ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজীপুর কাশেমপুরে থানাধীন এলাকায় আগে ককটেল পরে  ফিল্মি স্টাইলে ডাকাতি আশুলিয়া দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৭৭ তম জন্মবার্ষিকী পালিত ট্রেনের ছাদে যাত্রী, মানছে না নিয়ম ট্রেনের ছাদে যাত্রী নেয়া নিষেধ থাকলেও, হরহামেশা যাত্রী উঠেই যাচ্ছেন গাজীপুরে নবীণ প্রবীণ সংঘের উদ্দোগে ১৫ ই আগস্ট জাতিয় শোক দিবস (২০২২)এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বেনাপোলে “সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড” এর মেট্রো শাখা উদ্বোধণ আশুলিয়ায় সাইদুর রহমান এর আয়োজনে ১৫ ই আগস্ট (২০২২) জাতিয় শোক দিবসে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত কাশেমপুর ভাঙ্গা ব্রিজের জন্য শত শত মানুষের দুর্ভোগ পাঁচবিবিতে বসত বাড়ী ফিরে পেতে মানববন্ধন নেপালের কাঠমান্ডুতে দক্ষিণ এশীয় জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিলেন দৈনিক কালের খবর সম্পাদক এম আই ফারুক আশুলিয়ায় থানা আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের শোক দিবস পালন

আগস্টের প্রথম দিন থেকে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ট্রেন চলাচল শুরু

সময়ের কন্ঠ রিপোর্টার নীলফামারী ॥

আগামী পহেলা আগষ্ট থেকে খুলে দেয় হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যের রেলপথের আরেকটি নতুন দুয়ার। দীর্ঘ ৬৫ বছর পর ফের চালু হচ্ছে সম্ভাবনাময় চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথে পণ্যবাহী ট্রেন। এ পথে পণ্যপরিবহনে ১৫০ কিলোমিটার পথ সাশ্রয় হবে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর একটার দিকে এ উপলক্ষে ভারতীয় উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের দুটি ইঞ্জিন ভারতের নিউজলপাইগুড়ি থেকে ছেড়ে হলদীবাড়ি সীমান্ত দিয়ে নীলফামারীর চিলাহাটি সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের চিলাহাটি রেলস্টেশনে পরীক্ষামুলক যাত্রা সম্পন্ন করে পুনরায় ফিরে যায়। এ সময় ভারতীয় উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের দুটি ইঞ্জিনের সঙ্গে আসেন ট্রেন পরিচালক ও ইঞ্জিন চালক। এরা হলেন গৌরব বুথা, লিটু রাজ, অর্কদাস, রাকেশ কুমার, অরিজিৎ রায়, এমপি. চৌধুরী, ডি.একান্দ চৌধুরী। তাদের ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে ডিপুটি প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রকৌশলী নাজমুল হক রকি, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে সৈয়দপুর অফিসের আইডাব্লু প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম, নীলফামারীর ডোমার থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান, চিলাহাটি রেলস্টেশন মাস্টা্র আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।

ভারতীয় প্রতিনিধিরা জানান, আগামী পহেলা আগষ্ট থেকে এই পথে দুই পণ্যবাহী ট্রেন চালু হতে যাচ্ছে। শুরুতে পণ্যবাহী ট্রেনে ভারত থেকে পাথর ও গম আসবে। এমন কি এই পথে অক্সিজেনবাহী ট্রেনও চলাচল করতে পারে।

উল্লেখ যে এর আগে ২০২০ সালের ১৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশে চিলাহাটি থেকে ভারতের হলদিবড়ি পর্যন্ত পন্যবাহী ট্রেন চলাচলের উদ্ধোধন করা হয়েছিল। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তা উদ্ধোধন করেছিলেন দুই দেশের প্রধান মন্ত্রী যথাক্রমে শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী। এ ছাড়া চলতি বছরে বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী এবং বাংলাদেশ-ভারত কূটনেতিক সম্পর্কের ৫০ বছর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় এসেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সে সময় ২৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদি যৌথভাবে ঢাকা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত আন্তঃদের্শীয় যাত্রীবাহী মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্ধোধন করেন। যাত্রীবাহী ট্রেনটি উদ্ধোধন করা হলেও করোনা পরিস্থিতিতে যাত্রী বাহী ট্রেনের চাকা আপাতত থামিয়ে রেখেছে। অনুকুল পরিবেশ আসলেই দুই দশের পতাকা উড়িয়ে চলাচল শুরু করবে মিতালী।

সংশ্লিষ্ট সুত্র মতে বর্তমান পরিস্থিতি ভারত বাংলাদেশের বিভিন্ন রেলসীমান্ত দিয়ে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করছে। সে ক্ষেত্রে এবার চিলাহাটি-হলদিবাড়ি সীমান্ত রুটে আর বাধা নেই পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলে। ৬৫ বছর পর ফের হুইসেল বাজিয়ে ১ আগস্ট ৩০ ওয়াগন পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে আসবে ভারতীয় ট্রেন। তার আগে আগে বৃহ¯পতিবার দুই ইঞ্জিন নিয়ে নিউজলপাইগুড়ি ও হলদিবাড়ি থেকে বাংলাদেশের নীলফামারীর চিলাহাটি পর্যন্ত লার্নিং রান স¤পন্ন করলো ভারতীয় ট্রেন চালক ও ট্রেন পরিচালনকদ্বয়। তারাই পহেলা আগস্ট পণ্যট্রেন নিয়ে বাংলাদেশে আসবেন।

সুত্র মতে দুই দেশের পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের ক্লিয়ারেন্স দেয়া হয়েছে।পহেলা আগস্ট গম ও পাথর নিয়ে ৩০ বগির পণ্য ট্রেন বাংলাদেশে আসবে। যার গন্তব্য হবে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম তীর পর্যন্ত। সৈয়দপুর পার্বতীপুরও পণ্য নামতে পারে। তবে ভারতীয় ইঞ্জিন চিলাহাটি পর্যন্ত এসে থেকে যাকে। চিলাহাটি থেকে বাংলাদেশের ইঞ্জিন নিয়ে যাবে নির্দিষ্ট গন্তব্যে। পণ্য খালাস শেষে ফের এসে ওয়াগন নিয়ে যাবে ভারতীয় ইঞ্জিন।

অপর দিকে উভয় দেশের তরফে যাত্রী ট্রেন চলাচল সকল ব্যবস্থাই ঠিকঠাক রয়েছে। রয়েছে যাত্রী চালানোর গ্রিন সিগন্যাল। করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে যা থেমে রয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ অধীর আগ্রহে দিন গুনছেন। যাত্রী ট্রেন চালু হলে বাংলাদেশের ভ্রমণপিপাসু মানুষের ঢল নামতে ভারতের উত্তরের জনপদ দার্জিলিংসহ অন্যান্য দর্শনীয় স্থানে। বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক মানুষ দার্জিলিং ভ্রমণ করে থাকেন। তাদের যেতে হয় অনেক পথ ঘুরে এবং ব্যয়ও বেশি হয়ে থাকে। চিলাহাটি-হলদিবাড়ি পথে রেল সচল হলে পণ্যবাহী কোন ট্রেন বাংলাদেশে আসতে ১৫০ কিলোমিটার পথ সাশ্রয় হবে। সেক্ষেত্রে মাত্র ৬০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতেই বাংলাদেশে আসা সম্ভব হবে।

বর্তমানে বিরল-রাধিকাপুর দিয়ে ২১০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হচ্ছে। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বর্তমানে চারটি রেলপথে প্রতিদিন ভারত থেকে গড়ে ৪টি পণ্যবাহী ট্রেন বাংলাদেশে আসছে।

উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কলকাতা থেকে উত্তরপূর্ব ভারতের পথে কোন যাত্রীট্রেন দর্শনা কিংবা বেনাপোল দিয়ে প্রবেশ করে তা বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে চিলাহাটি হয়ে হলবাড়ি পৌছাবে। তাতে কমপক্ষে ২০০ কিলোমিটার পথ সাশ্রয় হবে ভারতের।

আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুর কাশেমপুরে থানাধীন এলাকায় আগে ককটেল পরে  ফিল্মি স্টাইলে ডাকাতি

আগস্টের প্রথম দিন থেকে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ট্রেন চলাচল শুরু

আপডেট টাইম : ০১:৫১:০৭ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১

সময়ের কন্ঠ রিপোর্টার নীলফামারী ॥

আগামী পহেলা আগষ্ট থেকে খুলে দেয় হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যের রেলপথের আরেকটি নতুন দুয়ার। দীর্ঘ ৬৫ বছর পর ফের চালু হচ্ছে সম্ভাবনাময় চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথে পণ্যবাহী ট্রেন। এ পথে পণ্যপরিবহনে ১৫০ কিলোমিটার পথ সাশ্রয় হবে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর একটার দিকে এ উপলক্ষে ভারতীয় উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের দুটি ইঞ্জিন ভারতের নিউজলপাইগুড়ি থেকে ছেড়ে হলদীবাড়ি সীমান্ত দিয়ে নীলফামারীর চিলাহাটি সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের চিলাহাটি রেলস্টেশনে পরীক্ষামুলক যাত্রা সম্পন্ন করে পুনরায় ফিরে যায়। এ সময় ভারতীয় উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের দুটি ইঞ্জিনের সঙ্গে আসেন ট্রেন পরিচালক ও ইঞ্জিন চালক। এরা হলেন গৌরব বুথা, লিটু রাজ, অর্কদাস, রাকেশ কুমার, অরিজিৎ রায়, এমপি. চৌধুরী, ডি.একান্দ চৌধুরী। তাদের ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে ডিপুটি প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রকৌশলী নাজমুল হক রকি, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে সৈয়দপুর অফিসের আইডাব্লু প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম, নীলফামারীর ডোমার থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান, চিলাহাটি রেলস্টেশন মাস্টা্র আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।

ভারতীয় প্রতিনিধিরা জানান, আগামী পহেলা আগষ্ট থেকে এই পথে দুই পণ্যবাহী ট্রেন চালু হতে যাচ্ছে। শুরুতে পণ্যবাহী ট্রেনে ভারত থেকে পাথর ও গম আসবে। এমন কি এই পথে অক্সিজেনবাহী ট্রেনও চলাচল করতে পারে।

উল্লেখ যে এর আগে ২০২০ সালের ১৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশে চিলাহাটি থেকে ভারতের হলদিবড়ি পর্যন্ত পন্যবাহী ট্রেন চলাচলের উদ্ধোধন করা হয়েছিল। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তা উদ্ধোধন করেছিলেন দুই দেশের প্রধান মন্ত্রী যথাক্রমে শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী। এ ছাড়া চলতি বছরে বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী এবং বাংলাদেশ-ভারত কূটনেতিক সম্পর্কের ৫০ বছর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় এসেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সে সময় ২৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদি যৌথভাবে ঢাকা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত আন্তঃদের্শীয় যাত্রীবাহী মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্ধোধন করেন। যাত্রীবাহী ট্রেনটি উদ্ধোধন করা হলেও করোনা পরিস্থিতিতে যাত্রী বাহী ট্রেনের চাকা আপাতত থামিয়ে রেখেছে। অনুকুল পরিবেশ আসলেই দুই দশের পতাকা উড়িয়ে চলাচল শুরু করবে মিতালী।

সংশ্লিষ্ট সুত্র মতে বর্তমান পরিস্থিতি ভারত বাংলাদেশের বিভিন্ন রেলসীমান্ত দিয়ে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করছে। সে ক্ষেত্রে এবার চিলাহাটি-হলদিবাড়ি সীমান্ত রুটে আর বাধা নেই পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলে। ৬৫ বছর পর ফের হুইসেল বাজিয়ে ১ আগস্ট ৩০ ওয়াগন পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে আসবে ভারতীয় ট্রেন। তার আগে আগে বৃহ¯পতিবার দুই ইঞ্জিন নিয়ে নিউজলপাইগুড়ি ও হলদিবাড়ি থেকে বাংলাদেশের নীলফামারীর চিলাহাটি পর্যন্ত লার্নিং রান স¤পন্ন করলো ভারতীয় ট্রেন চালক ও ট্রেন পরিচালনকদ্বয়। তারাই পহেলা আগস্ট পণ্যট্রেন নিয়ে বাংলাদেশে আসবেন।

সুত্র মতে দুই দেশের পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের ক্লিয়ারেন্স দেয়া হয়েছে।পহেলা আগস্ট গম ও পাথর নিয়ে ৩০ বগির পণ্য ট্রেন বাংলাদেশে আসবে। যার গন্তব্য হবে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম তীর পর্যন্ত। সৈয়দপুর পার্বতীপুরও পণ্য নামতে পারে। তবে ভারতীয় ইঞ্জিন চিলাহাটি পর্যন্ত এসে থেকে যাকে। চিলাহাটি থেকে বাংলাদেশের ইঞ্জিন নিয়ে যাবে নির্দিষ্ট গন্তব্যে। পণ্য খালাস শেষে ফের এসে ওয়াগন নিয়ে যাবে ভারতীয় ইঞ্জিন।

অপর দিকে উভয় দেশের তরফে যাত্রী ট্রেন চলাচল সকল ব্যবস্থাই ঠিকঠাক রয়েছে। রয়েছে যাত্রী চালানোর গ্রিন সিগন্যাল। করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে যা থেমে রয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ অধীর আগ্রহে দিন গুনছেন। যাত্রী ট্রেন চালু হলে বাংলাদেশের ভ্রমণপিপাসু মানুষের ঢল নামতে ভারতের উত্তরের জনপদ দার্জিলিংসহ অন্যান্য দর্শনীয় স্থানে। বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক মানুষ দার্জিলিং ভ্রমণ করে থাকেন। তাদের যেতে হয় অনেক পথ ঘুরে এবং ব্যয়ও বেশি হয়ে থাকে। চিলাহাটি-হলদিবাড়ি পথে রেল সচল হলে পণ্যবাহী কোন ট্রেন বাংলাদেশে আসতে ১৫০ কিলোমিটার পথ সাশ্রয় হবে। সেক্ষেত্রে মাত্র ৬০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতেই বাংলাদেশে আসা সম্ভব হবে।

বর্তমানে বিরল-রাধিকাপুর দিয়ে ২১০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হচ্ছে। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বর্তমানে চারটি রেলপথে প্রতিদিন ভারত থেকে গড়ে ৪টি পণ্যবাহী ট্রেন বাংলাদেশে আসছে।

উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কলকাতা থেকে উত্তরপূর্ব ভারতের পথে কোন যাত্রীট্রেন দর্শনা কিংবা বেনাপোল দিয়ে প্রবেশ করে তা বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে চিলাহাটি হয়ে হলবাড়ি পৌছাবে। তাতে কমপক্ষে ২০০ কিলোমিটার পথ সাশ্রয় হবে ভারতের।