ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
ইসিতে প্রবেশ নিয়ে ৮ নির্দেশনা নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে ড. ইউনূসকে আমন্ত্রণ মোংলায় রমজানকে স্বাগত জানিয়ে ইসলামী আন্দোলনের মিছিল জোর করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিতে বাধ্য করায় মাছুম হাওলাদার (ওরফে রাঙ্গা মাছুম) এর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবাদ সভা সৈন্যরা দেশের প্রয়োজনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে দায়িত্ব পালন করবে: সেনাপ্রধান দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে ফের একসঙ্গে তিন ঘূর্ণিঝড়, কিসের ইঙ্গিত শতাধিক গোয়েন্দাকে চাকরিচ্যুত করছেন তুলসী গ্যাবার্ড সংস্কার-স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে জনগণের সামনে ধুম্রজাল সৃষ্টি করা হচ্ছে : তারেক রহমান পিরোজপুর জেলার, মঠবাড়িয়া উপজেলায়, অজ্ঞাতনামা এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার সদর দক্ষিন থানার এস আই জিয়ার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সাথে অশদাচরণের : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বরাবরে বিচার দাবি

সুন্দরগঞ্জে রোপা আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

সময়ের কন্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অক্টোবর ২০২১
  • / ২৩৮ ৫০০০.০ বার পাঠক

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় এবছর রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলনের অধিক সম্ভাবনা রয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলায় এবার বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় উঁচু নিচু সব জমিতে সমানভাবে উঠতি রোপা আমন ধানের চারা বেড়ে ওঠার সবুজ দৃশ্য। যে দিকে চোখ যায় সেদিকেই লক্ষ করা গেছে কৃষকের সবুজ স্বপ্ন। বিশেষ করে স্থানীয় জাতের বিনা ধান- ১৭, ব্রি ধান-৭০,৭১,৭৫, ৮০,৮৭ উল্লেখ যোগ্য। এছাড়া হাইব্রিড এরাইজ, মানা গোল্ড ও বায়ার-৬ ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এ মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে হওয়ায় এবং কৃষি অধিদপ্তরের নিয়মিত তদারকির ফলে ক্ষেতের মাঠে পোকামাকড়ের উপদ্রব নাই বললেই চলে। যার কারণে যে যেখানে ধান রোপণ করেছে সেখানেই বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। আর কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ধানে ধানে পূর্ণ হবে কৃষকের গোলা। ইতোমধ্যেই কৃষকদের মনে আশার আলো লক্ষ করা গেছে। শান্তিরাম ইউনিয়নের পশ্চিম পরাণ গ্রামের কৃষক মসলিম উদ্দিন জানান,মুই বারো বিঘা জমিত ধান গাড়ছোম আল্লাহ কোনো দইবোদশা না দিলে অনেক ধান পাইম।ধানের দামও ভালো পাওয়া যাইবে ইনশাল্লাহ। রামজীবন ইউনিয়নের কৃষক কলিম উদ্দিন বলেন, কৃষি স্যারের ঘরে সহযোগিতায় আমার ধান একদম পোকামাকড় ও রোগব্যাধি মুক্ত। কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য মতে এবছর উপজেলায় রোপা আমন ধানের লক্ষ মাত্রা ছিল,২৮ হাজার ১৯৩ হেক্টর। অর্জন হয়েছে, ২৮ হাজার ৬০০ হেক্টর জমি। তন্মধ্যে এই প্রথম বারের মত ৫৪৭ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড ধান রোপণ করা হয়েছে। আর বাকী জমিগুলোতে রোপন করা হয়েছে উফশী ও স্থানীয় জাতের ধান। উপজেলার ১৫ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌর সভায় কৃষি অফিসারের দিকনির্দেশনায় ২ জন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার এবং ৪৬ জন উপ-সহকারী কৃষি অফিসার দেখভাল করেন।
এনিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ ফরিদুল হকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ক্ষেতের মাঠের অবস্থা অত্যন্ত ভাল। কোন রোগবালাই নাই। আমরা কৃষকের সমস্যা সমাধানে সবসময় পাশে আছি। এব্যাপারে কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাশিদুল কবিরের সাথে কথা হলে তিনি জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে দু একটি জমিতে পাতা হলদে ভাব সৃষ্টি হলে আমরা দ্রুত প্রচার-প্রচারণা ও কৃষকদের নিয়ে পরামর্শ সভা করি। এতে করে ধানের চারা স্বাভাবিক হয়। সবি মিলে দেখা যাচ্ছে সুন্দরগঞ্জে রোপা আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে ইনশাআল্লাহ।

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সুন্দরগঞ্জে রোপা আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

আপডেট টাইম : ০৪:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অক্টোবর ২০২১

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় এবছর রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলনের অধিক সম্ভাবনা রয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলায় এবার বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় উঁচু নিচু সব জমিতে সমানভাবে উঠতি রোপা আমন ধানের চারা বেড়ে ওঠার সবুজ দৃশ্য। যে দিকে চোখ যায় সেদিকেই লক্ষ করা গেছে কৃষকের সবুজ স্বপ্ন। বিশেষ করে স্থানীয় জাতের বিনা ধান- ১৭, ব্রি ধান-৭০,৭১,৭৫, ৮০,৮৭ উল্লেখ যোগ্য। এছাড়া হাইব্রিড এরাইজ, মানা গোল্ড ও বায়ার-৬ ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এ মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে হওয়ায় এবং কৃষি অধিদপ্তরের নিয়মিত তদারকির ফলে ক্ষেতের মাঠে পোকামাকড়ের উপদ্রব নাই বললেই চলে। যার কারণে যে যেখানে ধান রোপণ করেছে সেখানেই বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। আর কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ধানে ধানে পূর্ণ হবে কৃষকের গোলা। ইতোমধ্যেই কৃষকদের মনে আশার আলো লক্ষ করা গেছে। শান্তিরাম ইউনিয়নের পশ্চিম পরাণ গ্রামের কৃষক মসলিম উদ্দিন জানান,মুই বারো বিঘা জমিত ধান গাড়ছোম আল্লাহ কোনো দইবোদশা না দিলে অনেক ধান পাইম।ধানের দামও ভালো পাওয়া যাইবে ইনশাল্লাহ। রামজীবন ইউনিয়নের কৃষক কলিম উদ্দিন বলেন, কৃষি স্যারের ঘরে সহযোগিতায় আমার ধান একদম পোকামাকড় ও রোগব্যাধি মুক্ত। কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য মতে এবছর উপজেলায় রোপা আমন ধানের লক্ষ মাত্রা ছিল,২৮ হাজার ১৯৩ হেক্টর। অর্জন হয়েছে, ২৮ হাজার ৬০০ হেক্টর জমি। তন্মধ্যে এই প্রথম বারের মত ৫৪৭ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড ধান রোপণ করা হয়েছে। আর বাকী জমিগুলোতে রোপন করা হয়েছে উফশী ও স্থানীয় জাতের ধান। উপজেলার ১৫ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌর সভায় কৃষি অফিসারের দিকনির্দেশনায় ২ জন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার এবং ৪৬ জন উপ-সহকারী কৃষি অফিসার দেখভাল করেন।
এনিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ ফরিদুল হকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ক্ষেতের মাঠের অবস্থা অত্যন্ত ভাল। কোন রোগবালাই নাই। আমরা কৃষকের সমস্যা সমাধানে সবসময় পাশে আছি। এব্যাপারে কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাশিদুল কবিরের সাথে কথা হলে তিনি জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে দু একটি জমিতে পাতা হলদে ভাব সৃষ্টি হলে আমরা দ্রুত প্রচার-প্রচারণা ও কৃষকদের নিয়ে পরামর্শ সভা করি। এতে করে ধানের চারা স্বাভাবিক হয়। সবি মিলে দেখা যাচ্ছে সুন্দরগঞ্জে রোপা আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে ইনশাআল্লাহ।