ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
মনোহরদীতে নানা আয়োজনে বর্ষবরণ উৎসব পালিত হয়েছে ঠাকুরগাঁও। রুহিয়া ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা করোনাভাইরাস এর কারণে বন্ধ থাকায় আবারও পাঁচ বছর পর ১০ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়েছে রানীশংকৈলে নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত রায়পুরে পহেলা বৈশাখে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নবাবগঞ্জে বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ পালিত ঘাটাইলে ব্যবসায়ীর হাত-পায়ের রগ কেটে সর্বস্ব লুট টঙ্গীতে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর উপর হামলা: তদন্তে গিয়ে সিসিটিভি আবদার করলো পুলিশ! আনোয়ারা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে ঈদ পূর্ণমিলনী ও মত বিনিময় সভা মোংলায় নিরুদ্দেশ মোতালেব জমাদ্দারের নাতিদের আকিকা অনুষ্ঠানে হাজারও লোকের ভিড় বহিষ্কার মোঃ রবিউল ইসলাম রবি কে দৈনিক সময়ের কন্ঠ পত্রিকা ও অনলাইন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে

সিয়াচেনে তুষার ধসে প্রাণ গেল ২ ভারতীয় সেনার

  • সময়ের কন্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : ০৭:৩৭:১৭ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল ২০২১
  • ২২৮ ০.০০০ বার পাঠক

আন্তর্জাতিক রিপোর্ট।।

ভয়াবহ তুষারপাতের ধসে দুই ভারতীয় সেনা সদস্যের মৃত্যু হল সিয়াচেন হিমবাহে। লাদাখ সেনা সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে। যেখানে তুষারপাত হয়েছে সেখানে আরও সেনা সদস্য ছিলেন। তবে তারা অক্ষত আছেন। তাদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ঠিক কী হয়েছিল?

সেনা সূত্র জানাচ্ছে, সোমবার দুপুর ১টা নাগাদ সিয়াচেনের হানিফ সেক্টরে টহল দিচ্ছিল ওই সেনার দল। দলটির সঙ্গে ছিলেন কয়েকজন কুলিও। আচমকাই ভয়াবহ তুষারপাত শুরু হলে বরফের ধস নেমে আসে। ফলে ওখানে আটকে পড়েন সকলে। উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সকলকে উদ্ধার করে। সকলকেই নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাওয়া হলেও পরে তুষারপাতের ফলে আহত দুই সেনা সদস্য মারা যায়।

আবহাওয়া সংক্রান্ত দুর্ঘটনায় সিয়াচেন হিমবাহে সেনামৃত্যুর ঘটনা বহুবারই ঘটতে দেখা গিয়েছে। কেবল এই মাসেই এমন দুর্ঘটনা ঘটল তৃতীয়বার। এর আগে গত ১৪ এপ্রিল তুষারধসের ফলে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান এক ভারতীয় সেনা অফিসার।

তুষারপাতের কবলে কেবল টহলরত সেনারাই নয়, সেনা পোস্টগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে ২০১৬ সালে উত্তর সিয়াচেনে সেনাবাহিনীর একটি শিবিরে তুষারপাতের ধাক্কায় দশজন সেনা বরফের ভিতরে তলিয়ে যায়।

প্রসঙ্গত, কারাকোরাম পর্বতমালার অন্তর্গত সিয়াচেন হিমবাহ ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত। এটিই পৃথিবীর উচ্চতম সামরিক ক্ষেত্র। এমন উচ্চতায় তুষারপাত ও ভূমিধস খুবই সাধারণ ঘটনা। শীতের কামড়ে তাপমাত্রা মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও নেমে যায়। এমন প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করেই এখানে জীবনধারণ করতে হয় মোতায়েন সেনা সদস্যদের। ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই হিমবাহে সারা বছরই প্রহরারত থাকে ভারতীয় সেনারা। নিচে নামার কোনও উপায় থাকে না। কেননা সেক্ষেত্রে শত্রুদেশ এসে দখল করে নিতে পারে এই হিমবাহ।

আরো খবর.......

জনপ্রিয় সংবাদ

মনোহরদীতে নানা আয়োজনে বর্ষবরণ উৎসব পালিত হয়েছে

সিয়াচেনে তুষার ধসে প্রাণ গেল ২ ভারতীয় সেনার

আপডেট টাইম : ০৭:৩৭:১৭ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল ২০২১

আন্তর্জাতিক রিপোর্ট।।

ভয়াবহ তুষারপাতের ধসে দুই ভারতীয় সেনা সদস্যের মৃত্যু হল সিয়াচেন হিমবাহে। লাদাখ সেনা সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে। যেখানে তুষারপাত হয়েছে সেখানে আরও সেনা সদস্য ছিলেন। তবে তারা অক্ষত আছেন। তাদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ঠিক কী হয়েছিল?

সেনা সূত্র জানাচ্ছে, সোমবার দুপুর ১টা নাগাদ সিয়াচেনের হানিফ সেক্টরে টহল দিচ্ছিল ওই সেনার দল। দলটির সঙ্গে ছিলেন কয়েকজন কুলিও। আচমকাই ভয়াবহ তুষারপাত শুরু হলে বরফের ধস নেমে আসে। ফলে ওখানে আটকে পড়েন সকলে। উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সকলকে উদ্ধার করে। সকলকেই নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাওয়া হলেও পরে তুষারপাতের ফলে আহত দুই সেনা সদস্য মারা যায়।

আবহাওয়া সংক্রান্ত দুর্ঘটনায় সিয়াচেন হিমবাহে সেনামৃত্যুর ঘটনা বহুবারই ঘটতে দেখা গিয়েছে। কেবল এই মাসেই এমন দুর্ঘটনা ঘটল তৃতীয়বার। এর আগে গত ১৪ এপ্রিল তুষারধসের ফলে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান এক ভারতীয় সেনা অফিসার।

তুষারপাতের কবলে কেবল টহলরত সেনারাই নয়, সেনা পোস্টগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে ২০১৬ সালে উত্তর সিয়াচেনে সেনাবাহিনীর একটি শিবিরে তুষারপাতের ধাক্কায় দশজন সেনা বরফের ভিতরে তলিয়ে যায়।

প্রসঙ্গত, কারাকোরাম পর্বতমালার অন্তর্গত সিয়াচেন হিমবাহ ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত। এটিই পৃথিবীর উচ্চতম সামরিক ক্ষেত্র। এমন উচ্চতায় তুষারপাত ও ভূমিধস খুবই সাধারণ ঘটনা। শীতের কামড়ে তাপমাত্রা মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও নেমে যায়। এমন প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করেই এখানে জীবনধারণ করতে হয় মোতায়েন সেনা সদস্যদের। ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই হিমবাহে সারা বছরই প্রহরারত থাকে ভারতীয় সেনারা। নিচে নামার কোনও উপায় থাকে না। কেননা সেক্ষেত্রে শত্রুদেশ এসে দখল করে নিতে পারে এই হিমবাহ।