ঢাকা ০৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২
সংবাদ শিরোনাম ::
আশুলিয়ায় চাঁদা না পেয়ে নির্মানকাজে বাঁধা, নির্মানসামগ্রী লুট বিজিবি এ্যাথলেটিকস্ প্রতিযোগীতায় ২০২২ ইং আত্রাইয়ে ধর্ষণের শিকার ৬ বছরের শিশু , মামলা হয়েছে থানায় জনগনের চলাচলের ব্যবস্থা সুগম করতে নিরালস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন মেম্বার শফি উদ্দিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জনসভার নিরাপত্তায় থাকবে সাড়ে সাত হাজার পুলিশ বাহিনী প্রভাবশালীদের মেঘনার চর দখলের মহোৎসব ৩৭ বছর ভাত খান না ১৫ সন্তানের জননী জোহরা বিবি কিশোরগঞ্জের ভৈরব থেকে ৮৪ কেজি গাঁজা পাচারকালে ০২ মাদক কারবারীকে আটক  তালতলীতে নিলাম ব্যতীত সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ অপসংবাদিকতা, চাঁদাবাজি ও অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিকে বহিষ্কার

আজ দেওয়ানবাগীর দাফন সম্পন্ন শেষ

স্টাফ রিপোর্টার।।

রাজধানীর আরামবাগে অবস্থিত দেওয়ানবাগী পীর সৈয়দ মাহবুবে খোদার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পেছনে বাবে মদিনা দেওয়ানবাগ শরিফে তার স্ত্রীর পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।

এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে আরামবাগে দেওয়ানবাগীর দরবার শরীফে তার নামাজে জানাজা হয়। জানাজার পর বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

গত সোমবার ভোর ৬টা ৪৮ মিনিটে মারা যান দেওয়ানবাগী পীর। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই ভক্ত ও মুরিদ ভিড় জমান আরামবাগ দরবারে। দুপুর আড়াইটার দিকে আরামবাগ দরবারের পাশের সড়কে জানাজা হয়। এতে তার ভক্তরা অংশ নেন। জানাজার আগে পীর দেওয়ানবাগীর ওছিয়ত অনুযায়ী ছেলেদেরকে তার দরবারের ইমাম করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

সেখানেই তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক (ডিসি) শহীদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এরপর দেওয়ানবাগীর লাশ একটি ফুল সজ্জিত ট্রাকে মতিঝিলের বাবে মদিনায় নিয়ে যাওয়া হয়।

নোভাভ্যাক্সের টিকার তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল শুরু

দেওয়ানবাগ শরিফের গণমাধ্যম সমন্বয়কারী সৈয়দ মেহেদী হাসান বলেন, ওনার (দেওয়ানবাগী) চার ছেলেকে দরবার শরিফের ইমাম করা হয়েছে। তবে মেজ ছেলে সৈয়দ ইমাম ড. আফছান কুদরত-ই খুদার নেতৃত্বে তারা চলবেন। তার জানাজায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুরিদরা এসেছেন। ওনার স্ত্রী ২০০৯ সালে মারা যান। তাকে বাবে মদিনায় দাফন করা হয়, ওছিয়ত অনুযায়ী তাকে (দেওয়ানবাগী) তার স্ত্রীর পাশে দাফন করা হয়েছে। তিনি বীরমুক্তিযোদ্ধা হওয়ায় জানাজার পর জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়েছে।

১৯৪৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম সৈয়দ আবদুর রশিদ সরদার। মা সৈয়দা জোবেদা খাতুন। ছয় ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। নিজ এলাকার তালশহর কারিমিয়া আলিয়া মাদরাসা থেকে ফাজিল পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে দেওয়ানবাগী পীর ৩ নম্বর প্লাটুন কমান্ডার হিসেবে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে যুদ্ধ করেন। যুদ্ধ শেষে তিনি সেনাবাহিনীর ১৬ বেঙ্গল রেজিমেন্টে রিলিজিয়াস টিচার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তিনি মোট ১১টি দরবার ও শতাধিক খানকাহ প্রতিষ্ঠা করেন। অর্জন করেন বিপুল পরিমাণ সম্পদ।

আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আশুলিয়ায় চাঁদা না পেয়ে নির্মানকাজে বাঁধা, নির্মানসামগ্রী লুট

আজ দেওয়ানবাগীর দাফন সম্পন্ন শেষ

আপডেট টাইম : ০৫:৫৫:৫৫ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার।।

রাজধানীর আরামবাগে অবস্থিত দেওয়ানবাগী পীর সৈয়দ মাহবুবে খোদার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পেছনে বাবে মদিনা দেওয়ানবাগ শরিফে তার স্ত্রীর পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।

এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে আরামবাগে দেওয়ানবাগীর দরবার শরীফে তার নামাজে জানাজা হয়। জানাজার পর বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

গত সোমবার ভোর ৬টা ৪৮ মিনিটে মারা যান দেওয়ানবাগী পীর। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই ভক্ত ও মুরিদ ভিড় জমান আরামবাগ দরবারে। দুপুর আড়াইটার দিকে আরামবাগ দরবারের পাশের সড়কে জানাজা হয়। এতে তার ভক্তরা অংশ নেন। জানাজার আগে পীর দেওয়ানবাগীর ওছিয়ত অনুযায়ী ছেলেদেরকে তার দরবারের ইমাম করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

সেখানেই তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক (ডিসি) শহীদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এরপর দেওয়ানবাগীর লাশ একটি ফুল সজ্জিত ট্রাকে মতিঝিলের বাবে মদিনায় নিয়ে যাওয়া হয়।

নোভাভ্যাক্সের টিকার তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল শুরু

দেওয়ানবাগ শরিফের গণমাধ্যম সমন্বয়কারী সৈয়দ মেহেদী হাসান বলেন, ওনার (দেওয়ানবাগী) চার ছেলেকে দরবার শরিফের ইমাম করা হয়েছে। তবে মেজ ছেলে সৈয়দ ইমাম ড. আফছান কুদরত-ই খুদার নেতৃত্বে তারা চলবেন। তার জানাজায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুরিদরা এসেছেন। ওনার স্ত্রী ২০০৯ সালে মারা যান। তাকে বাবে মদিনায় দাফন করা হয়, ওছিয়ত অনুযায়ী তাকে (দেওয়ানবাগী) তার স্ত্রীর পাশে দাফন করা হয়েছে। তিনি বীরমুক্তিযোদ্ধা হওয়ায় জানাজার পর জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়েছে।

১৯৪৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম সৈয়দ আবদুর রশিদ সরদার। মা সৈয়দা জোবেদা খাতুন। ছয় ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। নিজ এলাকার তালশহর কারিমিয়া আলিয়া মাদরাসা থেকে ফাজিল পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে দেওয়ানবাগী পীর ৩ নম্বর প্লাটুন কমান্ডার হিসেবে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে যুদ্ধ করেন। যুদ্ধ শেষে তিনি সেনাবাহিনীর ১৬ বেঙ্গল রেজিমেন্টে রিলিজিয়াস টিচার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তিনি মোট ১১টি দরবার ও শতাধিক খানকাহ প্রতিষ্ঠা করেন। অর্জন করেন বিপুল পরিমাণ সম্পদ।