ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
ঘুসের টাকা নিতে বিকাশ নাম্বার দিয়ে যান পিডিবির প্রকৌশলী ব্যাংককে ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক গঠনমূলক সম্পর্ক নষ্ট করে এমন বক্তব্য এড়িয়ে চলার আহ্বান মোদির বিমসটেক সদস্য দেশগুলোকে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার মৃত সন্তান প্রসবে বাংলাদেশ এখনো দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার নবীনগরে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথ বাহিনী মোতায়েন জেলা ও ইউনিয়ন নগরজুড়ে ছোট নেতার বড় পোস্টার ডা. বোরহানে অবৈধ সিন্ডিকেটে দুর্ভোগের শিকার রোগীরা বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা-মারধর, গ্রেপ্তার ৩ থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

মরণোত্তর চক্ষুদাতা হিসেবে  সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির ডোনার হলেন-সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম।

সময়ের কন্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : ০১:৪০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১
  • / ৩৫৬ ৫০০০.০ বার পাঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের আলো, রঙ, রুপ আমাদের সামনে প্রকাশ হওয়ার জন্য যে অঙ্গটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেটা হচ্ছে চোখ। দৃষ্টিহীন মানুষের মত দুঃখী আমার মতে মনে হয় আর নেই।

দৃষ্টিহীন সেই অন্ধকারের কথা হয়তো দৃষ্টিসম্পন্ন মানুষের অনুভবের বাইরে।

আগেকার দিনে দৃষ্টিহীনরা অন্ধত্বকে সৃষ্টিকর্তার অভিশাপ বা ভাগ্যের লিখন বলেই মেনে নিতো।

আমরা জানি যে,মানুষ মরে গেলে তার সমস্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গই কিছুদিনের মধ্যে নষ্ট হয়ে যায়। তাই মরেও নিজের চোখ অন্যকে দানের মাধ্যমে চাইলেই বেঁচে থাকা যায় পৃথিবীর আলো-রঙের মাঝে।

মৃত্যুর পর অন্যকে কর্ণিয়া দানের রীতিকেই মূলত বলে মরণোত্তর চক্ষুদান। সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির’ তথ্য মতে বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে ১৪ লাখ লোক দৃষ্টিহীন। যাদের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলছে।

সেই দৃষ্টিহিন মানুষদের চোখের আলো বর্তমান প্রযুক্তির সাহায্যে এবং মানবিক সহযোগিতার মাধ্যমে চাইলে আমরাই ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে পারি।

আর সেই লক্ষ্যেই সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম

মৃত্যুর পর তার চোখ দুটো সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির মাধ্যমে দান করার ইচ্ছা পোষণ করেন।

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মরণোত্তর চক্ষুদাতা হিসেবে  সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির ডোনার হলেন-সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম।

আপডেট টাইম : ০১:৪০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের আলো, রঙ, রুপ আমাদের সামনে প্রকাশ হওয়ার জন্য যে অঙ্গটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেটা হচ্ছে চোখ। দৃষ্টিহীন মানুষের মত দুঃখী আমার মতে মনে হয় আর নেই।

দৃষ্টিহীন সেই অন্ধকারের কথা হয়তো দৃষ্টিসম্পন্ন মানুষের অনুভবের বাইরে।

আগেকার দিনে দৃষ্টিহীনরা অন্ধত্বকে সৃষ্টিকর্তার অভিশাপ বা ভাগ্যের লিখন বলেই মেনে নিতো।

আমরা জানি যে,মানুষ মরে গেলে তার সমস্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গই কিছুদিনের মধ্যে নষ্ট হয়ে যায়। তাই মরেও নিজের চোখ অন্যকে দানের মাধ্যমে চাইলেই বেঁচে থাকা যায় পৃথিবীর আলো-রঙের মাঝে।

মৃত্যুর পর অন্যকে কর্ণিয়া দানের রীতিকেই মূলত বলে মরণোত্তর চক্ষুদান। সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির’ তথ্য মতে বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে ১৪ লাখ লোক দৃষ্টিহীন। যাদের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলছে।

সেই দৃষ্টিহিন মানুষদের চোখের আলো বর্তমান প্রযুক্তির সাহায্যে এবং মানবিক সহযোগিতার মাধ্যমে চাইলে আমরাই ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে পারি।

আর সেই লক্ষ্যেই সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম

মৃত্যুর পর তার চোখ দুটো সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির মাধ্যমে দান করার ইচ্ছা পোষণ করেন।