ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কেলির ফিফটিতে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে নিউজিল্যান্ড Logo আলোচনা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্ট বার্তা দিল ইরান Logo সংরক্ষিত ৩৬ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ নতুন বিএনপির Logo থানায় এজাহার দায়ের ঈদগাঁওয়ে সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে তাণ্ডব আসবাবপত্র ভাঙচুর, হামলায় আহত ৬ Logo খুনি শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা হয়েছে : জিএম কাদের Logo দিনাজপুরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু Logo যুদ্ধ শেষ হয়নি, যেকোনো মুহূর্তে মোড় ঘুরে যেতে পারে: নেতানিয়াহু Logo সদর উপজেলার সুলতানপুরে নওগাঁ জেলা পুলিশের অভিযান, বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ তিনজন সন্ত্রাসী গ্রেফতার Logo মাদারগন্জে আওয়ামীলীগের ১০ নেতাকর্মী জামিন চেয়ে আদালতে আত্মসমর্পন করায় আদালত কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন Logo মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: মিঠামইনে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক।

মহম্মদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি টুটুলের নামে বন বিভাগের গাছের গুঁড়ি সরানোর অভিযোগে মামলা

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে সামাজিক বনায়নের সংরক্ষিত গাছের গুঁড়ি সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এই ঘটনায় সোমবার (৯মার্চ) নার্সারির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তপনেন্দ্র নাথ সরকার বাদী হয়ে স্থানীয় আজিজুর রহমান টুটুলে (৫৫) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মহম্মদপুর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।

​এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ মার্চ ২০২৬ তারিখ বিকেলে ডিউটি শেষে নার্সারির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাড়িতে যান। পরদিন ৫ মার্চ সকালে নার্সারিতে গিয়ে তিনি দেখতে পান, সেখানে সংরক্ষিত থাকা ৭টি শিশু গাছের লগ এবং ১টি মেহগনি গাছের লগ (মোট ৮টি লগ) গায়েব হয়ে গেছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৩০,০০০ টাকা।

​ঘটনার পর উপজেলা পরিষদের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অভিযুক্ত আজিজুর রহমান টুটুল মোটরসাইকেল যোগে একটি নসিমন গাড়িকে অনুসরণ করে উপজেলা পরিষদে প্রবেশ করছেন। পরবর্তীতে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, ওই নসিমন গাড়িতে করেই গাছগুলো পাচার করা হয়েছে।

​উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (UNO) সহায়তায় গত ৬ মার্চ দুপুরে মহম্মদপুর থানার পুলিশ ও বন বিভাগের কর্মকর্তারা ধোয়াইল বাজারের একটি স-মিলে অভিযান চালায়। সেখান থেকে চুরি হওয়া ৮টি লগের মধ্যে ৭টি (৬টি শিশু গাছ ও ১টি মেহগনি) উদ্ধার করা হয়। স-মিল মালিকের দাবি অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি নসিমন যোগে এই গাছগুলো সেখানে রেখে গিয়েছিলেন। তবে ১টি শিশু গাছের লগ এখনো নিখোঁজ রয়েছে, যার মূল্য প্রায় ৫,০০০ টাকা।
​বর্তমান অবস্থা

​বাদী তপনেন্দ্র নাথ সরকার জানান, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে কিছুটা বিলম্ব হলেও অপরাধীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এ বিষয়ে মহম্মদপুর থানা পুলিশ জানায়, এজাহার প্রাপ্তি সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সরকারি সম্পদ চুরির এই ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কেলির ফিফটিতে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে নিউজিল্যান্ড

মহম্মদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি টুটুলের নামে বন বিভাগের গাছের গুঁড়ি সরানোর অভিযোগে মামলা

আপডেট সময় ০৪:২৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে সামাজিক বনায়নের সংরক্ষিত গাছের গুঁড়ি সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এই ঘটনায় সোমবার (৯মার্চ) নার্সারির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তপনেন্দ্র নাথ সরকার বাদী হয়ে স্থানীয় আজিজুর রহমান টুটুলে (৫৫) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মহম্মদপুর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।

​এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ মার্চ ২০২৬ তারিখ বিকেলে ডিউটি শেষে নার্সারির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাড়িতে যান। পরদিন ৫ মার্চ সকালে নার্সারিতে গিয়ে তিনি দেখতে পান, সেখানে সংরক্ষিত থাকা ৭টি শিশু গাছের লগ এবং ১টি মেহগনি গাছের লগ (মোট ৮টি লগ) গায়েব হয়ে গেছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৩০,০০০ টাকা।

​ঘটনার পর উপজেলা পরিষদের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অভিযুক্ত আজিজুর রহমান টুটুল মোটরসাইকেল যোগে একটি নসিমন গাড়িকে অনুসরণ করে উপজেলা পরিষদে প্রবেশ করছেন। পরবর্তীতে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, ওই নসিমন গাড়িতে করেই গাছগুলো পাচার করা হয়েছে।

​উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (UNO) সহায়তায় গত ৬ মার্চ দুপুরে মহম্মদপুর থানার পুলিশ ও বন বিভাগের কর্মকর্তারা ধোয়াইল বাজারের একটি স-মিলে অভিযান চালায়। সেখান থেকে চুরি হওয়া ৮টি লগের মধ্যে ৭টি (৬টি শিশু গাছ ও ১টি মেহগনি) উদ্ধার করা হয়। স-মিল মালিকের দাবি অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি নসিমন যোগে এই গাছগুলো সেখানে রেখে গিয়েছিলেন। তবে ১টি শিশু গাছের লগ এখনো নিখোঁজ রয়েছে, যার মূল্য প্রায় ৫,০০০ টাকা।
​বর্তমান অবস্থা

​বাদী তপনেন্দ্র নাথ সরকার জানান, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে কিছুটা বিলম্ব হলেও অপরাধীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এ বিষয়ে মহম্মদপুর থানা পুলিশ জানায়, এজাহার প্রাপ্তি সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সরকারি সম্পদ চুরির এই ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


প্রিন্ট