ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদের মাত্র দুই দিন বাকি। ঈদ করা হলো না, একই পরিবারের ৩ সহোদর, শুভ শান্ত নাদিমের। সড়কে, তাজা তিনটি প্রাণ, নিমেষেই শেষ হয়ে গেল একজন দানবীর ও সাদা মনের মানুষ জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম আজীবন জনকল্যাণে কাজ করে যেতে চান নাসিরনগরে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ছাত্রদলের ঈদ উপহার বিতরণ জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাতে অংশ নিতে পারেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে: ড. ইউনূস ভারত মহাসাগরের যে ঘাঁটি থেকে ইরানকে টার্গেট করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অটোরিকশা শ্রমিকের মৃত্যু গাজীপুরে পিকআপ-ট্রাক সংঘর্ষ, নিহত -২ ফের যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে গাজায় ইংল্যান্ডে ঘাপটি মেরে আছে জার্মানির গুপ্তচর

তিতুমীর কলেজে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : ০৫:০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪
  • / ৪৩ ৫০০০.০ বার পাঠক

সরকারি তিতুমীর কলেজের সামনে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য অবস্থান নিয়েছেন। একইসঙ্গে রাওয়া ক্লাবের সামনে থেকে মহাখালী রেলগেট পর্যন্ত সড়কে অবস্থান নিয়েছেন সেনাবাহিনীর শতাধিক সদস্য।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সকালে মহাখালী রেলগেট, আমতলীসহ আশপাশের বিভিন্ন জায়গায় তারা অবস্থান নিয়েছেন।

মূলত, সরকারি তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবি পূরণ না হওয়ায় সোমবার (১৮ নভেম্বর) রাতে সবধরনের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে আজ বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত মহাখালী অবরোধের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

তাদের কর্মসূচি ঘিরে সরেজমিনে দেখা গেছে, সার্বিক পরিস্থিতির নিরাপত্তায় পুলিশ সদস্যরা কলেজের মূল ফটকের ভেতরে ও বাইরে অবস্থান নিয়েছেন। তবে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েনের ব্যাপারে উপস্থিত কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি।

তবে বিষয়টি নিয়ে এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেছেন তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা।

মোস্তফা রেমান নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, এভাবে পুলিশকে দিয়ে আপা কিছুই করতে পারে নাই। আপনারাও পারবেন না। আমাদের দাবি মানতে হবে মানতে হবে। তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয় দিতে হবে দিতে হবে।

নুরুদ্দিন নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, এটা কি তিতুমীর কলেজ, নাকি যুদ্ধের ময়দান? শতশত পুলিশ মহড়া দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কি বার্তা দিতে চাচ্ছে?

শাকিল আহমেদ নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, তিতুমীর কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় হোক বা না হোক পুলিশ লাইন ঠিকই হয়ে গিয়েছে। আমার ক্যাম্পাসে পুলিশ কেনো?

এর আগে, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা কলেজ ক্যাম্পাস থেকে মিছিল নিয়ে এসে মহাখালী রেলক্রসিং এলাকায় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেন। বিকাল ৪টা পর্যন্ত এই অবরোধ চলে। কিছু সময়ের জন্য উঠে গিয়ে তারা ফের কলেজের সামনের সড়কে বসে পড়ে। সেখান থেকে কলেজ ক্লোজডাউন ঘোষণা করে মঙ্গলবারও অবরোধ কর্মসূচি দেওয়া হয়।

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তিতুমীর কলেজে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন

আপডেট টাইম : ০৫:০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪

সরকারি তিতুমীর কলেজের সামনে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য অবস্থান নিয়েছেন। একইসঙ্গে রাওয়া ক্লাবের সামনে থেকে মহাখালী রেলগেট পর্যন্ত সড়কে অবস্থান নিয়েছেন সেনাবাহিনীর শতাধিক সদস্য।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সকালে মহাখালী রেলগেট, আমতলীসহ আশপাশের বিভিন্ন জায়গায় তারা অবস্থান নিয়েছেন।

মূলত, সরকারি তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবি পূরণ না হওয়ায় সোমবার (১৮ নভেম্বর) রাতে সবধরনের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে আজ বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত মহাখালী অবরোধের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

তাদের কর্মসূচি ঘিরে সরেজমিনে দেখা গেছে, সার্বিক পরিস্থিতির নিরাপত্তায় পুলিশ সদস্যরা কলেজের মূল ফটকের ভেতরে ও বাইরে অবস্থান নিয়েছেন। তবে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েনের ব্যাপারে উপস্থিত কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি।

তবে বিষয়টি নিয়ে এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেছেন তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা।

মোস্তফা রেমান নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, এভাবে পুলিশকে দিয়ে আপা কিছুই করতে পারে নাই। আপনারাও পারবেন না। আমাদের দাবি মানতে হবে মানতে হবে। তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয় দিতে হবে দিতে হবে।

নুরুদ্দিন নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, এটা কি তিতুমীর কলেজ, নাকি যুদ্ধের ময়দান? শতশত পুলিশ মহড়া দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কি বার্তা দিতে চাচ্ছে?

শাকিল আহমেদ নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, তিতুমীর কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় হোক বা না হোক পুলিশ লাইন ঠিকই হয়ে গিয়েছে। আমার ক্যাম্পাসে পুলিশ কেনো?

এর আগে, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা কলেজ ক্যাম্পাস থেকে মিছিল নিয়ে এসে মহাখালী রেলক্রসিং এলাকায় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেন। বিকাল ৪টা পর্যন্ত এই অবরোধ চলে। কিছু সময়ের জন্য উঠে গিয়ে তারা ফের কলেজের সামনের সড়কে বসে পড়ে। সেখান থেকে কলেজ ক্লোজডাউন ঘোষণা করে মঙ্গলবারও অবরোধ কর্মসূচি দেওয়া হয়।