1. [email protected] : admi2017 :
রবিবার, ২২ মে ২০২২, ১০:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা মানব পাচারকারী জহিরুল ইসলামের প্রতারণার শিকার হয়েছে নিরীহ সজল রানা। ৯ মাস যাবত সৌদি আরব কারাগারে আত্রাইয়ে ট্রাক ও মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ নাসিরনগরে ছাগল চুরি করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক দুই চোর মান্দায় ১৪নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন এ খোর্দ্দ বান্দাই খাড়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামের রাস্তা বেহাল দশা অসহায় টাইগার রাকিবের পরিবারের দায়িত্ব নিলেন বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফারজানা সবুর রুমকি ঠাকুরগাঁওয়ে হাইব্রিড মিষ্টি কুমড়ার কৃষক মাঠ দিবস পদ্মা সেতু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য সরাসরি বেগম জিয়াকে হত্যার হুমকির সামিল- মির্জা ফখরুল বরগুনার অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তা দুস্থ্য রোগীকে আর্থিক সহায়তা দিলেন সামাজিক ফান্ড ফুলবাড়ী

ছেলের বিয়ের দিন মা’ জানতে পারলেন কনে’ তার হারিয়ে যাওয়া কন্যা!

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১, ১১.০৮ পূর্বাহ্ণ
  • ৮৭ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক রিপোর্ট সময়েরকন্ঠ।।

প্রায় ২০ বছর আগে হারিয়ে গিয়েছিল একমাত্র মেয়ে। সেই শোক ভুলে গেলেও ভুলে যাননি সন্তানের কথা। এখানে ওখানে খুঁজে বেড়াতেন মেয়েকে। এরই মধ্যে বড় হয়ে উঠে ছেলে। সেই ছেলের বিয়ে ঠিক করেন মা নিজেই। কিন্তু ঝামেলা বাঁধে ছেলের বিয়ের দিন। যিনি বউমা হতে চলেছেন জানা গেলো সেই পাত্রী নাকি তার হারিয়ে যাওয়া মেয়ে!

সম্প্রতি ঘটনাটি ঘটেছে চীনের জিয়াংশু প্রদেশের সুঝাউ এলাকায়। ছেলের বিয়েতে আড়ম্বরের কোনো অভাব রাখেননি। চলে এসেছিলেন অতিথিরাও। এর মধ্যেই কনের সাজে সবার সামনে এলেন পাত্রী। বউমার মুখ দেখে কেনো জানি ওই মায়ের মনে হতে লাগলো এ তো তার হারিয়ে যাওয়া মেয়ের মতোই!

এরপর ভালো করে কনেকে দেখতে লাগলেন তিনি। দেখলেন তার মুখের ওই দাগটা তো জন্মের পর থেকেই ছিল। সঙ্গে সঙ্গে কনের বাবা-মাকে ডেকে বসেন তিনি। সত্যটা জানতে চান। প্রথমে ওই মেয়ের বর্তমান বাবা-মা মুখ খুলতে চাননি। পরে বেরিয়ে আসে সত্য ঘটনা।

এক পর্যায়ে কনের বাবা-মা স্বীকার করে নেন, বেশ কয়েক বছর আগে রাস্তায় কুড়িয়ে পেয়েছিলেন মেয়েটিকে। তারপর নিজেদের সন্তান হিসেবেই তাকে বড় করেন। বিয়েবাড়িতে তখন হুলস্থুল কাণ্ড। গোটা বিষয়টি জানানো হয় কনেকেও। সব শুনে নিজেকে আর সামলে রাখতে পারেননি তিনি। জন্মদাত্রীকে পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করে কনে।

এবার গোল বাধে অন্যখানে। ভাই-বোনের তো আর বিয়ে সম্ভব নয়। তখন বের হয়ে আসে আরও বড় চমক। মেয়ে হারানো ওই মা তখন বলে বসেন, যার সঙ্গে মেয়েটির বিয়ে ঠিক হয়েছে সে ছেলেরও জন্মদাত্রী মা তিনি নন! প্রায় দুই দশক আগে মেয়ে হারানোর পর এ ছেলেটিকে দত্তক নিয়েছিলেন তিনি। তবে তাকে বড় করে তুলেছিলেন একদম নিজ সন্তানের মতো করেই।

ফলে ভাই-বোনের আর কোনো প্রশ্নই নেই। ফের বেজে ওঠে বিয়ের সানাই। অতিথিরাও নতুন করে মেতে ওঠেন আনন্দে। দিনভর নানা বাধা-বিঘ্ন টপকে শেষ পর্যন্ত চারহাত এক হয়। হাফ ছেড়ে বাঁচেন নব দম্পতি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazarsomoyer14
M/s,National,Somoyerkontha website:-DailySomoyerkontha.com