ঢাকা ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়ায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দোয়া মিলাদ মাহফিল সাভারে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপ-প্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ সুনামগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ  গাজীপুর মহানগর পুলিশ কর্তৃক ২৪ ঘন্টার উদ্ধার অভিযান আত্রাইয়ে থানাপুলিশ অভিযান চালিয়ে ২৫০গ্রাম গাঁজাসহ আটক এক কিশোরের হত্যাকান্ডকে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচারণা,করায় মা ও তার, মামা গ্রেফতার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ২ নং ওয়ার্ডে রাস্তা ঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন নাজিরপুরে হার্ডওয়্যার এর দোকানে বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিটে আগুন পূর্বের বিরোধকে কেন্দ্র করে স্ব মিলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ মংলা উপজেলার মিঠু ফকির আর নেই

শেখ কামালের জন্মবার্ষিকীতে ১০ প্রবীন ক্রীড়াবিদ ও বীরমুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান

সময়ের কন্ঠ রিপোর্ট নীলফামারী॥

নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বীরমুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী উদযান করা হচ্ছে। দিবসটি যথাযথভাবে পালনের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় নীলফামারী আন্তর্জাতিক শেখ কামাল স্টেডিয়ামে শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ পুষ্পমাল্য অর্পন করা হয়।

এরপর স্টেডিয়ামের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার যৌথ আয়োজনে জেলার ১০ প্রবীন ক্রীড়াবিদ বীরমুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা হিসাবে ক্রেষ্ট ও ফুলের তোড়া প্রদান করা হয়। সম্মাননা পান সাবেক জাতীয় ফুটবলার বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শওকত আলী টুলটুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু বঙ্কু বিহারী রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কান্তি ভুষন কুন্ডু, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াকুব আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদার রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান ময়না, বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আলী চৌধুরী (মেনু চৌধুরী)।

এ সময় জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ, জেলা ক্রীড়া অফিসার আবুল হাশেম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ স¤পাদক তরিকুল ইসলাম গোলাপ, জেলা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মসফিকুর ইসলাম রিন্টু, জেলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফোরামের সভাপতি হাফিজুর রশিদ মঞ্জু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মনিরুল হাসান শাহ আপেল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ স¤পাদক দীপক চক্রবর্তী প্রমুখ । অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রাসেল আমিন স্বপন ।

আলোচনা অনুষ্ঠানে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র ক্রীড়া সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ শেখ কামালের সংক্ষিপ্তভাবে তার জীবনী তুলে ধরা হয়। ১৯৪৯ সালের ৫ আগস্ট তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। শহীদ শেখ কামাল বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন নিবেদিত, সংগ্রামী, আদর্শবাদী কর্মী হিসেবে ৬৯-র গণঅভ্যুত্থান ও ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরোচিত ভূমিকা পালন করেন।১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকহানাদার বাহিনী কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্মৃতি-বিজড়িত ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বাসভবন আক্রান্ত হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে বাড়ি থেকে বের হয়ে তিনি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ওয়ার কোর্সে

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়ে মুক্তিবাহিনীতে কমিশনন্ড লাভ করেন ও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানির এডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।স্বাধীনতার পর শেখ কামাল সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি নিয়ে লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করেন। তিনি ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ছিলেন।বহুমাত্রিক অনন্য সৃষ্টিশীল প্রতিভার অধিকারী তারুণ্যের দীপ্ত প্রতীক শহীদ শেখ কামাল শাহীন স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে বি.এ. অনার্স পাস করেন।তিনি বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের অন্যতম উৎসমুখ ছায়ানট-এর সেতার বাদক বিভাগের ছাত্র ছিলেন। স্বাধীনতা উত্তর যুদ্ধ-বিধ্বস্থ বাংলাদেশের পুনর্গঠন ও পুনর্বাসন কর্মসূচির পাশাপাশি সমাজের পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে সমাজ চেতনায় উদ্বুদ্ধকরণে থিয়েটার আন্দোলনের ক্ষেত্রে তিনি প্রথমসারির সংগঠক ছিলেন।বন্ধু শিল্পীদের নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন ¯পন্দন শিল্পী গোষ্ঠী। শেখ কামাল ছিলেন ঢাকা থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। অভিনয় শিল্পী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যাঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত ছিলেন।

শৈশব থেকে ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, বাস্কেট বলসহ বিভিন্ন খেলাধুলায় প্রচন্ড উৎসাহ ছিল তার। তিনি উপমহাদেশের অন্যতম সেরা ক্রীড়া সংগঠন, বাংলাদেশে আধুনিক ফুটবলের প্রবর্তক আবাহনী ক্রীড়াচক্রের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

শহীদ শেখ কামাল আমাদের দেশে নান্দনিক ফুটবল ও ক্রিকেটসহ অন্যান্য দেশীয় খেলার মানোন্নয়নে অক্লান্ত শ্রম দিয়ে অপরিসীম অবদান রেখেছিলেন। নতুন নতুন খেলোয়াড় সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ শিবির গড়ে তুলেছিলেন এবং তাদের সঙ্গে নিয়মিত অনুশীলন করতেন।

১৯৭৫ সালের ১৪ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশবরেণ্য অ্যাথলেট সুলতানা খুকুর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালো রাতে মাত্র ২৬ বছর বয়সে জাতির পিতার হত্যাকারী মানবতার ঘৃণ্য শক্রদের নির্মম-নিষ্ঠুর বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়ে শাহাদাত বরণ করেন শেখ কামাল।

আলোচনা শেষে নান্দনিক ফুটবলার শহীদ শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে নীলফামারী শেখ কামাল আন্তজার্তিক স্টেডিয়ামে প্রাীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন নীলফামারী পৌরসভা বনাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা।

আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কলাপাড়ায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দোয়া মিলাদ মাহফিল

শেখ কামালের জন্মবার্ষিকীতে ১০ প্রবীন ক্রীড়াবিদ ও বীরমুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান

আপডেট টাইম : ০৮:০০:৪৭ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৫ আগস্ট ২০২১

সময়ের কন্ঠ রিপোর্ট নীলফামারী॥

নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বীরমুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী উদযান করা হচ্ছে। দিবসটি যথাযথভাবে পালনের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় নীলফামারী আন্তর্জাতিক শেখ কামাল স্টেডিয়ামে শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ পুষ্পমাল্য অর্পন করা হয়।

এরপর স্টেডিয়ামের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার যৌথ আয়োজনে জেলার ১০ প্রবীন ক্রীড়াবিদ বীরমুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা হিসাবে ক্রেষ্ট ও ফুলের তোড়া প্রদান করা হয়। সম্মাননা পান সাবেক জাতীয় ফুটবলার বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শওকত আলী টুলটুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু বঙ্কু বিহারী রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কান্তি ভুষন কুন্ডু, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াকুব আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদার রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান ময়না, বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আলী চৌধুরী (মেনু চৌধুরী)।

এ সময় জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ, জেলা ক্রীড়া অফিসার আবুল হাশেম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ স¤পাদক তরিকুল ইসলাম গোলাপ, জেলা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মসফিকুর ইসলাম রিন্টু, জেলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফোরামের সভাপতি হাফিজুর রশিদ মঞ্জু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মনিরুল হাসান শাহ আপেল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ স¤পাদক দীপক চক্রবর্তী প্রমুখ । অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রাসেল আমিন স্বপন ।

আলোচনা অনুষ্ঠানে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র ক্রীড়া সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ শেখ কামালের সংক্ষিপ্তভাবে তার জীবনী তুলে ধরা হয়। ১৯৪৯ সালের ৫ আগস্ট তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। শহীদ শেখ কামাল বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন নিবেদিত, সংগ্রামী, আদর্শবাদী কর্মী হিসেবে ৬৯-র গণঅভ্যুত্থান ও ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরোচিত ভূমিকা পালন করেন।১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকহানাদার বাহিনী কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্মৃতি-বিজড়িত ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বাসভবন আক্রান্ত হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে বাড়ি থেকে বের হয়ে তিনি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ওয়ার কোর্সে

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়ে মুক্তিবাহিনীতে কমিশনন্ড লাভ করেন ও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানির এডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।স্বাধীনতার পর শেখ কামাল সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি নিয়ে লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করেন। তিনি ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ছিলেন।বহুমাত্রিক অনন্য সৃষ্টিশীল প্রতিভার অধিকারী তারুণ্যের দীপ্ত প্রতীক শহীদ শেখ কামাল শাহীন স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে বি.এ. অনার্স পাস করেন।তিনি বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের অন্যতম উৎসমুখ ছায়ানট-এর সেতার বাদক বিভাগের ছাত্র ছিলেন। স্বাধীনতা উত্তর যুদ্ধ-বিধ্বস্থ বাংলাদেশের পুনর্গঠন ও পুনর্বাসন কর্মসূচির পাশাপাশি সমাজের পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে সমাজ চেতনায় উদ্বুদ্ধকরণে থিয়েটার আন্দোলনের ক্ষেত্রে তিনি প্রথমসারির সংগঠক ছিলেন।বন্ধু শিল্পীদের নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন ¯পন্দন শিল্পী গোষ্ঠী। শেখ কামাল ছিলেন ঢাকা থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। অভিনয় শিল্পী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যাঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত ছিলেন।

শৈশব থেকে ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, বাস্কেট বলসহ বিভিন্ন খেলাধুলায় প্রচন্ড উৎসাহ ছিল তার। তিনি উপমহাদেশের অন্যতম সেরা ক্রীড়া সংগঠন, বাংলাদেশে আধুনিক ফুটবলের প্রবর্তক আবাহনী ক্রীড়াচক্রের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

শহীদ শেখ কামাল আমাদের দেশে নান্দনিক ফুটবল ও ক্রিকেটসহ অন্যান্য দেশীয় খেলার মানোন্নয়নে অক্লান্ত শ্রম দিয়ে অপরিসীম অবদান রেখেছিলেন। নতুন নতুন খেলোয়াড় সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ শিবির গড়ে তুলেছিলেন এবং তাদের সঙ্গে নিয়মিত অনুশীলন করতেন।

১৯৭৫ সালের ১৪ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশবরেণ্য অ্যাথলেট সুলতানা খুকুর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালো রাতে মাত্র ২৬ বছর বয়সে জাতির পিতার হত্যাকারী মানবতার ঘৃণ্য শক্রদের নির্মম-নিষ্ঠুর বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়ে শাহাদাত বরণ করেন শেখ কামাল।

আলোচনা শেষে নান্দনিক ফুটবলার শহীদ শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে নীলফামারী শেখ কামাল আন্তজার্তিক স্টেডিয়ামে প্রাীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন নীলফামারী পৌরসভা বনাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা।