ঢাকা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২
সংবাদ শিরোনাম ::
জমির লোভে বাবা ও পরিবারের উপর হামলা বিএনপি-জামাত জোট সরকারের শাসনামলে দেশব্যপী সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর থেকে ১২৬ বোতল ফেন্সিডিল‘সহ ০১ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক জাতীয় শোক দিবসে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি পালন আজ সরকারি দলীয় বিক্ষোভ সমাবেস আর একে কেন্দ্র করে চলছে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের চাঁদাবাজির অভিযোগ যাত্রীদের ১৭ই আগাস্ট বিএনপি জামায়াতের বোমা হামলার প্রতিবাদে আ.লীগের বিক্ষোভ সমাবেশ কালিয়াকৈরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেবার কারনে স্কুলে যেতে পারছেনা ৫ শিক্ষার্থী বাসন থানার অভিযান চালিয়ে  ০৫ জন ডাকাত ধারালো অস্ত্রসহ গ্রেফতার গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বিশেষ অভিযানে অস্ত্রগুলি, মাদকসহ কুখ্যাত মাদক সম্রাজ্ঞী পারুলী বেগম গ্রেফতার সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে তেল চুরির সময় দৌলতখানে আটক ৫ জন

মডেল মৌ ও পিয়াসার ৩ দিন করে রিমান্ড

সময়ের কন্ঠ রিপোর্ট।।

মডেল মৌ ও পিয়াসার ৩ দিন করে রিমান্ড

অনলাইন রিপোর্টার ॥ বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ, ইয়াবা ও সিসাসহ গ্রেফতার মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌয়ের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ সোমবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলামের আদালত মডেল পিয়াসার তিনদিন এবং ঢাকা মহানগর হাকিম আশেক ইমামের আদালত মৌয়ের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিন তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর গুলশান থানায় মাদক মামলায় পিয়াসাকে দশ দিন ও মোহাম্মদপুর থানায় মাদক আইনের করা মামলায় মৌকে দশ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ।

রবিবার(১ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে প্রথমে রাজধানীর বারিধারায় মডেল পিয়াসার বাসায় অভিযান শুরু করে পুলিশ। পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়।

এদিকে, পিয়াসার দেয়া তথ্যে আরেক মডেল মরিয়ম আক্তার মৌয়ের রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। তার বাসা থেকেও বিপুল পরিমাণ মদ উদ্ধার করা হয়। পরে রাত ১টার দিকে মৌকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকেও ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয় বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, মডেল পিয়াসা ও মৌ সংঘবদ্ধ একটি চক্র। তারা পার্টির নামে উচ্চবিত্তদের বাসায় ডেকে মদ ও ইয়াবা খাইয়ে আপত্তিকর ছবি তুলে রাখতেন। পরে সেই ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিতেন।

দুই মডেলকে আটকের পর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে মডেল মৌ-এর বাসার নিচে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (উত্তর) শাখার যুগ্ম-কমিশনার হারুন-অর-রশীদ।

সেই সময় তিনি বলেছিলেন, তারা দুইজন একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে আমরা অনেক ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ পেয়েছি। সেসব ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে আজ তাদের বাসায় অভিযান চালানো হয়। দুইজনের বাসায় বিদেশি মদ, ইয়াবা, সিসা পাওয়া যায়। মৌয়ের বাড়িতে মদের বারও ছিল।

ডিবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, আটক দুই মডেল হচ্ছেন রাতের রাণী। তারা দিনের বেলায় ঘুমাতেন এবং রাতে এসব কর্মকাণ্ড করতেন। উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের পার্টির নামে বাসায় ডেকে আনতেন তারা। বাসায় আসলে তারা তাদের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তুলতেন এবং ভিডিও করে রাখতেন। পরবর্তীতে সেসব ভিডিও এবং ছবি ভিকটিমদের পরিবারকে পাঠানোর হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করতেন এবং মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিতেন।

আটকদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে ডিবির যুগ্ম-কমিশনার হারুন-অর-রশীদ সেসময় বলেছিলেন, ‘তাদের বাসায় মাদক পাওয়া গেছে। ফলে তাদের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর ও গুলশান থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা হবে। এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ থাকায় আলাদা মামলা হবে।’

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের মে মাসে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার এজাহারে নাম ছিল ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসার। প্রথমে মামলা করতে ভুক্তভোগীদের সহযোগিতা করেছিলেন পিয়াসা। কিন্তু সেই পিয়াসার বিরুদ্ধেই আবার মামলা তুলে নেয়ার হুমকির অভিযোগে জিডি করেছিলেন ভুক্তভোগী।

আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জমির লোভে বাবা ও পরিবারের উপর হামলা

মডেল মৌ ও পিয়াসার ৩ দিন করে রিমান্ড

আপডেট টাইম : ০১:৩৭:০৭ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২ আগস্ট ২০২১

সময়ের কন্ঠ রিপোর্ট।।

মডেল মৌ ও পিয়াসার ৩ দিন করে রিমান্ড

অনলাইন রিপোর্টার ॥ বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ, ইয়াবা ও সিসাসহ গ্রেফতার মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌয়ের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ সোমবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলামের আদালত মডেল পিয়াসার তিনদিন এবং ঢাকা মহানগর হাকিম আশেক ইমামের আদালত মৌয়ের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিন তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর গুলশান থানায় মাদক মামলায় পিয়াসাকে দশ দিন ও মোহাম্মদপুর থানায় মাদক আইনের করা মামলায় মৌকে দশ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ।

রবিবার(১ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে প্রথমে রাজধানীর বারিধারায় মডেল পিয়াসার বাসায় অভিযান শুরু করে পুলিশ। পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়।

এদিকে, পিয়াসার দেয়া তথ্যে আরেক মডেল মরিয়ম আক্তার মৌয়ের রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। তার বাসা থেকেও বিপুল পরিমাণ মদ উদ্ধার করা হয়। পরে রাত ১টার দিকে মৌকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকেও ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয় বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, মডেল পিয়াসা ও মৌ সংঘবদ্ধ একটি চক্র। তারা পার্টির নামে উচ্চবিত্তদের বাসায় ডেকে মদ ও ইয়াবা খাইয়ে আপত্তিকর ছবি তুলে রাখতেন। পরে সেই ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিতেন।

দুই মডেলকে আটকের পর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে মডেল মৌ-এর বাসার নিচে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (উত্তর) শাখার যুগ্ম-কমিশনার হারুন-অর-রশীদ।

সেই সময় তিনি বলেছিলেন, তারা দুইজন একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে আমরা অনেক ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ পেয়েছি। সেসব ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে আজ তাদের বাসায় অভিযান চালানো হয়। দুইজনের বাসায় বিদেশি মদ, ইয়াবা, সিসা পাওয়া যায়। মৌয়ের বাড়িতে মদের বারও ছিল।

ডিবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, আটক দুই মডেল হচ্ছেন রাতের রাণী। তারা দিনের বেলায় ঘুমাতেন এবং রাতে এসব কর্মকাণ্ড করতেন। উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের পার্টির নামে বাসায় ডেকে আনতেন তারা। বাসায় আসলে তারা তাদের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তুলতেন এবং ভিডিও করে রাখতেন। পরবর্তীতে সেসব ভিডিও এবং ছবি ভিকটিমদের পরিবারকে পাঠানোর হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করতেন এবং মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিতেন।

আটকদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে ডিবির যুগ্ম-কমিশনার হারুন-অর-রশীদ সেসময় বলেছিলেন, ‘তাদের বাসায় মাদক পাওয়া গেছে। ফলে তাদের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর ও গুলশান থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা হবে। এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ থাকায় আলাদা মামলা হবে।’

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের মে মাসে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার এজাহারে নাম ছিল ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসার। প্রথমে মামলা করতে ভুক্তভোগীদের সহযোগিতা করেছিলেন পিয়াসা। কিন্তু সেই পিয়াসার বিরুদ্ধেই আবার মামলা তুলে নেয়ার হুমকির অভিযোগে জিডি করেছিলেন ভুক্তভোগী।