ঢাকা ০৮:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলে হামলা চালাতে পারে ইরান হাজারীবাগের ঝাউচরের মোড় এলাকার অগ্নি নবনির্বাচিত আইরিশ প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন পাকুন্দিয়া থানা পুলিশের অভিযানে ২বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার ১ খালেদা জিয়ার বাসভবনে বিএনপির শীর্ষ নেতারা কেএনএফের প্রধান নাথান বমের স্ত্রীকে তাৎক্ষণিক বদলি রাজধানী ঢাকায় মসজিদে গাউছুল আজমে ঈদ জামাতে ফিলিস্তিন-কাশ্মীরিদের জন্য বিশেষ দোয়া নরসিংদী জেলা বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নরসিংদী জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক কোস্টগার্ড কর্তৃক পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লঞ্চ ও খেয়া ঘাট সমূহে নিরাপত্তা টহল প্রদান রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে “মাসব্যাপী ইফতার বিতরণ কর্মসুচি-২০২৪” পালিত

প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ নিহত হয়।

স্টাফ রিপোর্টার।।

চট্টগ্রামঃ- আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল। ১৯৯১ সালের এই দিনে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস লন্ডভন্ড করে দিয়েছিল দেশের উপকূলীয় জনপদ। এদিন প্রায় আড়াইশ’ কিলোমিটার বেগে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত এবং ৬ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস তছনছ করে দিয়েছিল উপকূলীয় জনপদ। সেদিনের ঘটনায় দেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ নিহত হয়। ১ কোটি মানুষ তাদের সর্বস্ব হারায়। নিহতের সংখ্যা বিচারে স্মরণকালের ভয়াবহতম ঘূর্ণিঝড়গুলোর মধ্যে ৯১-এর এই ঘূর্ণিঝড় একটি।…. এই দিনটির কথা আজও ভোলেনি সন্দ্বীপের মানুষ।

নিহতের সংখ্যা বিচারে স্মরণকালের ভয়াবহতম ঘূর্ণিঝড়গুলোর মধ্যে ৯১-এর এই ঘূর্ণিঝড় একটি। ৯১-এর এই ভয়াল ঘটনা এখনও দুঃস্বপ্নের মতো তাড়িয়ে বেড়ায় উপকূলবাসীকে। ঘটনার ৩০ বছর পরও স্মৃতি থেকে মুছে ফেলতে পারছেন না সেই দুঃসহ দিনটি। গভীর রাতে ঘুম ভেঙে যায় জলোচ্ছ্বাস আর ঘূর্ণিঝড়ের কথা মনে হলে। নিহতদের লাশ, স্বজন হারানোদের আর্তচিৎকার আর বিলাপ বার বার ফিরে আসে তাদের জীবনে।

১৯৯১ সালের এদিনে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে উত্তর চট্টগ্রামের উপকুলীয় অঞ্চল সন্দ্বীপও লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। এই দিনটির কথা আজও ভোলেনি সন্দ্বীপের মানুষ। দুঃখের বিষয় দীর্ঘ ২৯ বছর বছর পর ব্লক বেড়ীবাঁধ নির্মাণ হলেও অনিয়মের অভিযোগে সত্যতা পেয়েছেন স্বয়ং পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম। এছাড়া পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেল্টার নেই সন্দ্বীপে। সন্দ্বীপে বসবাসরত প্রায় চার লাখ মানুষের জন্য সাইক্লোন শেল্টার রয়েছে ৬৫টি। প্রতি ছয় হাজার মানুষের জন্য সাইক্লোন শেল্টার একটি। একটি সাইক্লোন শেল্টারের ধারণ ক্ষমতা তিনশরও কম মানুষ। সন্দ্বীপের বেড়িবাঁধে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। রূপনগর সমাজ কল্যাণ সমিতি, চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি ডাঃ দিবাকর চন্দ্র দাস   বলেন, ১৯৯১ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্নিঝড়ে সন্দ্বীপে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ মারা গেছে। সেই দুঃসহ স্মৃতি এখনো বয়ে বেড়াচ্ছি আমরা সন্দ্বীপবাসী। সন্দ্বীপে পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টার নেই। অনেক জায়গায় এখনও বেড়িবাঁধ নেই। আবার থাকলেও কোনো বেড়িবাঁধের উচ্চতা চার ফুটের বেশি নয়। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে সন্দ্বীপকে রক্ষা করতে দ্বীপের চারদিকে কমপক্ষে ১৫ ফুট উঁচু বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা জরুরি।

রূপনগর সমাজ কল্যাণ সমিতি, কেন্দ্রীয় কমিটির  বলেন সভাপতি জনাব ডাঃ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, উপকূল বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। ১৯৯১ সালে ২৯ এপ্রিল প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের ভয়াল রাতে সন্দ্বীপে প্রায় ২০-৩০ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।

আরো খবর.......

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলে হামলা চালাতে পারে ইরান

প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ নিহত হয়।

আপডেট টাইম : ০৮:৩০:২৬ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৮ এপ্রিল ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার।।

চট্টগ্রামঃ- আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল। ১৯৯১ সালের এই দিনে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস লন্ডভন্ড করে দিয়েছিল দেশের উপকূলীয় জনপদ। এদিন প্রায় আড়াইশ’ কিলোমিটার বেগে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত এবং ৬ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস তছনছ করে দিয়েছিল উপকূলীয় জনপদ। সেদিনের ঘটনায় দেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ নিহত হয়। ১ কোটি মানুষ তাদের সর্বস্ব হারায়। নিহতের সংখ্যা বিচারে স্মরণকালের ভয়াবহতম ঘূর্ণিঝড়গুলোর মধ্যে ৯১-এর এই ঘূর্ণিঝড় একটি।…. এই দিনটির কথা আজও ভোলেনি সন্দ্বীপের মানুষ।

নিহতের সংখ্যা বিচারে স্মরণকালের ভয়াবহতম ঘূর্ণিঝড়গুলোর মধ্যে ৯১-এর এই ঘূর্ণিঝড় একটি। ৯১-এর এই ভয়াল ঘটনা এখনও দুঃস্বপ্নের মতো তাড়িয়ে বেড়ায় উপকূলবাসীকে। ঘটনার ৩০ বছর পরও স্মৃতি থেকে মুছে ফেলতে পারছেন না সেই দুঃসহ দিনটি। গভীর রাতে ঘুম ভেঙে যায় জলোচ্ছ্বাস আর ঘূর্ণিঝড়ের কথা মনে হলে। নিহতদের লাশ, স্বজন হারানোদের আর্তচিৎকার আর বিলাপ বার বার ফিরে আসে তাদের জীবনে।

১৯৯১ সালের এদিনে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে উত্তর চট্টগ্রামের উপকুলীয় অঞ্চল সন্দ্বীপও লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। এই দিনটির কথা আজও ভোলেনি সন্দ্বীপের মানুষ। দুঃখের বিষয় দীর্ঘ ২৯ বছর বছর পর ব্লক বেড়ীবাঁধ নির্মাণ হলেও অনিয়মের অভিযোগে সত্যতা পেয়েছেন স্বয়ং পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম। এছাড়া পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেল্টার নেই সন্দ্বীপে। সন্দ্বীপে বসবাসরত প্রায় চার লাখ মানুষের জন্য সাইক্লোন শেল্টার রয়েছে ৬৫টি। প্রতি ছয় হাজার মানুষের জন্য সাইক্লোন শেল্টার একটি। একটি সাইক্লোন শেল্টারের ধারণ ক্ষমতা তিনশরও কম মানুষ। সন্দ্বীপের বেড়িবাঁধে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। রূপনগর সমাজ কল্যাণ সমিতি, চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি ডাঃ দিবাকর চন্দ্র দাস   বলেন, ১৯৯১ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্নিঝড়ে সন্দ্বীপে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ মারা গেছে। সেই দুঃসহ স্মৃতি এখনো বয়ে বেড়াচ্ছি আমরা সন্দ্বীপবাসী। সন্দ্বীপে পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টার নেই। অনেক জায়গায় এখনও বেড়িবাঁধ নেই। আবার থাকলেও কোনো বেড়িবাঁধের উচ্চতা চার ফুটের বেশি নয়। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে সন্দ্বীপকে রক্ষা করতে দ্বীপের চারদিকে কমপক্ষে ১৫ ফুট উঁচু বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা জরুরি।

রূপনগর সমাজ কল্যাণ সমিতি, কেন্দ্রীয় কমিটির  বলেন সভাপতি জনাব ডাঃ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, উপকূল বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। ১৯৯১ সালে ২৯ এপ্রিল প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের ভয়াল রাতে সন্দ্বীপে প্রায় ২০-৩০ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।