ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হজ ভিসা নিয়ে সৌদির নতুন সিদ্ধান্ত Logo টিকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দুদকে আবেদন Logo পহেলা বৈশাখে নাশকতার শঙ্কা নেই, নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রস্তুত র‌্যাব Logo যেকোনো নৌ অবরোধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতা নিশ্চিত: ইরানি সামরিক উপদেষ্টা Logo সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজি: সাবেক যুবদল নেতা মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭ Logo প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আওয়ামী দোসর শফিউল্লাহ আল মুনিরের বিরুদ্ধে Logo বিএনপি দলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা কিছু অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দল রাজনীতি করতে চাচ্ছে Logo সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ মারা গেছেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ Logo কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন খুনি হাসিনার সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন Logo লিটারে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা বাড়ল ফার্নেস অয়েলের দাম

সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজি: সাবেক যুবদল নেতা মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭

ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর শ্যামলীর সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে মঈনের চার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো— মো. ফালান মিয়া (৪২), মো. রুবেল (৪২), মো. সুমন (৩৬) ও মো. লিটন মিয়া (৩৮)।

১১ এপ্রিল শ্যামলীর সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে ১ নম্বর এবং অজ্ঞাত সাত-আটজনকে আসামি করে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন সিকেডি হাসপাতালের ওটি ইনচার্জ আবু হানিফ।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে আসছে। দাবিকৃত চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আসামীরা আমাকে বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ এপ্রিল সকালে শেরেবাংলা নগর থানাধীন শ্যামলী ৩ নম্বর রোডে আমার বাসার সামনে এসে দরজা খুলতে বলে। আমার স্ত্রী দরজা খুলে দিলে আসামী মঈন আমার স্ত্রীকে বলে যে, চাঁদা বাবদ এখনই তাদেরকে ৫ লাখ টাকা প্রদান করতে হবে। টাকা না দিলে আমাকেসহ আমার স্ত্রীর বিভিন্ন ধরণের ক্ষতিসাধন করার হুমকি দেয়।

আমার স্ত্রী আসামীদের চাহিত চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করাসহ চিল্লাচিল্লি শুরু করে। এ সময় আমি আসামীদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাসার অন্য একটি রুমে অবস্থান করি এবং পরিস্থিতির অবনতি আশঙ্কা করে হাসপাতালে অবস্থানরত আমার ছোট ভাই মো. মনির তালুকদার (৩৫) কে দ্রুত বাসায় আসার জন্য ফোন করি। পরবর্তীতে আমার ভাই বাসায় পৌঁছালে আসামী মঈনসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন আসামীরা ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আরও লোকজন জড়ো করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন লোক সমবেত করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে এসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। তারা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে, উচ্চস্বরে স্লোগান দেয়, গালাগালি করে এবং পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালায়।

এজাহারে তিনি আরও উল্লেখ করেন, এমনকি তারা সিকেডি হাসপাতালের মালিক মো. কামরুল ইসলামকে উদ্দেশ্য করে বলে ‘কামরুলের দুই গালে জুতা মারো’ এবং ‘কামরুলের পিঠের চামড়া তুলে নেব’ মর্মে হুমকি সূচক স্লোগান দিতে থাকে। এছাড়াও তারা অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এবং পুরো ঘটনাটিকে পরিকল্পিতভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তারা মেডিকেলের ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্টের সামনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, যার ফলে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। উক্ত ঘটনার বিষয়ে আমি শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে পরিস্থিতি নিয়েন্ত্রণে আনেন।

এদিকে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি অভিযোগ ওঠার পর শুক্রবার (১১ এপ্রিল) রাতে সেখানে গিয়ে কথা বলেছেন যুবদলের শীর্ষ নেতারা। যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ একটি প্রতিনিধি দল রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর শ্যামলীতে সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালে গিয়ে অধ্যাপক কামরুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করেন।

এ সময় অধ্যাপক কামরুল বলেন, ‘আমার সঙ্গে ডিরেক্টলি কখনো কথা বলেনি সে। স্টাফদেরকে ভয়ভীতি দেখায় যে, অমুককে চাকরি থেকে সরিয়ে দেবে—এই খবর পাচ্ছিলাম। তার দাবি, আমাদের হাসপাতালে তার লোকদেরকে কাজ দিতে হবে। আমার এখানে চারশ’ স্টাফ কাজ করে, যাদের বেশিরভাগেই দরিদ্র। সে বলে যে, সে যুবদল কর্মী এবং কমিশনার পদে দাঁড়াবে। স্থানীয় নেতাদেরকে তার ব্যাপারে জানিয়েছি। কিন্তু তাদের কথা ও শুনেনি। আমি বিষয়টা নিয়ে জিডি করছি, এখানকার নেতাদের জানাই। কিন্তু তার এত বিরাট প্রভাব যে কেউ কিছু করেনি।’

‘হঠাৎ এসে জানায়, হাসপাতালের একজন স্টাফ তার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছে। এটা তাকে দিতে হবে। স্টাফ কোথা থেকে দেবে? সুতরাং হাসাপাতাল থেকে দিতে হবে। এভাবে সে দাবি করছে। প্রথমে সে ভয় দেখাতো, দেখতে অনেক লম্বা-চওড়া, সঙ্গে অনেক লোক নিয়ে আসে। আবার নিজেদেরকে যুবদল কর্মী বলে দাবি করে। কিছু বলাও যায় না।’

পরে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন বলেন, ‘আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি ও আসলে আমাদের সংগঠনের কেউ না। এরা আমাদের সংগঠনের নাম ভাঙ্গায়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলে দিয়েছেন এসব বিষয়ে জিরো টলারেন্স। এসব ঘটনা ঘটলে আমরা কাউকে ছাড় দেই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগের আমলে যেরকম এ ধরনের ঘটনাগুলোকে অস্বীকার করা হয়েছে, আমরা কিন্তু সেটাও করি না। আমরা আমাদের অনেক নেতাকর্মীকে সাজা দিয়েছি, প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি, কাউকে কাউকে পুলিশে ধরিয়েও দিয়েছি।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হজ ভিসা নিয়ে সৌদির নতুন সিদ্ধান্ত

সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজি: সাবেক যুবদল নেতা মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭

আপডেট সময় ১০:৫০:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর শ্যামলীর সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে মঈনের চার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো— মো. ফালান মিয়া (৪২), মো. রুবেল (৪২), মো. সুমন (৩৬) ও মো. লিটন মিয়া (৩৮)।

১১ এপ্রিল শ্যামলীর সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে ১ নম্বর এবং অজ্ঞাত সাত-আটজনকে আসামি করে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন সিকেডি হাসপাতালের ওটি ইনচার্জ আবু হানিফ।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে আসছে। দাবিকৃত চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আসামীরা আমাকে বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ এপ্রিল সকালে শেরেবাংলা নগর থানাধীন শ্যামলী ৩ নম্বর রোডে আমার বাসার সামনে এসে দরজা খুলতে বলে। আমার স্ত্রী দরজা খুলে দিলে আসামী মঈন আমার স্ত্রীকে বলে যে, চাঁদা বাবদ এখনই তাদেরকে ৫ লাখ টাকা প্রদান করতে হবে। টাকা না দিলে আমাকেসহ আমার স্ত্রীর বিভিন্ন ধরণের ক্ষতিসাধন করার হুমকি দেয়।

আমার স্ত্রী আসামীদের চাহিত চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করাসহ চিল্লাচিল্লি শুরু করে। এ সময় আমি আসামীদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাসার অন্য একটি রুমে অবস্থান করি এবং পরিস্থিতির অবনতি আশঙ্কা করে হাসপাতালে অবস্থানরত আমার ছোট ভাই মো. মনির তালুকদার (৩৫) কে দ্রুত বাসায় আসার জন্য ফোন করি। পরবর্তীতে আমার ভাই বাসায় পৌঁছালে আসামী মঈনসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন আসামীরা ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আরও লোকজন জড়ো করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন লোক সমবেত করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে এসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। তারা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে, উচ্চস্বরে স্লোগান দেয়, গালাগালি করে এবং পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালায়।

এজাহারে তিনি আরও উল্লেখ করেন, এমনকি তারা সিকেডি হাসপাতালের মালিক মো. কামরুল ইসলামকে উদ্দেশ্য করে বলে ‘কামরুলের দুই গালে জুতা মারো’ এবং ‘কামরুলের পিঠের চামড়া তুলে নেব’ মর্মে হুমকি সূচক স্লোগান দিতে থাকে। এছাড়াও তারা অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এবং পুরো ঘটনাটিকে পরিকল্পিতভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তারা মেডিকেলের ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্টের সামনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, যার ফলে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। উক্ত ঘটনার বিষয়ে আমি শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে পরিস্থিতি নিয়েন্ত্রণে আনেন।

এদিকে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি অভিযোগ ওঠার পর শুক্রবার (১১ এপ্রিল) রাতে সেখানে গিয়ে কথা বলেছেন যুবদলের শীর্ষ নেতারা। যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ একটি প্রতিনিধি দল রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর শ্যামলীতে সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালে গিয়ে অধ্যাপক কামরুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করেন।

এ সময় অধ্যাপক কামরুল বলেন, ‘আমার সঙ্গে ডিরেক্টলি কখনো কথা বলেনি সে। স্টাফদেরকে ভয়ভীতি দেখায় যে, অমুককে চাকরি থেকে সরিয়ে দেবে—এই খবর পাচ্ছিলাম। তার দাবি, আমাদের হাসপাতালে তার লোকদেরকে কাজ দিতে হবে। আমার এখানে চারশ’ স্টাফ কাজ করে, যাদের বেশিরভাগেই দরিদ্র। সে বলে যে, সে যুবদল কর্মী এবং কমিশনার পদে দাঁড়াবে। স্থানীয় নেতাদেরকে তার ব্যাপারে জানিয়েছি। কিন্তু তাদের কথা ও শুনেনি। আমি বিষয়টা নিয়ে জিডি করছি, এখানকার নেতাদের জানাই। কিন্তু তার এত বিরাট প্রভাব যে কেউ কিছু করেনি।’

‘হঠাৎ এসে জানায়, হাসপাতালের একজন স্টাফ তার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছে। এটা তাকে দিতে হবে। স্টাফ কোথা থেকে দেবে? সুতরাং হাসাপাতাল থেকে দিতে হবে। এভাবে সে দাবি করছে। প্রথমে সে ভয় দেখাতো, দেখতে অনেক লম্বা-চওড়া, সঙ্গে অনেক লোক নিয়ে আসে। আবার নিজেদেরকে যুবদল কর্মী বলে দাবি করে। কিছু বলাও যায় না।’

পরে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন বলেন, ‘আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি ও আসলে আমাদের সংগঠনের কেউ না। এরা আমাদের সংগঠনের নাম ভাঙ্গায়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলে দিয়েছেন এসব বিষয়ে জিরো টলারেন্স। এসব ঘটনা ঘটলে আমরা কাউকে ছাড় দেই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগের আমলে যেরকম এ ধরনের ঘটনাগুলোকে অস্বীকার করা হয়েছে, আমরা কিন্তু সেটাও করি না। আমরা আমাদের অনেক নেতাকর্মীকে সাজা দিয়েছি, প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি, কাউকে কাউকে পুলিশে ধরিয়েও দিয়েছি।


প্রিন্ট