ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর রাজস্ব কর্মকর্তার মতিউর রহমানের অবৈধ সম্পদের খোঁজ মিলেছে এবার দুদক ভারতের সঙ্গে সই হতে পারে ১০টির বেশি চুক্তি ও এমওইউ প্রধানমন্ত্রী নয়াদিল্লি যাচ্ছে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংক থেকে বাংলাদেশিদের অর্থ তুলে নেওয়ার হার গত কয়েক বছর ধরে বাড়ছে ভাঙা কালভার্টের সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত দেশের ক্ষতি চায় বিএনপি’ভারতের সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক সৃষ্টি করে রাশিয়ার দুটি জ্বালানি ডিপোতে ড্রোন হামলায় আগুন যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেনজীর ও আছাদুজ্জামানের সম্পদ নিয়ে এবার মুখ খুললেন বছরে ৯২ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়: সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মতিউর রহমান একজন জাতীয় রাজস্ব কর্মকর্তা। বর্তমানে কাস্টমস তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের পাহাড় রয়েছে

খুলনায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড

আদালত রিপোর্টার।।

খুলনায় ওষুধ ব্যবসায়ী ফিরোজ শেখ হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও অপর পাঁচ আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে এগারোটায় জনাকীর্ণ আদালতে খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. ইয়ারব হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-ফরিদ মোল্লা, মেজবাহ মোল্লা, মোরতোজা ও টুটুল। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-মোস্ত মোল্লা, সেলিম শিকদার, নাসির শিকদার, মেহেদী মোল্লা ও শহিদুল শিকদার। রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোরতোজা ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মেহেদী আদালতে অনুপস্থিত (পলাতক) ছিলেন। মামলায় অপর চার আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে খালাস দেওয়া হয়েছে।আদালত সূত্র জানায়, ২০১০ সালের ১৫ আগস্ট রাতে তেরখাদা উপজেলার কাটেঙ্গা গ্রামে ওষুধ ব্যবসায়ী ফিরোজ শেখকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দুর্বৃত্তরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রাতেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছোটভাই হিরু শেখ ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে তেরখাদা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৩ সালের ৬ ডিসেম্বর ১৫ জনের নামে আদালতে চার্জশিট দাখিল হয়। ৩০ জন সাক্ষী মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এপিপি অ্যাডভোকেট এম. ইলিয়াস খান।

আরো খবর.......

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর রাজস্ব কর্মকর্তার মতিউর রহমানের অবৈধ সম্পদের খোঁজ মিলেছে এবার দুদক

খুলনায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট টাইম : ১১:২৪:০০ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১

আদালত রিপোর্টার।।

খুলনায় ওষুধ ব্যবসায়ী ফিরোজ শেখ হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও অপর পাঁচ আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে এগারোটায় জনাকীর্ণ আদালতে খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. ইয়ারব হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-ফরিদ মোল্লা, মেজবাহ মোল্লা, মোরতোজা ও টুটুল। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-মোস্ত মোল্লা, সেলিম শিকদার, নাসির শিকদার, মেহেদী মোল্লা ও শহিদুল শিকদার। রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোরতোজা ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মেহেদী আদালতে অনুপস্থিত (পলাতক) ছিলেন। মামলায় অপর চার আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে খালাস দেওয়া হয়েছে।আদালত সূত্র জানায়, ২০১০ সালের ১৫ আগস্ট রাতে তেরখাদা উপজেলার কাটেঙ্গা গ্রামে ওষুধ ব্যবসায়ী ফিরোজ শেখকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দুর্বৃত্তরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রাতেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছোটভাই হিরু শেখ ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে তেরখাদা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৩ সালের ৬ ডিসেম্বর ১৫ জনের নামে আদালতে চার্জশিট দাখিল হয়। ৩০ জন সাক্ষী মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এপিপি অ্যাডভোকেট এম. ইলিয়াস খান।