ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কাকাইলছেওয়ে কুশিয়ারার কালনী নদীর ভাঙনে নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশংকায় সাহানগর গ্রামবাসী  Logo অনেক ওয়াদা ভঙ্গ করেছে সরকার: নাহিদ ইসলাম Logo রয়টার্সের প্রতিবেদন মোজতবা খামেনির মুখমণ্ডল বিকৃত হয়েছে, ‘হারিয়েছেন পা’ তাই যুদ্ধ না থামার ঘোষণা দিলেন ইরান Logo আন্তর্জাতিক প্রভাবমুক্ত হতে পারছে না দেশ: জামায়াত আমির Logo বৃষ্টি হলেই ডুববে ঢাকা! Logo ইসলামাবাদে পৌঁছালেন মার্কিন প্রতিনিধিরা Logo সিএমপি’র আকবরশাহ থানা পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে ১২০০(এক হাজার দুইশত ) পিস ইয়াবা সহ ০২(দুই) জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার* Logo টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, মালিক পলাতক Logo দুইদিনের রিমান্ডে ঢাবি ছাত্রদলের বহিষ্কৃত নেতা অর্ণব Logo রামুর শ্রীমুরায় পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: সিএনজির ড্রাইভিং সিটের নিচে মিলল ৩০ হাজার ইয়াবা, কারবারি গ্রেপ্তার।

ভাঙ্গুড়ায় আড়াই লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর। সোমবার (১৫ অক্টোবর) রাত প্রায় বারোটার দিকে উপজেলার পুইবিল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আজম।

অভিযানে সহযোগিতা করেন ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশের একটি টিম। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতের অন্ধকারে উপজেলার পুইবিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার করা হয়। পরে তা পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। তবে জালের মালিককে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি বলে মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়দের মতে, চায়না দুয়ারী জাল অত্যন্ত সূক্ষ্ম হওয়ায় এতে ছোট ছোট মাছও ধরা পড়ে যায়, ফলে একদিকে যেমন মাছের বংশবৃদ্ধি হুমকির মুখে পড়ছে, অন্যদিকে নদী ও জলাশয়ের জীববৈচিত্র্যও ধ্বংস হচ্ছে।

মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ জাল রাখলে বা ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য সবাইকে এসব জাল ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আজম বলেন, “চায়না দুয়ারী জাল সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এই জাল দিয়ে মাছের পোনা, মা মাছ ও ছোট মাছ নির্বিচারে নিধন করা হয়। ফলে নদী ও খালের প্রাকৃতিক মাছের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।”

তিনি আরও বলেন, প্রতিনিয়ত এমন অভিযানের মাধ্যমে সাধারণ জেলেদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য জলজ সম্পদ রক্ষা করতেই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ছবি: ভাঙ্গুড়া উপজেলার পুইবিল এলাকায় উদ্ধার করা প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করছেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তারা।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাকাইলছেওয়ে কুশিয়ারার কালনী নদীর ভাঙনে নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশংকায় সাহানগর গ্রামবাসী 

ভাঙ্গুড়ায় আড়াই লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

আপডেট সময় ০৬:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর। সোমবার (১৫ অক্টোবর) রাত প্রায় বারোটার দিকে উপজেলার পুইবিল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আজম।

অভিযানে সহযোগিতা করেন ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশের একটি টিম। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতের অন্ধকারে উপজেলার পুইবিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার করা হয়। পরে তা পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। তবে জালের মালিককে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি বলে মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়দের মতে, চায়না দুয়ারী জাল অত্যন্ত সূক্ষ্ম হওয়ায় এতে ছোট ছোট মাছও ধরা পড়ে যায়, ফলে একদিকে যেমন মাছের বংশবৃদ্ধি হুমকির মুখে পড়ছে, অন্যদিকে নদী ও জলাশয়ের জীববৈচিত্র্যও ধ্বংস হচ্ছে।

মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ জাল রাখলে বা ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য সবাইকে এসব জাল ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আজম বলেন, “চায়না দুয়ারী জাল সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এই জাল দিয়ে মাছের পোনা, মা মাছ ও ছোট মাছ নির্বিচারে নিধন করা হয়। ফলে নদী ও খালের প্রাকৃতিক মাছের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।”

তিনি আরও বলেন, প্রতিনিয়ত এমন অভিযানের মাধ্যমে সাধারণ জেলেদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য জলজ সম্পদ রক্ষা করতেই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ছবি: ভাঙ্গুড়া উপজেলার পুইবিল এলাকায় উদ্ধার করা প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করছেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তারা।


প্রিন্ট