পল্টন থানার জিডি নং ১৬৪৯, তারিখ ২০/১১/২০২৫ ইং এর পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোসাঃ সাজেদা হক যে প্রতিষ্ঠানের নামে ভাড়া চুক্তিপত্র দলিল সম্পাদনের কথা উল্লেখ করেছেন তা একটি অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল। যা অনৈতিক সুবিধা প্রাপ্তির লক্ষ্যে অবৈধভাবে পরিচালনা করে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করা হচ্ছে মর্মে পুলিশের এসবি রিপোর্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দাখিল করা হয়েছে।
তদন্তে আরো জানা গেছে, বাদীনি মোসাঃ সাজেদা হক অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন ও প্রতারণা করে বিবাদীকে দোষী সাব্যস্ত করে অনৈতিকভাবে আর্থিক সুবিধা আদায়ের জন্য একাধিক ঘর ভাড়ার জাল চুক্তিপত্র দলিল সৃজন করেন। এ মর্মে তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট আরো একখানা দলিল জব্দ রহিয়াছে।
বিগত ১১/০৯/২০২৫ ইং তারিখে মোসাঃ সাজেদা হক বিবাদী খন্দকার মিরাজুল ইসলাম এর দোকানে যেয়ে বিবাদী একা অবস্থান করার সুযোগে প্রথমে সন্ত্রাসী কায়দা বিবাদীর মোবাইল ছিনতাই করে এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা সিসি ক্যামেরার কথা উল্লেখ করলেও ঘটনাস্থলে কোন সিসি ক্যামেরা ছিল না। যে ভিডিও ফুটেজের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা বাদীনির মোবাইলে ধারণকৃত।
তদন্তে আরও জানা গেছে, তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক যে ঘর ভাড়া চুক্তিপত্র দলিলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সে মর্মে সাক্ষী কোন সাক্ষ্য প্রদান করেন নাই। বাদীনির সাক্ষী অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ প্রকাশ করেন যে, তার জবানবন্দি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। উপরোন্ত সাক্ষী ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না তবে বাদীনি কর্তৃক ধারণকৃত ভিডিও দেখেছেন।
এ বিষয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছেন, ঘটনাটি পর্যালোচনার মাধ্যমে সঠিক তদন্ত করে দেখা হবে।
প্রিন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















