ঢাকা ০২:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
বিমসটেক সদস্য দেশগুলোকে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার মৃত সন্তান প্রসবে বাংলাদেশ এখনো দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার নবীনগরে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথ বাহিনী মোতায়েন জেলা ও ইউনিয়ন নগরজুড়ে ছোট নেতার বড় পোস্টার ডা. বোরহানে অবৈধ সিন্ডিকেটে দুর্ভোগের শিকার রোগীরা বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা-মারধর, গ্রেপ্তার ৩ থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা শ্রীপুরে ট্রেনের পাওয়ার কারে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ মার্কিন শুল্ক মোকাবিলা ও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

রাণীশংকৈলে অনাবৃষ্টির কারণে ঝরে যাচ্ছে আম-লিচু

তাহেরুল ইসলাম তামিম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি (ঠাকুরগাঁও)।
  • আপডেট টাইম : ১০:৩৭:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ মে ২০২৩
  • / ১৬৫ ৫০০০.০ বার পাঠক

তীব্র খরা আর দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে উত্তরাঞ্চল ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে অনাবৃষ্টির কারণে ঝরে পড়ছে আম ও লিচুর গুটি। গাছে পানি আর কীটনাশক প্রয়োগ করেও মিলছে না প্রতিকার। গেল কয়েক বছরের তুলনায় চলতি বছর গাছে মুকুল এসেছিল ব্যাপক। সেই সাথে গুটিও হয়েছে ভালো। এরই মধ্যে হৃষ্টপুষ্ট হতে শুরু করেছে আম ও লিচু। কিন্তু প্রকৃতির বিরুপ প্রতিক্রিয়ায় তীব্র দাবদাহে এখন দিশেহারা বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। ফলন ধরে রাখতে বাড়তি পরিচর্যা করছেন তারা।

এ উপজেলায় হিমসাগর, আম্রপালি ল্যাংড়া, হাড়িভাঙ্গা, গোপালভোগ,বরি- ৪, আশ্বিনা, মল্লিকাসহ নানান জাতের আম উৎপাদন হয়ে থাকে। এপ্রিলের টানা তীব্র দাবদাহে এবার দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে বাগান মালিকদের। তীব্র তাপে ঝড়ে যাচ্ছে আম ও লিচুর গুটি। সেচ ও প্রতিষেধক দিয়েও মিলছে না প্রতিকার।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর শহরের ভান্ডারার লিচু চাষী কামাল হোসেন জানান গত বছরের তুলনায় এবার গাছের ফল ভালো এসেছিল, কিন্তু অতিরিক্ত খরার কারণে লিচু গাছে থেকে ঝরে যাচ্ছে, সবরকমের কীটনাশক এবং জমিতে নিয়মিত সেছ দিচ্ছি, একটা বাড়তি খরচ হচ্ছে কিছু, তারপরও আমরা ঝরেপড়া ঠেকাতে পারছিনা।
আম চাষী রাব্বি ইসলামের সাথে কথা হয়, তিনি সকালের সময়কে জানান, এ বছরের তাপদাহ খুব বেশি, এতে আম খুব বেশি ঝরে যাচ্ছে, বাগানে সেচ দিলেও সমস্যা না দিলেও সমস্যা, এতে আমরা খুব দুশ্চিন্তায় পড়েছি, ফলন নিয়ে আমরা বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারি।

রাণীশংকৈলে পৌর শহরের আম চাষী সাবেক পৌর কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম সকালের সময়কে জানান, নিয়মিত ভাবে আমরা সেচ দিয়ে যাচ্ছি, তারপরও আম ঝরে যাচ্ছে, তাছাড়া বর্তমানে ডিজেলের যে দাম লেভার খরচ বেশি, নিয়মিত সেচ দিতে হলে আমাদের বাড়তি খরচ হয়ে যাচ্ছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রাণীশংকৈলে, বৈশাখের শেষ প্রান্তে এসেও দেখা মিলেনি বৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ের।

রাণীশংকৈল উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সঞ্জয় দেবনাথ, সময়ের কন্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এ উপজেলায় ৬’শত হেক্টর আম ও ৬০ হেক্টর লিচু বাগান রয়েছে, অনাবৃষ্টির কারণে এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমরা কৃষকদের সেচ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি, সেচের কোনো বিকল্প নেই।

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাণীশংকৈলে অনাবৃষ্টির কারণে ঝরে যাচ্ছে আম-লিচু

আপডেট টাইম : ১০:৩৭:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ মে ২০২৩

তীব্র খরা আর দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে উত্তরাঞ্চল ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে অনাবৃষ্টির কারণে ঝরে পড়ছে আম ও লিচুর গুটি। গাছে পানি আর কীটনাশক প্রয়োগ করেও মিলছে না প্রতিকার। গেল কয়েক বছরের তুলনায় চলতি বছর গাছে মুকুল এসেছিল ব্যাপক। সেই সাথে গুটিও হয়েছে ভালো। এরই মধ্যে হৃষ্টপুষ্ট হতে শুরু করেছে আম ও লিচু। কিন্তু প্রকৃতির বিরুপ প্রতিক্রিয়ায় তীব্র দাবদাহে এখন দিশেহারা বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। ফলন ধরে রাখতে বাড়তি পরিচর্যা করছেন তারা।

এ উপজেলায় হিমসাগর, আম্রপালি ল্যাংড়া, হাড়িভাঙ্গা, গোপালভোগ,বরি- ৪, আশ্বিনা, মল্লিকাসহ নানান জাতের আম উৎপাদন হয়ে থাকে। এপ্রিলের টানা তীব্র দাবদাহে এবার দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে বাগান মালিকদের। তীব্র তাপে ঝড়ে যাচ্ছে আম ও লিচুর গুটি। সেচ ও প্রতিষেধক দিয়েও মিলছে না প্রতিকার।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর শহরের ভান্ডারার লিচু চাষী কামাল হোসেন জানান গত বছরের তুলনায় এবার গাছের ফল ভালো এসেছিল, কিন্তু অতিরিক্ত খরার কারণে লিচু গাছে থেকে ঝরে যাচ্ছে, সবরকমের কীটনাশক এবং জমিতে নিয়মিত সেছ দিচ্ছি, একটা বাড়তি খরচ হচ্ছে কিছু, তারপরও আমরা ঝরেপড়া ঠেকাতে পারছিনা।
আম চাষী রাব্বি ইসলামের সাথে কথা হয়, তিনি সকালের সময়কে জানান, এ বছরের তাপদাহ খুব বেশি, এতে আম খুব বেশি ঝরে যাচ্ছে, বাগানে সেচ দিলেও সমস্যা না দিলেও সমস্যা, এতে আমরা খুব দুশ্চিন্তায় পড়েছি, ফলন নিয়ে আমরা বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারি।

রাণীশংকৈলে পৌর শহরের আম চাষী সাবেক পৌর কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম সকালের সময়কে জানান, নিয়মিত ভাবে আমরা সেচ দিয়ে যাচ্ছি, তারপরও আম ঝরে যাচ্ছে, তাছাড়া বর্তমানে ডিজেলের যে দাম লেভার খরচ বেশি, নিয়মিত সেচ দিতে হলে আমাদের বাড়তি খরচ হয়ে যাচ্ছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রাণীশংকৈলে, বৈশাখের শেষ প্রান্তে এসেও দেখা মিলেনি বৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ের।

রাণীশংকৈল উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সঞ্জয় দেবনাথ, সময়ের কন্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এ উপজেলায় ৬’শত হেক্টর আম ও ৬০ হেক্টর লিচু বাগান রয়েছে, অনাবৃষ্টির কারণে এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমরা কৃষকদের সেচ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি, সেচের কোনো বিকল্প নেই।