ঢাকা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্রের রণতরীতে আবারও ইয়ামেনের হামলা চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১০ ৩ মাসে সোনার দাম বেড়েছে ১৪ বার, যে কারণে বৃদ্ধি ইরান-ইয়েমেনের কাছাকাছি পারমাণবিক বোমারু বিমান মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র ঈদের তৃতীয় দিনে কেউ ঢাকায় ফিরছেন, আবার কেউ ছাড়ছেন অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর অস্ত্রপচারের জন্য ছুটি নিয়ে বাড়িতে যাওয়ার পথে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অটোরিকশার ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে ভৈরবে রেলওয়ে জংশনের সামনে সিগন্যালের তার সহ ২জন চোর গ্রেফতার মোংলায় সহকারি অ্যাটর্ণি জেনারেল মনিরুজ্জামান: গণঅভ্যুত্থানের গণআকাংখা হলো সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সুশাসন নিশ্চিত করা সংস্কার সংস্কারের মত চলবে, নির্বাচন নির্বাচনের মত// প্রধান উপদেষ্টার চীন সফর আমাদের জন্য ইতিবাচক ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নাড়ির টানে গ্রামে সবাই, রাজধানী ‘ফাঁকা’

কালকিনিতে বাঁশের তৈরী পণ্য বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন খালেক

সময়ের কন্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : ০৭:০৬:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অগাস্ট ২০২১
  • / ২৯৮ ৫০০০.০ বার পাঠক

সময়ের কন্ঠ রিপোর্টার মাদারীপুর ॥

বর্ষা মৌসুম চলছে, তাই গ্রামের লোকজন মাছ ধরার অন্যতম সামগ্রী বাঁশের তৈরী চালন ও চাইসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র সংগ্রহ করছেন । অনেকে বর্ষা শুরুহবার আগেই এসব প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনার জন্য বিভিন্ন হাট-বাজারে ছুটে যান। তাই ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন বাঁশের তৈরী সামগ্রী বানানোর কারিগররা। হাটে গেলে বাশের তৈরী এসব পণ্য ক্রয়- বিক্রয় এখন চোখে পড়ার মতো। এমনই একজন কারিগর মাদারীপুরের কালকিনি পৌর এলাকার চরবিভাগদী গ্রামের আব্দুল খালেক সরদার। তার বয়স এখন ৪৮ বছর। জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি আর আগের মতো কঠিন কাজ করতে পারেন না। তার সংসারে রয়েছেন বৃদ্ধ বাবা- মা স্ত্রী ও চার মেয়েসহ ৭জন সদস্য। আর সংসারের সমস্ত খরচ চালানোর দায়িত্ব তার উপরেই। তবে তিনি দমে যাওয়ার পাত্র নন। তিনি বিভিন্নহাটে গিয়ে ও নিজ ঘরের বারান্দায় বসে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি মাছ ধরার চালন, চাই, মাটি কাটার ওড়া ও মুরগীর খাঁচা তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তিনি বছরের ১২ মাসই এ কাজে ব্যস্ত থাকেন। তবে বর্ষা আসলে চালন ও চাইসহ মাছ ধরার সামগ্রীর চাহিদা অন্য সময়ের চেয়ে অনেকটা বেড়ে যায়। তাই তিনি এ মৌসুমে এসব তৈরী জিনিসপত্র পাইকারী-খুচরা ও বিভিন্ন হাট-বাজারে ঘুরে- ঘুরে বিক্রি করে থাকেন। বাঁশই তার কাছে জীবিকা নির্বাহের অন্যতম হাতিয়ার। এ সমস্ত তৈরী করা জিনিসপত্র বাজারে বিক্রি করে যা আয় করেন তা দিয়ে চলে তার পুরো সংসার। এব্যাপারে আব্দুল খালেক সরদার বলেন, আমি ভারি কাজ করতে পারিনা। তাই আমি এখন বাঁশ দিয়ে চালন, চাই ওড়া ও খাচা তৈরী করে বিভিন্ন হাট বাজারে বিক্রি করি। আর এ উপার্জনের টাকায় এখন আমার সংসার চলে। পরিবার নিয়ে সুখে দিন কাটাচ্ছি আমরা।

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কালকিনিতে বাঁশের তৈরী পণ্য বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন খালেক

আপডেট টাইম : ০৭:০৬:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অগাস্ট ২০২১

সময়ের কন্ঠ রিপোর্টার মাদারীপুর ॥

বর্ষা মৌসুম চলছে, তাই গ্রামের লোকজন মাছ ধরার অন্যতম সামগ্রী বাঁশের তৈরী চালন ও চাইসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র সংগ্রহ করছেন । অনেকে বর্ষা শুরুহবার আগেই এসব প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনার জন্য বিভিন্ন হাট-বাজারে ছুটে যান। তাই ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন বাঁশের তৈরী সামগ্রী বানানোর কারিগররা। হাটে গেলে বাশের তৈরী এসব পণ্য ক্রয়- বিক্রয় এখন চোখে পড়ার মতো। এমনই একজন কারিগর মাদারীপুরের কালকিনি পৌর এলাকার চরবিভাগদী গ্রামের আব্দুল খালেক সরদার। তার বয়স এখন ৪৮ বছর। জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি আর আগের মতো কঠিন কাজ করতে পারেন না। তার সংসারে রয়েছেন বৃদ্ধ বাবা- মা স্ত্রী ও চার মেয়েসহ ৭জন সদস্য। আর সংসারের সমস্ত খরচ চালানোর দায়িত্ব তার উপরেই। তবে তিনি দমে যাওয়ার পাত্র নন। তিনি বিভিন্নহাটে গিয়ে ও নিজ ঘরের বারান্দায় বসে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি মাছ ধরার চালন, চাই, মাটি কাটার ওড়া ও মুরগীর খাঁচা তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তিনি বছরের ১২ মাসই এ কাজে ব্যস্ত থাকেন। তবে বর্ষা আসলে চালন ও চাইসহ মাছ ধরার সামগ্রীর চাহিদা অন্য সময়ের চেয়ে অনেকটা বেড়ে যায়। তাই তিনি এ মৌসুমে এসব তৈরী জিনিসপত্র পাইকারী-খুচরা ও বিভিন্ন হাট-বাজারে ঘুরে- ঘুরে বিক্রি করে থাকেন। বাঁশই তার কাছে জীবিকা নির্বাহের অন্যতম হাতিয়ার। এ সমস্ত তৈরী করা জিনিসপত্র বাজারে বিক্রি করে যা আয় করেন তা দিয়ে চলে তার পুরো সংসার। এব্যাপারে আব্দুল খালেক সরদার বলেন, আমি ভারি কাজ করতে পারিনা। তাই আমি এখন বাঁশ দিয়ে চালন, চাই ওড়া ও খাচা তৈরী করে বিভিন্ন হাট বাজারে বিক্রি করি। আর এ উপার্জনের টাকায় এখন আমার সংসার চলে। পরিবার নিয়ে সুখে দিন কাটাচ্ছি আমরা।