ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
মনোহরদীতে নানা আয়োজনে বর্ষবরণ উৎসব পালিত হয়েছে ঠাকুরগাঁও। রুহিয়া ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা করোনাভাইরাস এর কারণে বন্ধ থাকায় আবারও পাঁচ বছর পর ১০ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়েছে রানীশংকৈলে নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত রায়পুরে পহেলা বৈশাখে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নবাবগঞ্জে বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ পালিত ঘাটাইলে ব্যবসায়ীর হাত-পায়ের রগ কেটে সর্বস্ব লুট টঙ্গীতে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর উপর হামলা: তদন্তে গিয়ে সিসিটিভি আবদার করলো পুলিশ! আনোয়ারা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে ঈদ পূর্ণমিলনী ও মত বিনিময় সভা মোংলায় নিরুদ্দেশ মোতালেব জমাদ্দারের নাতিদের আকিকা অনুষ্ঠানে হাজারও লোকের ভিড় বহিষ্কার মোঃ রবিউল ইসলাম রবি কে দৈনিক সময়ের কন্ঠ পত্রিকা ও অনলাইন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে

শুক্রবার জুমা’র দিনে  শহরের  বিভিন্ন মসজিদে ও মন্দিরে স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতির   রোগ মুক্তি কামনায় দোয়ার আয়োজন 

প্রতিনিধি (ঠাকুরগাঁও।।

মহামারি করোনার ছোবল থেকে রক্ষা পায়নি ঠাকুরগাঁও স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি নাজমুলহুদা শাহ মো: অ্যাপোলো । সম্প্রতি করোনা আক্রান্তের দু:সংবাদ দিয়েছেন তিনি। তারপর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রিয় নেতা, প্রিয় ব্যক্তির করোনা মুক্তির স্ট্যাটাস দেখা গেছে সমর্থকদের।

গত শুক্রবার জুমা’র দিনে জেলা ও শহরের  বিভিন্ন মসজিদে এবং বিভিন্ন মন্দিরে তাঁর রোগ মুক্তি কামনায় দোয়ার আয়োজন করেনে তাঁর ভক্ত ও অনুসারীরা। জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের আয়োজনেও অনুষ্ঠিত হয়েছে দোয়া। দোয়া শেষে তোবারকও বিতরণ করা হয়েছে।

ভক্তরা আরও বলেন, রাজনীতি একটি মহৎ পেশা। ঠাকুরগাঁওয়ে মানবিক মানুষদের অন্যতম উদাহরণ স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি অ্যাপোলো। তার হাত ধরে অনেকেই রাজনীতিতে এসেছেন এবং তার মতাদর্শকে অনেকে শ্রদ্ধাভরে মানেন একই সাথে তাকে অনুসরণও করেন। তার মানবিক কার্যবলি এ অঞ্চলের তরুণ যুবকদের রাজনীতিতে মানবিক হতে শিখিয়েছে। তিনি আজ  করোনা আক্রান্ত হয়ে ঘরবন্দি হয়ে আছেন। স্বাভাবিক ভাবেই আমরা যারা ভক্ত রয়েছি বা যাকে দেখে রাজনীতিতে এসেছি তাদের মানসিক অবস্থা ভালো নেই। আমরা ভারাক্রান্ত মন নিয়ে শুধু এইটুকু বলতে চাই আল্লাহ্ তায়ালা যেনো তাকে দ্রুত সুস্থ করে দেন। তিনি যেনো সুস্থ্য হয়ে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসেন। আমাদের সকলের অভিভাবক হয়ে আবারও আমাদের অনুপ্রাণিত করেন। আজ তাঁর সুস্থ্যতা কামনায় সকল ধর্মের অনুসারীরা প্রার্থনা করছে। এতেই বোঝা যায় তিনি মানুষের হৃদয়ে কতখানি জায়গা জুড়ে আছেন আর মানুষের প্রয়োজনে তার গুরুত্ব কতখানি। আমরা ঠাকুরগাঁও সহ গোটা দেশবাসীর কাছে আমাদের প্রিয় নেতা, প্রিয় ভাই, প্রিয় অভিভাবকের জন্য দোয়া চাই।

একাধিক ভক্ত বলেন, করোনার শুরু থেকে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নাজমুল হুদা শাহ্ মো: অ্যাপোলো মানুষের পাশে ছিলেন। করোনা সময় মাঠ পর্যায়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে দিয়ে তার ব্যক্তিগত জায়গা থেকে মানুষকে সহযোগিতা করেছেন। করোনাকালীন সময় করোনায় আক্রান্ত মানুষের সহযোগিতা করেছেন। তিনি প্রকৃতপক্ষে করোনার সম্মুখ যোদ্ধা। তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এর চেয়ে ভয়ঙ্কর দু:সংবাদ আর কি হতে পারে। কিন্তু আমরা যারা তাঁর ভক্ত ও অনুসারী আছি আমরা শুধু  এইটুকু বলবো আমরা সবাই তাঁর পাশে আছি।

এদিকে ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নাজমুল হুদা শাহ্ মো: অ্যাপোলোর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি স্বাভাবিক ভাবেই করোনায় আক্রান্ত। দেশের অনেক গুণীজন মহামারির এই ভয়াল থাবায় জর্জরিত হয়েছেন। অনেক গরিব মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। আমি সকলকে বলবো সতর্ক থাকুন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। একদিন ভালো সময় আসবে। আমি মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত। যখন শুনি যে আমার করোনা মুক্তির জন্য জেলার বিভিন্ন স্থানের বিভিন্ন ধর্মালম্বী মানুষরা প্রার্থনা করছেন। তখন সত্যি খুব ভালো লাগে। মানুষগুলোর জন্য কি করতে পেরেছি জানিনা। তবে বলবো মানুষগুলোই আমার অক্সিজেন। আমি বর্তমানে ভালো আছি, চিকিৎসাধীন রয়েছি। আশা করি খুব শিঘ্রই সুস্থ্য হয়ে উঠবো। তিনি আরও বলেন,  আমার জন্য যারা প্রার্থণা করেছেন তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমি সকলের জন্য দোয়া করি। যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তারা যেনো সুস্থ্যতা লাভ করেন। আর যারা আক্রান্ত হননি তারা সাবধানে থাকবেন, তারা যেনো কখনই আক্রান্ত না হন এই প্রার্থনা করি। এ সময় তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

আরো খবর.......

জনপ্রিয় সংবাদ

মনোহরদীতে নানা আয়োজনে বর্ষবরণ উৎসব পালিত হয়েছে

শুক্রবার জুমা’র দিনে  শহরের  বিভিন্ন মসজিদে ও মন্দিরে স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতির   রোগ মুক্তি কামনায় দোয়ার আয়োজন 

আপডেট টাইম : ০৮:১৪:০৮ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১

প্রতিনিধি (ঠাকুরগাঁও।।

মহামারি করোনার ছোবল থেকে রক্ষা পায়নি ঠাকুরগাঁও স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি নাজমুলহুদা শাহ মো: অ্যাপোলো । সম্প্রতি করোনা আক্রান্তের দু:সংবাদ দিয়েছেন তিনি। তারপর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রিয় নেতা, প্রিয় ব্যক্তির করোনা মুক্তির স্ট্যাটাস দেখা গেছে সমর্থকদের।

গত শুক্রবার জুমা’র দিনে জেলা ও শহরের  বিভিন্ন মসজিদে এবং বিভিন্ন মন্দিরে তাঁর রোগ মুক্তি কামনায় দোয়ার আয়োজন করেনে তাঁর ভক্ত ও অনুসারীরা। জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের আয়োজনেও অনুষ্ঠিত হয়েছে দোয়া। দোয়া শেষে তোবারকও বিতরণ করা হয়েছে।

ভক্তরা আরও বলেন, রাজনীতি একটি মহৎ পেশা। ঠাকুরগাঁওয়ে মানবিক মানুষদের অন্যতম উদাহরণ স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি অ্যাপোলো। তার হাত ধরে অনেকেই রাজনীতিতে এসেছেন এবং তার মতাদর্শকে অনেকে শ্রদ্ধাভরে মানেন একই সাথে তাকে অনুসরণও করেন। তার মানবিক কার্যবলি এ অঞ্চলের তরুণ যুবকদের রাজনীতিতে মানবিক হতে শিখিয়েছে। তিনি আজ  করোনা আক্রান্ত হয়ে ঘরবন্দি হয়ে আছেন। স্বাভাবিক ভাবেই আমরা যারা ভক্ত রয়েছি বা যাকে দেখে রাজনীতিতে এসেছি তাদের মানসিক অবস্থা ভালো নেই। আমরা ভারাক্রান্ত মন নিয়ে শুধু এইটুকু বলতে চাই আল্লাহ্ তায়ালা যেনো তাকে দ্রুত সুস্থ করে দেন। তিনি যেনো সুস্থ্য হয়ে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসেন। আমাদের সকলের অভিভাবক হয়ে আবারও আমাদের অনুপ্রাণিত করেন। আজ তাঁর সুস্থ্যতা কামনায় সকল ধর্মের অনুসারীরা প্রার্থনা করছে। এতেই বোঝা যায় তিনি মানুষের হৃদয়ে কতখানি জায়গা জুড়ে আছেন আর মানুষের প্রয়োজনে তার গুরুত্ব কতখানি। আমরা ঠাকুরগাঁও সহ গোটা দেশবাসীর কাছে আমাদের প্রিয় নেতা, প্রিয় ভাই, প্রিয় অভিভাবকের জন্য দোয়া চাই।

একাধিক ভক্ত বলেন, করোনার শুরু থেকে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নাজমুল হুদা শাহ্ মো: অ্যাপোলো মানুষের পাশে ছিলেন। করোনা সময় মাঠ পর্যায়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে দিয়ে তার ব্যক্তিগত জায়গা থেকে মানুষকে সহযোগিতা করেছেন। করোনাকালীন সময় করোনায় আক্রান্ত মানুষের সহযোগিতা করেছেন। তিনি প্রকৃতপক্ষে করোনার সম্মুখ যোদ্ধা। তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এর চেয়ে ভয়ঙ্কর দু:সংবাদ আর কি হতে পারে। কিন্তু আমরা যারা তাঁর ভক্ত ও অনুসারী আছি আমরা শুধু  এইটুকু বলবো আমরা সবাই তাঁর পাশে আছি।

এদিকে ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নাজমুল হুদা শাহ্ মো: অ্যাপোলোর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি স্বাভাবিক ভাবেই করোনায় আক্রান্ত। দেশের অনেক গুণীজন মহামারির এই ভয়াল থাবায় জর্জরিত হয়েছেন। অনেক গরিব মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। আমি সকলকে বলবো সতর্ক থাকুন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। একদিন ভালো সময় আসবে। আমি মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত। যখন শুনি যে আমার করোনা মুক্তির জন্য জেলার বিভিন্ন স্থানের বিভিন্ন ধর্মালম্বী মানুষরা প্রার্থনা করছেন। তখন সত্যি খুব ভালো লাগে। মানুষগুলোর জন্য কি করতে পেরেছি জানিনা। তবে বলবো মানুষগুলোই আমার অক্সিজেন। আমি বর্তমানে ভালো আছি, চিকিৎসাধীন রয়েছি। আশা করি খুব শিঘ্রই সুস্থ্য হয়ে উঠবো। তিনি আরও বলেন,  আমার জন্য যারা প্রার্থণা করেছেন তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমি সকলের জন্য দোয়া করি। যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তারা যেনো সুস্থ্যতা লাভ করেন। আর যারা আক্রান্ত হননি তারা সাবধানে থাকবেন, তারা যেনো কখনই আক্রান্ত না হন এই প্রার্থনা করি। এ সময় তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।