মোঃ ওমর ফারুক: বাগেরহাট-৩ আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মোংলা হ্যালিপ্যাড ময়দানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত ঐতিহাসিক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকাল তিনটায় হ্যালিপ্যাড ময়দানে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত ঐতিহাসিক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এ জনসভার আয়োজন করা হয়।
আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও বাগেরহাট জেলা আমির মাওলানা রেজাউল করিম, প্রধান বক্তা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও বাগেরহাট জেলা শাখার নায়েবে আমীর এ্যাডভোকেট মাওলানা শেখ আব্দুল ওয়াদুদ। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা পৌর আমির এম, এ বারী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে, এ্যাডভোকেট মাওলানা শেখ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ তাদের লাল কার্ড দেখাবে—যারা জনগণের ঘের লুট করছে, সন্ত্রাসী চাঁদাবাজিতে লিপ্ত, মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সমাবেশে আসতে বাধা দিচ্ছে এবং নারীদের হয়রানির চেষ্টা করছে।”
তিনি আরও বলেন, “জনগণ এখন আর ট্যাগের রাজনীতি খায় না। ভয় দেখিয়ে, হুমকি দিয়ে রাজনীতি করার দিন শেষ। এ দেশের মানুষ এখন সচেতন ও জাগ্রত।”
জনসভায় তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির কিছু কর্মী জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের সমাবেশে আসতে বাধা দিয়েছে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি তাদের উদ্দেশে বলতে চাই—যদি আপনারা ১২ ফেব্রুয়ারির পরে ক্ষমতায় আসতে না পারেন, তখন কী করবেন? জনগণ আর এসব হুমকিতে ভয় পায় না।”
তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “এই দেশ, এই সমাজ ও এই রাষ্ট্রে আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তির উত্থান হতে দেওয়া হবে না।”
জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি মো: রিয়াজুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা আবু হানিফ মল্লিক, উপজেলা সেক্রেটারি মো. রশিদুজ্জামান শিশির, মোংলা উপজেলা নায়েবে আমীর ও সাবেক সফল ভাইস চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট অধ্যাপক কোহিনূর সরদার, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী এ্যাড: মো: হোসেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির যুগ্ম মূখ্য সংগঠক মোল্যা রহমতুল্লাহ, এনসিপি নেতা মাজেদ মৃধা ও আবু হোসেনসহ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
জনসভায় বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিত ও বিএনপির অর্ধ শতাধিক নেতা কর্মীর যোগদানের মধ্য দিয়ে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
প্রিন্ট
নিজস্ব সংবাদ : 




















