ঢাকা ০৫:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
ঘুসের টাকা নিতে বিকাশ নাম্বার দিয়ে যান পিডিবির প্রকৌশলী ব্যাংককে ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক গঠনমূলক সম্পর্ক নষ্ট করে এমন বক্তব্য এড়িয়ে চলার আহ্বান মোদির বিমসটেক সদস্য দেশগুলোকে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার মৃত সন্তান প্রসবে বাংলাদেশ এখনো দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার নবীনগরে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথ বাহিনী মোতায়েন জেলা ও ইউনিয়ন নগরজুড়ে ছোট নেতার বড় পোস্টার ডা. বোরহানে অবৈধ সিন্ডিকেটে দুর্ভোগের শিকার রোগীরা বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা-মারধর, গ্রেপ্তার ৩ থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

সরকারি নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পরিবেশ ধ্বংস করে উৎপাদনে ব্যস্ত নারায়ণগঞ্জের চুন কারখানার মালিকরা (পর্ব-১)

সময়ের কন্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : ১২:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মে ২০২২
  • / ২৭৪ ৫০০০.০ বার পাঠক

এম.ডি.এন.মাইকেলঃ

নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জে সরকারি নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নির্বিঘ্নে পরিবেশ ক্ষতিকারক চুন উৎপাদন করে যাচ্ছে ১৫টি কারখানার মালিকরা,সরোজমিনে প্রতিটি কারখানাগুলোতে গিয়ে দেখা যায় চুন কারখানার বিষাক্ত কালো ধোঁয়ার কারণে আবাসিক এলাকায় বসবাসকারীদের বিভিন্ন প্রকার সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়,চুন কারখানার আশেপাশে বসবাসকারীদের সাথে কথা বলে জানা যায় চুন কারখানার বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশু এবং বৃদ্ধরা স্থানীয়রা বিভিন্ন সময় চুল কারখানা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে আন্দোলন করার করে পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে চুন কারখানা গুলোর পরিবেশ এর ছাড়পত্র বন্ধ করে দেয় এবং পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে চুন কারখানার মালিকদের নোটিশের মাধ্যমে কারখানা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করে,পরিবেশ অধিদপ্তরের নোটিশ পাওয়ার পরেও আজ দুই বছর যাবত একটি কারখানা ও অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি চুন কারখানার মালিকরা. এইদিকে চুন কারখানার বিষাক্ত কালো ধোঁয়ার কারণে গাছগুলো মারা যাচ্ছে গাছগুলো মরে যাওয়ার কারণে আবাসিক এলাকায় বসবাসকারী মানুষের অক্সিজেন শূন্যতা দেখা দিচ্ছে.এই বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের নারায়ণগঞ্জ শাখার সহ-কারী পরিচালক এস.কে মজাহিদ কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন অনেকদিন আগেই নারায়ণগঞ্জের চুন কারখানাগুলোর পরিবেশ ছাড়পত্র বাতিল করা হয়েছে এবং তা মালিকপক্ষকে বারবার নোটিশ করা হচ্ছে অন্যত্র চলে যাওয়ার জন্য এর বেশি তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি.অনেক খোঁজাখুঁজির পরে অবশেষে চুন কারখানার একজন মালিকের সন্ধান পাওয়া যায় নাম না প্রকাশ করার শর্তে তিনি এই প্রতিবেদক এর সাথে কথা বলতে রাজি হন,এক প্রশ্নের জবাবে জনৈক মালিক বলেন সরকার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কিন্তু আমাদেরকে তো কারখানা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জায়গা দেয়নি তাই আমরা এখানেই উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছি.অনুসন্ধান অব্যাহত বিস্তারিত আগামী পর্বে,

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সরকারি নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পরিবেশ ধ্বংস করে উৎপাদনে ব্যস্ত নারায়ণগঞ্জের চুন কারখানার মালিকরা (পর্ব-১)

আপডেট টাইম : ১২:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মে ২০২২

এম.ডি.এন.মাইকেলঃ

নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জে সরকারি নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নির্বিঘ্নে পরিবেশ ক্ষতিকারক চুন উৎপাদন করে যাচ্ছে ১৫টি কারখানার মালিকরা,সরোজমিনে প্রতিটি কারখানাগুলোতে গিয়ে দেখা যায় চুন কারখানার বিষাক্ত কালো ধোঁয়ার কারণে আবাসিক এলাকায় বসবাসকারীদের বিভিন্ন প্রকার সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়,চুন কারখানার আশেপাশে বসবাসকারীদের সাথে কথা বলে জানা যায় চুন কারখানার বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশু এবং বৃদ্ধরা স্থানীয়রা বিভিন্ন সময় চুল কারখানা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে আন্দোলন করার করে পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে চুন কারখানা গুলোর পরিবেশ এর ছাড়পত্র বন্ধ করে দেয় এবং পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে চুন কারখানার মালিকদের নোটিশের মাধ্যমে কারখানা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করে,পরিবেশ অধিদপ্তরের নোটিশ পাওয়ার পরেও আজ দুই বছর যাবত একটি কারখানা ও অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি চুন কারখানার মালিকরা. এইদিকে চুন কারখানার বিষাক্ত কালো ধোঁয়ার কারণে গাছগুলো মারা যাচ্ছে গাছগুলো মরে যাওয়ার কারণে আবাসিক এলাকায় বসবাসকারী মানুষের অক্সিজেন শূন্যতা দেখা দিচ্ছে.এই বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের নারায়ণগঞ্জ শাখার সহ-কারী পরিচালক এস.কে মজাহিদ কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন অনেকদিন আগেই নারায়ণগঞ্জের চুন কারখানাগুলোর পরিবেশ ছাড়পত্র বাতিল করা হয়েছে এবং তা মালিকপক্ষকে বারবার নোটিশ করা হচ্ছে অন্যত্র চলে যাওয়ার জন্য এর বেশি তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি.অনেক খোঁজাখুঁজির পরে অবশেষে চুন কারখানার একজন মালিকের সন্ধান পাওয়া যায় নাম না প্রকাশ করার শর্তে তিনি এই প্রতিবেদক এর সাথে কথা বলতে রাজি হন,এক প্রশ্নের জবাবে জনৈক মালিক বলেন সরকার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কিন্তু আমাদেরকে তো কারখানা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জায়গা দেয়নি তাই আমরা এখানেই উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছি.অনুসন্ধান অব্যাহত বিস্তারিত আগামী পর্বে,