ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলে হামলা চালাতে পারে ইরান হাজারীবাগের ঝাউচরের মোড় এলাকার অগ্নি নবনির্বাচিত আইরিশ প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন পাকুন্দিয়া থানা পুলিশের অভিযানে ২বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার ১ খালেদা জিয়ার বাসভবনে বিএনপির শীর্ষ নেতারা কেএনএফের প্রধান নাথান বমের স্ত্রীকে তাৎক্ষণিক বদলি রাজধানী ঢাকায় মসজিদে গাউছুল আজমে ঈদ জামাতে ফিলিস্তিন-কাশ্মীরিদের জন্য বিশেষ দোয়া নরসিংদী জেলা বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নরসিংদী জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক কোস্টগার্ড কর্তৃক পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লঞ্চ ও খেয়া ঘাট সমূহে নিরাপত্তা টহল প্রদান রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে “মাসব্যাপী ইফতার বিতরণ কর্মসুচি-২০২৪” পালিত

ইউরোপীয় নেতাদের ফোনে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের আড়ি পাতার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক রিপোর্ট।।

ইউরোপীয় নেতাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গোয়েন্দাগিরি করেছে বলে এক প্রতিবেদনে অভিযোগ উঠেছে। যেসব নেতাদের ওপর গোয়েন্দাগিরি করা হয়েছে তাদের মধ্যে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের মতো নেতাও রয়েছেন।

ডেনমার্কের টেলিভিশন চ্যানেল ডিআর এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত গোয়েন্দাগিরির মাধ্যমে তথ্য যোগাড় করতে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সিকে (এনএসএ) সহায়তা করেছে ডেনমার্কের ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (এফই)।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের কাছে জবাবদিহি দাবি করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো। যেসব নেতারা জবাবদিহি চেয়েছেন তাদের মধ্যে অ্যাঙ্গেলা মেরকেলও রয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এফই ও এনএসএ এখনও কোনও মন্তব্য করেনি।

ডেনমার্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ট্রাইন ব্র্যামসেন এই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত বা অস্বীকার করেননি। তবে এএফপিকে তিনি বলেছেন, ঘনিষ্ঠ মিত্রদের পদ্ধতিগত গোয়েন্দাগিরি অগ্রহণযোগ্য।

এই গোয়েন্দাগিরি যখন করা হয় তখন ট্রাইন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন না।

এ বিষয়ে অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের সঙ্গে কথা বলে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো বলেছেন, ‘মিত্রদের মধ্যে এটি গ্রহণযোগ্য নয়, এমনকি মিত্র ও ইউরোপীয় অংশীদারদের মধ্যেও নয়।’

মেরকেল বলেছেন, তিনি ম্যাঁক্রোর মন্তব্যের সঙ্গে একমত।

জার্মানি, ফ্রান্স, সুইডেন ও নরওয়ের অন্যান্য নেতৃবৃন্দের তথ্যও সংগ্রহ করেছে গোয়েন্দাসংস্থাগুলো। এই দেশগুলোও এ ঘটনার ব্যাখ্যা দাবি করেছে।

নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সলবার্গ বলেছেন, ‘যে দেশগুলোর ঘনিষ্ঠ মিত্র রয়েছে তারা একে অন্যের ওপর গোয়েন্দাগিরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলে এটা অগ্রহণযোগ্য।’

অভিযোগ উঠেছে, এফই’র সহযোগিতায় ডেনমার্কের ইন্টারনেট ক্যাবলের মাধ্যমে এনএসএ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার ফোনের মেসেজ ও আলাপ সংগ্রহ করেছে।

ডিআর-এর প্রতিবেদনে এনএসএর এই ক্রিয়াকলাপকে ‘অপারেশন ডুনহ্যামার’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে এনএসএ টেলিফোন নাম্বার ব্যবহার করে রাজনীতিকদের তথ্য সংগ্রহ করেছে।

আরো খবর.......

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলে হামলা চালাতে পারে ইরান

ইউরোপীয় নেতাদের ফোনে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের আড়ি পাতার অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৬:১৬:১৫ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১ জুন ২০২১

আন্তর্জাতিক রিপোর্ট।।

ইউরোপীয় নেতাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গোয়েন্দাগিরি করেছে বলে এক প্রতিবেদনে অভিযোগ উঠেছে। যেসব নেতাদের ওপর গোয়েন্দাগিরি করা হয়েছে তাদের মধ্যে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের মতো নেতাও রয়েছেন।

ডেনমার্কের টেলিভিশন চ্যানেল ডিআর এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত গোয়েন্দাগিরির মাধ্যমে তথ্য যোগাড় করতে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সিকে (এনএসএ) সহায়তা করেছে ডেনমার্কের ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (এফই)।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের কাছে জবাবদিহি দাবি করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো। যেসব নেতারা জবাবদিহি চেয়েছেন তাদের মধ্যে অ্যাঙ্গেলা মেরকেলও রয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এফই ও এনএসএ এখনও কোনও মন্তব্য করেনি।

ডেনমার্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ট্রাইন ব্র্যামসেন এই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত বা অস্বীকার করেননি। তবে এএফপিকে তিনি বলেছেন, ঘনিষ্ঠ মিত্রদের পদ্ধতিগত গোয়েন্দাগিরি অগ্রহণযোগ্য।

এই গোয়েন্দাগিরি যখন করা হয় তখন ট্রাইন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন না।

এ বিষয়ে অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের সঙ্গে কথা বলে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো বলেছেন, ‘মিত্রদের মধ্যে এটি গ্রহণযোগ্য নয়, এমনকি মিত্র ও ইউরোপীয় অংশীদারদের মধ্যেও নয়।’

মেরকেল বলেছেন, তিনি ম্যাঁক্রোর মন্তব্যের সঙ্গে একমত।

জার্মানি, ফ্রান্স, সুইডেন ও নরওয়ের অন্যান্য নেতৃবৃন্দের তথ্যও সংগ্রহ করেছে গোয়েন্দাসংস্থাগুলো। এই দেশগুলোও এ ঘটনার ব্যাখ্যা দাবি করেছে।

নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সলবার্গ বলেছেন, ‘যে দেশগুলোর ঘনিষ্ঠ মিত্র রয়েছে তারা একে অন্যের ওপর গোয়েন্দাগিরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলে এটা অগ্রহণযোগ্য।’

অভিযোগ উঠেছে, এফই’র সহযোগিতায় ডেনমার্কের ইন্টারনেট ক্যাবলের মাধ্যমে এনএসএ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার ফোনের মেসেজ ও আলাপ সংগ্রহ করেছে।

ডিআর-এর প্রতিবেদনে এনএসএর এই ক্রিয়াকলাপকে ‘অপারেশন ডুনহ্যামার’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে এনএসএ টেলিফোন নাম্বার ব্যবহার করে রাজনীতিকদের তথ্য সংগ্রহ করেছে।