ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে আদালতের নির্দেশে জব্দকৃত মাদকদ্রব্য এবং অবৈধ কসমেটিকস ধ্বংস

আজ বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬ ইং বিকেলে লালমনিরহাট চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়, প্রায় ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের জব্দকৃত আলামত। আদালত সূত্রে জানা যায়, জেলার পাঁচটি থানায় বিভিন্ন সময়ে পরিচালিত পৃথক অভিযানে এসব মাদকদ্রব্য ও অবৈধ পণ্য জব্দ করা হয়েছিল। নিষ্পত্তি হওয়া ৩৯টি মামলার চূড়ান্ত আদেশের পর আদালতের নির্দেশে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেগুলো ধ্বংস করা হয়।
ধ্বংসকৃত আলামতের মধ্যে ছিল ৮০ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা, ৪১৩ বোতল ফেনসিডিল, ২ হাজার ৩৪৯ বোতল ইস্কাপ সিরাপ, ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ কসমেটিকস সামগ্রী। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাজারমূল্য আনুমানিক ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে।
ধ্বংস কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দিন ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব মিয়া। এ সময় জেলা পুলিশের কোর্ট পরিদর্শক আমিরুল ইসলামসহ আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্তৃপক্ষ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে মামলা নিষ্পত্তির পর জব্দকৃত আলামত আদালতের আদেশে ধ্বংস করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনমনে আস্থা পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আলামত ধ্বংসের এই পদক্ষেপ সংশ্লিষ্ট জেলার মাদকবিরোধী কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ সময় আইনজীবী সমিতির একজন সিনিয়র আইনজীবী বলেন, মাদক মুক্ত করে আলোকিত লালমনিরহাট আমাদের প্রত্যাশা।

মো: তোছাদ্দেকুর রহমান,
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি।
মোবাইল : ০১৩১৭২৪৭৭৩৯


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসিরনগরে দুঃস্থ ও অসহায়দের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ

লালমনিরহাটে আদালতের নির্দেশে জব্দকৃত মাদকদ্রব্য এবং অবৈধ কসমেটিকস ধ্বংস

আপডেট সময় ০৮:৪৮:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

আজ বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬ ইং বিকেলে লালমনিরহাট চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়, প্রায় ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের জব্দকৃত আলামত। আদালত সূত্রে জানা যায়, জেলার পাঁচটি থানায় বিভিন্ন সময়ে পরিচালিত পৃথক অভিযানে এসব মাদকদ্রব্য ও অবৈধ পণ্য জব্দ করা হয়েছিল। নিষ্পত্তি হওয়া ৩৯টি মামলার চূড়ান্ত আদেশের পর আদালতের নির্দেশে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেগুলো ধ্বংস করা হয়।
ধ্বংসকৃত আলামতের মধ্যে ছিল ৮০ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা, ৪১৩ বোতল ফেনসিডিল, ২ হাজার ৩৪৯ বোতল ইস্কাপ সিরাপ, ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ কসমেটিকস সামগ্রী। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাজারমূল্য আনুমানিক ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে।
ধ্বংস কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দিন ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব মিয়া। এ সময় জেলা পুলিশের কোর্ট পরিদর্শক আমিরুল ইসলামসহ আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্তৃপক্ষ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে মামলা নিষ্পত্তির পর জব্দকৃত আলামত আদালতের আদেশে ধ্বংস করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনমনে আস্থা পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আলামত ধ্বংসের এই পদক্ষেপ সংশ্লিষ্ট জেলার মাদকবিরোধী কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ সময় আইনজীবী সমিতির একজন সিনিয়র আইনজীবী বলেন, মাদক মুক্ত করে আলোকিত লালমনিরহাট আমাদের প্রত্যাশা।

মো: তোছাদ্দেকুর রহমান,
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি।
মোবাইল : ০১৩১৭২৪৭৭৩৯


প্রিন্ট