচ্চে নয়। স্মাতক ও স্মাতকোত্তর পর্যায়ের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সকল ফি নর্থ সাউথের তুলনায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে বেশি।