1. [email protected] : admi2017 :
বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
র‌্যাব-৪ রাজধানীর গোপনে ধারনকৃত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ পর গ্রেফতার বাঘায় বুদ্ধি ও অটিষ্ট্রিক প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে শীতবস্ত্র বিতরণ বেতাগী থানাকে মাদক ও বাল্য বিবাহ মুক্ত করার ঘোষনা অফিসার ইনচার্জ শাহ আলম পাথরঘাটায় কমিউনিটি পুলিশিং সভা রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল এর মালিক র‍্যাব-৩ হাতে গ্রেফতার আমাদের কাগজ স্প্যাকম্যান মিডিয়া গ্রুপের শিল্পী লি চো-হি আসন্ন কোরিয়ান টিভি নাটকে অভিনয় করতে চলেছেন, রাষ্ট্রপতি জিওং ইয়াক-ইয়ং, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুক্তি পাবে গাজীপুর শহরের কে এই নেতা বাবুল ওরফে ঘাড়কাটা বাবুল রাজনীতির ব্যানার দিয়ে অন্তরালে করছে চাঁদাবাজি নিরব প্রশাসন সাধারণ মানুষের অভিযোগ বাঘায় বাবার সামনে থেকে ছেলেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধরের অভিযোগ, উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি বাঘায় শিয়ালের কামড়ে ২ বছরের শিশুসহ আহত-৫

মাদারীপুরের অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র শকুনী লেক

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১, ৬.০১ পূর্বাহ্ণ
  • ৫৬ বার পঠিত

মাদারীপুর অনলাইন রিপোর্ট।।

সারাদিনের কর্মব্যস্তত, ক্লান্তি আর অবসাদ দূর করতে মানুষ খোঁজে একটু বিনোদন। আর বিনোদনের স্থানটি যদি হয় সুস্থ, সুন্দর ও মননশীল তবে তা ব্যক্তির জন্য হয়ে দাঁড়ায় বিশাল পাওয়া। মাদারীপুরে তেমনই এক বিনোদন কেন্দ্রর নাম শকুনী লেক। মাদারীপুরের সর্বস্তরের মানুষের বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু এই লেক। দিনের অধিকাংশ সময়েই শিশু, তরুণ, যুবক ও সব ধরনের লোকের পদচারণায় মুখর থাকে লেকটি। সকালে নানা শ্রেণী, পেশা ও বয়সের মানুষ হাটতে আসে এখানে। আর বিকেল হলেই শুরু হয়ে যায় দর্শনার্থীদের আনাগোনা। দর্শনার্থীরা লেকের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করে মনভরে। বিশেষ দিনগুলোতে তিল পরিমান জায়গা খালি থাকে না ঐতিহ্যবাহী এই লেকের।শুধু মাদারীপুর নয় আশে-পাশের জেলা থেকেও দর্শনার্থীরা আসেন লেকের অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে। লেকের পাড়ে গড়ে উঠেছে অনেকগুলো হোটেল ও রেস্টুরেন্ট।যাতে কর্মসংস্থান হয়েছে বেশ কিছু মানুষের। প্রশাসন সূএে জানা যায়, শহরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত এই লেকটির আয়তন ১,০১,১৭২ বর্গমিটার। লেকটির দৈর্ঘ্য ৪৮৬ মিটার ও প্রস্থ ১৯৮ মিটার। পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁ নদীর  ভাঙন  রক্ষায় ১৯৪৩ সালে লেকটি খনন করে এর চারপাশে নতুন শহর স্থাপন করা হয়। চল্লিশের দশকে এ অঞ্চলে মাটিকাটা শ্রমিকের অভাব থাকায় ২০ একর আয়তনের এই  লেক খনন করার জন্য তৎকালীন  ব্রিটিশ প্রশাসন ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা অঞ্চল থেকে দুই হাজার শ্রমিক ভাড়া করে আনে। ৯ মাসে লেকের খনন কাজ শেষ হয়। এটি এ অঞ্চলের দীর্ঘতম লেক হিসেবে পরিচিত। পরব
পরবর্তীতে  মাদারীপুর পৌরসভা ২০১৩ সালে ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে লেকটির সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ শেষ করে। লেকটিতে রয়েছে বঙ্গবন্ধু মুর‍্যাল, শহীদ কানন চত্তর, শিশুপার্ক, স্বাধীনতা অঙ্গন, এমপি থিয়েটার মঞ্চ, শান্তি ঘাটলা, পানাহারসহ মাদারীপুর ঘড়ি নামে একটি ওয়াচ টাওয়ার। স্থানীয়দের মতে, ভবিষ্যতে লেকটি শুধু মাদারীপুরের নয় বরং অএ অঞ্চলের অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র ও দর্শনীয় স্থান  হিসেবে পরিগনিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazarsomoyer14
© All rights reserved  2019-2021

Dailysomoyerkontha.com