ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

মায়ের লাশ দাফন করার পর স্ত্রী ২ সন্তানসহ লাশ হয়ে ফিরলেন মনির

খুলনা অফিস ॥ মায়ের মৃত্যু সংবাদ পেয়ে ঢাকা থেকে বাড়ি আসার পথে শিমুলিয়া নৌরুটে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে লাশ হয়ে ফিরলো খুলনার তেরখাদা উপজেলার পারোখালী গ্রামের একই পরিবারের চার জন। সোমবার সন্ধ্যায় তাদের মরদেহ নিয়ে আসা হয় তেরখাদা থানায়। রাত ৮টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তানসহ মনির শিকদারের মরদেহ থানায় ছিল বলে স্থানীয়রা জানায়। এদিকে মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ বাতাশ ভারী হয়ে উঠেছে।

সোমবার সকালে শিবচর বাংলাবাজার শিমুলিয়া নৌরুটে বালুবোঝাই বাল্কহেড ও স্পিডবোটের সংঘর্ষে ২৬ জন মারা যায়। এর মধ্যে খুলনার তেরখাদা উজেলার তেরখাদা ইউনিয়নের পারোখালী এলাকার মনির শিকদার, তার স্ত্রী হেনা বেগম, শিশু কন্যা সুমি ও রুমি মারা যায়। নিহত মনিরের ৮ থেকে ১০ বছরের শিশু কন্যা মিম বেঁচে যায়। সে তার মা বাবা ও দুই বোনকে সনাক্ত করে বলে পুলিশ জানায়।

তেরখাদা থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেন, প্রশাসনের সহহায়তায় নিহতদের মরদেহ সন্ধ্যায় আনা হয়েছে। মনির শিকদারের মা রবিবার সন্ধায় মারা গেলে তার লাশ দাফন করার জন্য স্ত্রী, তিন শিশু সন্তানকে নিয়ে মনির শিকদার তেরখাদার বাড়িতে আসছিলেন।

স্থানীয়রা জানায়, মরদেহগুলো সন্ধ্যায় তেরখাদা থানায় আনা হয়। এর পর সেখানে শোকার্ত মুনুষের ভীড় জমে। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

আরো খবর.......

জনপ্রিয় সংবাদ

মায়ের লাশ দাফন করার পর স্ত্রী ২ সন্তানসহ লাশ হয়ে ফিরলেন মনির

আপডেট টাইম : ০৫:১১:৫৯ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩ মে ২০২১

খুলনা অফিস ॥ মায়ের মৃত্যু সংবাদ পেয়ে ঢাকা থেকে বাড়ি আসার পথে শিমুলিয়া নৌরুটে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে লাশ হয়ে ফিরলো খুলনার তেরখাদা উপজেলার পারোখালী গ্রামের একই পরিবারের চার জন। সোমবার সন্ধ্যায় তাদের মরদেহ নিয়ে আসা হয় তেরখাদা থানায়। রাত ৮টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তানসহ মনির শিকদারের মরদেহ থানায় ছিল বলে স্থানীয়রা জানায়। এদিকে মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ বাতাশ ভারী হয়ে উঠেছে।

সোমবার সকালে শিবচর বাংলাবাজার শিমুলিয়া নৌরুটে বালুবোঝাই বাল্কহেড ও স্পিডবোটের সংঘর্ষে ২৬ জন মারা যায়। এর মধ্যে খুলনার তেরখাদা উজেলার তেরখাদা ইউনিয়নের পারোখালী এলাকার মনির শিকদার, তার স্ত্রী হেনা বেগম, শিশু কন্যা সুমি ও রুমি মারা যায়। নিহত মনিরের ৮ থেকে ১০ বছরের শিশু কন্যা মিম বেঁচে যায়। সে তার মা বাবা ও দুই বোনকে সনাক্ত করে বলে পুলিশ জানায়।

তেরখাদা থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেন, প্রশাসনের সহহায়তায় নিহতদের মরদেহ সন্ধ্যায় আনা হয়েছে। মনির শিকদারের মা রবিবার সন্ধায় মারা গেলে তার লাশ দাফন করার জন্য স্ত্রী, তিন শিশু সন্তানকে নিয়ে মনির শিকদার তেরখাদার বাড়িতে আসছিলেন।

স্থানীয়রা জানায়, মরদেহগুলো সন্ধ্যায় তেরখাদা থানায় আনা হয়। এর পর সেখানে শোকার্ত মুনুষের ভীড় জমে। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।