ঢাকা ০৪:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদের মাত্র দুই দিন বাকি। ঈদ করা হলো না, একই পরিবারের ৩ সহোদর, শুভ শান্ত নাদিমের। সড়কে, তাজা তিনটি প্রাণ, নিমেষেই শেষ হয়ে গেল একজন দানবীর ও সাদা মনের মানুষ জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম আজীবন জনকল্যাণে কাজ করে যেতে চান নাসিরনগরে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ছাত্রদলের ঈদ উপহার বিতরণ জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাতে অংশ নিতে পারেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে: ড. ইউনূস ভারত মহাসাগরের যে ঘাঁটি থেকে ইরানকে টার্গেট করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অটোরিকশা শ্রমিকের মৃত্যু গাজীপুরে পিকআপ-ট্রাক সংঘর্ষ, নিহত -২ ফের যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে গাজায় ইংল্যান্ডে ঘাপটি মেরে আছে জার্মানির গুপ্তচর

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ২টি সরকারী রাস্তার প্রায় ৪ শতাধিক বিভিন্ন প্রজাপতির গাছ কেটে নিয়েছে দুষ্কৃতিকারী। 

সময়ের কন্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : ০৬:৫৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ মে ২০২১
  • / ৩১৮ ৫০০০.০ বার পাঠক
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি।।
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দুটিইউনিয়নের ২টি সরকারী রাস্তার প্রায় চার শতাধীক বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নিয়েছে ওই এলাকার কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী ব্যাক্তি। বিষয়টি বন বিভাগ জানার পরেও অজ্ঞাত ও রহস্য জনক কারনে নিশ্চুপ রয়েছেন ।
এ ব্যাপারে সরেজমিন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়াডে (প্রাননাথ পাঠিকাপাড়া) ইউপি সদস্য আলম মেম্বারের বাড়ীর সামনের ছোট ব্রীজ হতে সামাদ মাষ্টারের বাড়ী পযন্ত প্রায় আধা কিঃমিঃ রাস্তার তিন শত গাছ এবং টংভাঙ্গা ইউপির ৭নং ওয়ার্ডের ডাকালীবান্ধা হতে দক্ষিনে কারবালার দীঘি পয়ন্ত প্রায় ২ কিঃমিঃ রাস্তার বিভিন্ন প্রজাতির গাছ যার আনুমানিক মূল্য ১০/১৫ লাখ টাকা কেঠে নিয়েছে স্থানীয় কতিপয় দুষ্কৃতকারী ব্যাক্তি। তবে প্রাণনাথ পাঠিকাপাড়ার নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বাসীন্দা জানান ওই এলাকার মোঃ হাবিবুল্লাহ এর ছেলে শাজাহান ও শাহজামালসহ বেলাল হোসেনের ছেলে আমজাদ হোসেন ওই রাস্তার ৩ শত গাছ কেটে নিয়ে পার্শবর্তী দৈখাওয়া হাটের তামান্না  ‘স’ মিলের মালিক তমিজ ভাটিয়া নামক এক ব্যাক্তির নিকট মাত্র আড়াই লাখ টাকায় বিক্রি করেন। তবে অধিকাংশ ইউকিলিপটার গাছ বলে তারা জানান।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ব্যাক্তিদের সাথে কথা বললে তারা জানান গাছগুলো আমরাই লাগিয়ে ছিলাম। আমরাই আবার স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে জানিয়ে কেটে বিক্রি করেছি।
এদিকে ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজ্জাকুল ইসলাম কায়েদ বলেন রাস্তার গাছ কাটার  বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা এমনকি কেও আমাকে বলেনও নাই, তবে ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আশরাফুল আলম কোন কিছু না বলে বিষয়টি এরিয়ে যান। একই কথা বলেন টংভাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান আতি ও।
এ বিষয়ে টংভাঙ্গা ৭ নং ওয়াডের সদস্য ডাঃ ইয়াকুব আলী জানান রাস্তার গাছগুলো রাতের আধারে কে বা কারা কেটে নিয়ে গেছেন তা আমি জানি না। তবে এলাকার অনেকেই বিষয়টি জানার পরেও মুখ খুলছেন না ।
এ ব্যাপারে বন বিভাগের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও কেও ফোন ধরেনি।
হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল আমিন জানান গাছ কাটার বিষয়টি আমার জানা নেই।  কোন অভিযোগ পায়নি অভিযোগ পেলে ক্ষতিয়ে দেখে দেখে ব্যবস্থা নেব।
আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ২টি সরকারী রাস্তার প্রায় ৪ শতাধিক বিভিন্ন প্রজাপতির গাছ কেটে নিয়েছে দুষ্কৃতিকারী। 

আপডেট টাইম : ০৬:৫৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ মে ২০২১
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি।।
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দুটিইউনিয়নের ২টি সরকারী রাস্তার প্রায় চার শতাধীক বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নিয়েছে ওই এলাকার কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী ব্যাক্তি। বিষয়টি বন বিভাগ জানার পরেও অজ্ঞাত ও রহস্য জনক কারনে নিশ্চুপ রয়েছেন ।
এ ব্যাপারে সরেজমিন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়াডে (প্রাননাথ পাঠিকাপাড়া) ইউপি সদস্য আলম মেম্বারের বাড়ীর সামনের ছোট ব্রীজ হতে সামাদ মাষ্টারের বাড়ী পযন্ত প্রায় আধা কিঃমিঃ রাস্তার তিন শত গাছ এবং টংভাঙ্গা ইউপির ৭নং ওয়ার্ডের ডাকালীবান্ধা হতে দক্ষিনে কারবালার দীঘি পয়ন্ত প্রায় ২ কিঃমিঃ রাস্তার বিভিন্ন প্রজাতির গাছ যার আনুমানিক মূল্য ১০/১৫ লাখ টাকা কেঠে নিয়েছে স্থানীয় কতিপয় দুষ্কৃতকারী ব্যাক্তি। তবে প্রাণনাথ পাঠিকাপাড়ার নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বাসীন্দা জানান ওই এলাকার মোঃ হাবিবুল্লাহ এর ছেলে শাজাহান ও শাহজামালসহ বেলাল হোসেনের ছেলে আমজাদ হোসেন ওই রাস্তার ৩ শত গাছ কেটে নিয়ে পার্শবর্তী দৈখাওয়া হাটের তামান্না  ‘স’ মিলের মালিক তমিজ ভাটিয়া নামক এক ব্যাক্তির নিকট মাত্র আড়াই লাখ টাকায় বিক্রি করেন। তবে অধিকাংশ ইউকিলিপটার গাছ বলে তারা জানান।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ব্যাক্তিদের সাথে কথা বললে তারা জানান গাছগুলো আমরাই লাগিয়ে ছিলাম। আমরাই আবার স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে জানিয়ে কেটে বিক্রি করেছি।
এদিকে ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজ্জাকুল ইসলাম কায়েদ বলেন রাস্তার গাছ কাটার  বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা এমনকি কেও আমাকে বলেনও নাই, তবে ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আশরাফুল আলম কোন কিছু না বলে বিষয়টি এরিয়ে যান। একই কথা বলেন টংভাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান আতি ও।
এ বিষয়ে টংভাঙ্গা ৭ নং ওয়াডের সদস্য ডাঃ ইয়াকুব আলী জানান রাস্তার গাছগুলো রাতের আধারে কে বা কারা কেটে নিয়ে গেছেন তা আমি জানি না। তবে এলাকার অনেকেই বিষয়টি জানার পরেও মুখ খুলছেন না ।
এ ব্যাপারে বন বিভাগের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও কেও ফোন ধরেনি।
হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল আমিন জানান গাছ কাটার বিষয়টি আমার জানা নেই।  কোন অভিযোগ পায়নি অভিযোগ পেলে ক্ষতিয়ে দেখে দেখে ব্যবস্থা নেব।