সদর দক্ষিন থানার এস আই জিয়ার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সাথে অশদাচরণের : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বরাবরে বিচার দাবি

- আপডেট টাইম : ০৪:০৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
- / ৪৩ ৫০০০.০ বার পাঠক
স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত এস আই জিয়া বিভিন্ন থানায় চাকুরি করার সময় আওয়ামী লীগের সুবিধা নিয়ে অঢেল টাকার মালিক বনে গেছেন।
নিয়োগ পেয়েছেন ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পুলিশের এসআই পদে কিন্তু স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট দোসর এস আই জিয়া বাঁচতে নিজেকে ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে নিজেকে জাহির করে গড়ে তুলেছেন বিশাল সিন্ডিকেট। মাদক বাণিজ্য ছাড়াও আসামি গ্রেফতার করে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। চাকুরীর সুবাদে বিভিন্ন থানায় কর্মরত থাকাকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের কর্মীর মত কাজ করেছে।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে বিএনপি ও জামায়াতের একাধিক নেতা কর্মীকে বাড়ি থেকে ধরে এনে মাদক মামলা কিংবা অস্ত্র আইনে মামলা দেখিয়ে অনেককেই জেল খাটিয়েছেন৷ ফ্যাসিস্টের দোসর এস আই জিয়ার এহেন কর্মকান্ডে ক্ষুব্ধ বিভিন্ন থানা এলাকার নির্যাতিতরা। সর্বশেষ তিনি কুমিল্লা সদর দক্ষিনে তদবিরের মাধ্যমে ট্রান্সফার নিয়ে যোগদান করে।
তার বিরুদ্ধে গত ১৭ ডিসেম্বর ২৪ তারিখে “দৈনিক সময়ের কন্ঠ” পত্রিকায় মাদক জব্দ করার পর মামলা না দিয়ে আসামী ছেড়ে দেয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হলে, তৎকালীন সদর দক্ষিন সার্কেলের এসপি মারুফ সোর্স’কে ডেকে পুরো ঘটনার বিস্তারিত শুনার পর তার এসআই জিয়ার বিরুদ্ধে রিপোর্ট প্রদান করেন।
এর পরই এসআই জিয়া সময়ের কন্ঠ প্রতিবেদক’কে বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ প্রকাশ।
নিজেকে বিভিন্ন অনিয়ম ডাকতে নিজিকে ছাত্রদলের সাবেক কর্মী হিসেবে জাহির করছেন।
গত ২১ ফেব্রুয়ারী ভোর ০৪.৪২ মিনিটে সদর দক্ষিন পল্লী বিদ্যুৎ ইউটার্নে একটি সিএনজিকে আটকিয়ে
বিপুল পরিমাণ অবৈধমালামালসহ আটক করার সময়
সময়ের কন্ঠ প্রতিবেদকসহ আরও কয়েকজন সাংবাদিক ঘটনাস্থলে ফুটেজ সংগ্রহ করেন। ছবি তোলার সময় সাংবাদিকদের পরিচয় পেয়ে এস আই জিয়া ছবিটি ডিলিট করতে বলেন সাংবাদিকগণ ডিলিট করতে রাজি না হলে তাদেরকে প্রকাশ্যে দেখে নেওয়ার
হুমকি দেন। ওই সময়ে কিশোর গ্যাংএর একাধিক মামলার আসামী জুম্মনসহ কয়েকটি মটর সাইকেল সম্বলিত কিশোর গ্যাংএর সদস্যরা উপস্থিত ছিল।
উক্ত বিষয় গত ২৫ ফেব্রুয়ারী রাত আনুমানিক ০৯.৪৫ মিনিটে সদর দক্ষিন মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে বিষয়টি জানালে এসআই জিয়া ওসি অফিস কক্ষে সাংবাদিকদেরকে বিভিন্ন গালমন্দসহ দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় বলে তোদেরমত বিগত আমলে অনেক সাংবাদিক’কে সাইজ করেছি।
সংক্ষুব্ধ সাংবাদিকগণ তাৎক্ষণিকভাবে কুমিল্লা পুলিশ সুপারকে ঘটনার বিষয়টি মুঠোফোনে জানালে তিনি থানা অফিসার ইনচার্জ’কে ফোন করে ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে ওসি মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের সাথে দূর্ব্যবহার করেন বলে সত্যতা স্বীকার করেন।
সংক্ষুব্ধ সাংবাদিকগন এস আই জিয়াকে অবিলম্বে বদলি অথবা ক্লোজড করে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নিকট দাবি জানিয়েছেন।