1. [email protected] : admi2017 :
রবিবার, ২২ মে ২০২২, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা মানব পাচারকারী জহিরুল ইসলামের প্রতারণার শিকার হয়েছে নিরীহ সজল রানা। ৯ মাস যাবত সৌদি আরব কারাগারে আত্রাইয়ে ট্রাক ও মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ নাসিরনগরে ছাগল চুরি করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক দুই চোর মান্দায় ১৪নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন এ খোর্দ্দ বান্দাই খাড়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামের রাস্তা বেহাল দশা অসহায় টাইগার রাকিবের পরিবারের দায়িত্ব নিলেন বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফারজানা সবুর রুমকি ঠাকুরগাঁওয়ে হাইব্রিড মিষ্টি কুমড়ার কৃষক মাঠ দিবস পদ্মা সেতু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য সরাসরি বেগম জিয়াকে হত্যার হুমকির সামিল- মির্জা ফখরুল বরগুনার অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তা দুস্থ্য রোগীকে আর্থিক সহায়তা দিলেন সামাজিক ফান্ড ফুলবাড়ী

কুমিল্লায় অপারেশনের পাঁচ মাস পর পেটের ভিতর থেকে গজ (ব্যান্ডেজ) উদ্ধার!

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১, ১০.৪৫ পূর্বাহ্ণ
  • ১১৫ বার পঠিত

সাইফুল ইসলাম বিপ্লবী বিশেষ  প্রতিনিধি।।

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় অপারেশনের ৫ মাস পর শারমিন নামের এক রোগির পেটে পাওয়া গেল গজ কাপড়। যেখানে ইনফেকশন হয়ে গেছে। সিজার অপারেশনের সময় চিকিৎসকের ভুলে রেখে দেওয়া এই গজ কাপড় এই রোগিকে ভুগিয়েছে ৫ মাস ধরে।

রোগির ভাই মোঃ রুহুল আমিন জানান, প্রায় ৫ মাস আগে দেবিদ্বার আল-ইসলাম হসপিটাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে আমার বোন শারমিনের সিজার হয় । সার্জন ছিল ডাঃ রোজিনা আক্তার। সিজারের দিন থেকেই পেটে ব্যাথা শুরু হয়। ব্যাথা নিয়েই আমার বোনকে রিলিজ দেয়া হয়। বলা হয়েছিল কোন সমস্যা নাই ঠিক হয়ে যাবে।

কিছুদিন পরে ডাক্তার দেখানোর পর আল্ট্রা করে জানালো কোন প্রকার সমস্যা নেই। তাই কিছু ঔষধ দিয়ে দিল। ব্যাথা দিনদিন বেড়েই চলেছে। আবার দেখানো হলো। আবার আল্ট্রা করে সব দেখেশুনে বললো কোন সমস্যা নেই। কিছু ব্যাথার এবং গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ দিয়ে বললো ব্যথা সেরে যাবে। এবার আর তাদের উপর ভরসা না করে ঢাকায় নিয়ে আসা হলো। দিনে দিনে ব্যাথা তীব্র হচ্ছে। আল্ট্রা করা হচ্ছে, বিভিন্ন রকম টেস্ট করা হচ্ছে। একেকবার একেকরকম কথা বলা হচ্ছে। পেটে পানি জমেছে, গ্যাস জমেছে, এই সেই নানান কিছু বলে ১৪ দিনের ঔষধ, ২১ দিনের ঔষধ খেয়ে আবার আসবেন এইসব চলতেছিল। এর মধ্যে তীব্র ব্যাথার কারনে হাসপাতালে ভর্তিও ছিল বেশ কয়েকদিন।

ব্যাথাও কমছেনা, ডাক্তাররাও সমস্যা ডায়াগনোসিস করতে পারতেছেনা, এত এত টেস্ট করার পরেও এক প্রকার আন্দাজে চিকিৎসা চলতেছিল।  সর্বশেষ অন্য একটি হাসপাতালে একজন ডাক্তার দেখানোর পর আল্ট্রায় যা দেখা গেল তাতে কপালের চক্ষু মাথায় উঠার কথা। গত কয়মাসে অন্তত ১৫-২০ বার আল্ট্রা করা হয়েছে। কোনবারই আল্ট্রায় কেউ যা দেখে নাই আজকে ডাক্তার থমকে গেলো তা দেখে। পেটের ভিতরে সিজারের সময়ের গজ রয়ে গেছে আর সেখানে ইনফেকশন হয়েছে। প্রায় ৫ টা মাস পেটে গজ নিয়ে আমার বোন অসহ্য ব্যাথায় কাতরাচ্ছিল।

এতবার ডাক্তার দেখানো হলো, এতবার আল্ট্রা করানো হলো! উন্নত যন্ত্রে আধুনিক আল্ট্রায় ও কেউ সেটা বুঝতে পারলোনা কেন?

আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার এই সময়ে এসেও ৫ মাস ধরে পেটে গজ নিয়ে ডাক্তারদের ধারেধারে ঘুরেও যদি তা ডায়াগনোসিস করতে না পারে সে দুঃখ কারে বলি? এই বেদনা কারে বলি?

হয়তো আমার বোনের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল। আমি চাই না পৃথিবীর আর কোন বোন আমার বোনের মতো এতো বড় ক্ষতির সম্মুখীন হোক। আমি চাই এই জ্ঞানহীন ডাক্তারদের চিকিৎসা বিভাগ থেকে বহির্ভূত করা হোক। যেন আর কারো ক্ষতি করতে না পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazarsomoyer14
M/s,National,Somoyerkontha website:-DailySomoyerkontha.com