ঢাকা ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শহীদ পরিবারের পাশে থাকার আহবান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হোমনায় ইয়াবা ব্যবসায়ী,সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন লামা বনবিভাগের সাড়াশি ৯ টি ব্রীকফিল্ডের প্রায় ৯ হাজার ঘনফুট গাছ জব্দ বর্তমান সরকার উন্নয়ন বান্ধব সরকার এই সরকারের সময় গ্রামীণ অবকাঠামোয় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে বাশিস পীরগঞ্জ শাখার নবনির্বাচিতদের শপথ পাঠ করা হয়েছে খুলনা নগরের-খাঁন এ সবুর রোড-(আপার যশোর রোড)-এ-চলছে-রাস্তা সম্পসারনের কাজ রাঙামাটিতে উপজাতীয় সন্ত্রাসীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে নিহত-১ সন্দ্বীপের বানীরহাটে একরাতে ১৮দোকান চুরি মেট্রোপলিটন পুলিশ (ট্রাফিক) বন্দর বিভাগের আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা তারাকান্দায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী জন্মদিন উদযাপন

মহেশখালী পৌরসভার আলোচিত মাদক সম্রাট মকছুদ মিয়া রমরমা ব্যবসা জমে উঠেছে।

সময়ের কন্ঠ রিপোর্টার।।

গত কয়কেদিন ধরে মহেশখালী পৌরসভার আলোচিত ইয়াবা পরিবার, মকছুদ মিয়ার পরিবার অথবা সালাউদ্দীনের পরিবার নিয়ে আলোচনা বেশ জমে উঠেছে।মেয়র মকছুদ মিয়া ও সালাউদ্দীন পরস্পর আপন চাচাতো জেঠাতো ভাই।মকছুদ মিয়ার পরিবার সালাউদ্দীনের পরিবার একই পরিবার।একই বাড়ি,একই ছাদের নিচে তাদের বসবাস।এখানে কেউ ধোয়া তুলসী পাতা নয়।মাদক ও কালোবাজারের একজন বড় ভাই, আরেকজন ছোট ভাই।মকছুদ মিয়ার বাবা হাশেম সিকদার সালাউদ্দীনের বাবা, মৌঃজকরিয়া সিকদার বড় ভাই ছোট ভাই।দুই জনই যুদ্ধাপরাধী। মহেশখালীতে বার্মা থেকে কালোবাজারী বাণিজ্যের প্রথম হোতা মকছুদ মিয়ার বাবা হাশেম সিকদার।তার ব্যবসায় উদ্বোদ্ধ হয়ে ব্যবসার হাল ধরেন মকছুদ মিয়া।মকছুদ মিয়া কালো টাকায় উচ্চবিলাসী হয়ে রাজনীতিতে যোগদান করেন। তিনি আওয়ামী রাজনীতির খরা ভূমিতে কালোবাজারীর অবৈধ টাকা ছিটিয়ে আওয়ামীলীগকে তার জন্য উর্বর ভুমিতে পরিণিত করেন।আওয়ামীলীগের মন্ত্রী এমপিরা,নেতা, পেতি নেতারা তার কালো টাকার কাছে কপোকাত হয়ে যায়।শিক্ষায় তিনি আন্ডার ফাইভ তার পরেও কালোটাকার বদৌলতে রাজনীতির উচ্চ শিক্ষিতরা তার পিছনে পিছনে ঘুরতে স্বাচ্ছন্ধবোধ করেন।

মকছুদ মিয়ার রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক উণ্থান দেকে  তার ছোট ভাই সালাউদ্দীন ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন।ইয়াবা ব্যবসায় তিনি সফলতা অর্জন করে বাংলাদেশের আলোচিত ইয়াবা ব্যবসার তালিকায়  নাম লেখান।অবশ্যই তিনি একা ব্যবসা করেনি  মকছুদ মিয়াকে প্রতিটা চালানে  ফিফটি ফিফটি শেয়ার রেখেছেন বলে লোক মুখে প্রচার আছে।সালাউদ্দীন মাঝে মধ্যে আইন শৃংখলা বাহীনির রোষানলে পড়লে মেয়র মকছুদ মিয়া আওয়ামীলীগ নেতা হিসেবে প্রয়োজনীয় সাহায্য সহযোগিতা করতেন।

সম্প্রতি তাদের মধ্যে বিরোধের কারন হিসেবে যানাযায় স্থগীত হওয়া তফশীলে মেয়র মকছুদ মিয়া আওয়ামীলীগ থেকে নৌকা মার্কায় মনোনয়ন নিয়েছেন, তার মনোনয়ন লাভের পিছনে কোটি কোটি টাকা খরচ হয়েছে বলে জানান তার অনুসারীরা।মকছুদ মিয়া মনোনয়ন লাভের খরচের অর্ধেক টাকা সালাউদ্দীনের কাছ থেকে দাবি করলে তিনি টাকা দিতে অপরগতা প্রকাশকরেন।এক পর্য্যায়ে মকছুদ মিয়া ক্ষীপ্ত হয়ে সালাউদ্দীনকে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে থানায় ধরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনার অংশই ২৯ তারিখের ঘটনা।সালাউদ্দীনের গ্যারেজে আগুন কি বৈদ্যুতিক শটচার্কিট না কেউ আগুন লাগিয়েছে? যদি আগুন লাগিয়ে দিয়ে থাকে তাহলে সেই দূর্বৃত্তদের ইয়াবা ট্যাবলেটের ব্যাপারে সন্দেহের বাহিরে রাখা যাবেনা।সালাউদ্দীন কে আসামী করে মাদক আইনে মামলা তদন্তে সব সথ্য বের হয়ে আসবে।

আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শহীদ পরিবারের পাশে থাকার আহবান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

মহেশখালী পৌরসভার আলোচিত মাদক সম্রাট মকছুদ মিয়া রমরমা ব্যবসা জমে উঠেছে।

আপডেট টাইম : ০২:০২:১২ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২ এপ্রিল ২০২১

সময়ের কন্ঠ রিপোর্টার।।

গত কয়কেদিন ধরে মহেশখালী পৌরসভার আলোচিত ইয়াবা পরিবার, মকছুদ মিয়ার পরিবার অথবা সালাউদ্দীনের পরিবার নিয়ে আলোচনা বেশ জমে উঠেছে।মেয়র মকছুদ মিয়া ও সালাউদ্দীন পরস্পর আপন চাচাতো জেঠাতো ভাই।মকছুদ মিয়ার পরিবার সালাউদ্দীনের পরিবার একই পরিবার।একই বাড়ি,একই ছাদের নিচে তাদের বসবাস।এখানে কেউ ধোয়া তুলসী পাতা নয়।মাদক ও কালোবাজারের একজন বড় ভাই, আরেকজন ছোট ভাই।মকছুদ মিয়ার বাবা হাশেম সিকদার সালাউদ্দীনের বাবা, মৌঃজকরিয়া সিকদার বড় ভাই ছোট ভাই।দুই জনই যুদ্ধাপরাধী। মহেশখালীতে বার্মা থেকে কালোবাজারী বাণিজ্যের প্রথম হোতা মকছুদ মিয়ার বাবা হাশেম সিকদার।তার ব্যবসায় উদ্বোদ্ধ হয়ে ব্যবসার হাল ধরেন মকছুদ মিয়া।মকছুদ মিয়া কালো টাকায় উচ্চবিলাসী হয়ে রাজনীতিতে যোগদান করেন। তিনি আওয়ামী রাজনীতির খরা ভূমিতে কালোবাজারীর অবৈধ টাকা ছিটিয়ে আওয়ামীলীগকে তার জন্য উর্বর ভুমিতে পরিণিত করেন।আওয়ামীলীগের মন্ত্রী এমপিরা,নেতা, পেতি নেতারা তার কালো টাকার কাছে কপোকাত হয়ে যায়।শিক্ষায় তিনি আন্ডার ফাইভ তার পরেও কালোটাকার বদৌলতে রাজনীতির উচ্চ শিক্ষিতরা তার পিছনে পিছনে ঘুরতে স্বাচ্ছন্ধবোধ করেন।

মকছুদ মিয়ার রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক উণ্থান দেকে  তার ছোট ভাই সালাউদ্দীন ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন।ইয়াবা ব্যবসায় তিনি সফলতা অর্জন করে বাংলাদেশের আলোচিত ইয়াবা ব্যবসার তালিকায়  নাম লেখান।অবশ্যই তিনি একা ব্যবসা করেনি  মকছুদ মিয়াকে প্রতিটা চালানে  ফিফটি ফিফটি শেয়ার রেখেছেন বলে লোক মুখে প্রচার আছে।সালাউদ্দীন মাঝে মধ্যে আইন শৃংখলা বাহীনির রোষানলে পড়লে মেয়র মকছুদ মিয়া আওয়ামীলীগ নেতা হিসেবে প্রয়োজনীয় সাহায্য সহযোগিতা করতেন।

সম্প্রতি তাদের মধ্যে বিরোধের কারন হিসেবে যানাযায় স্থগীত হওয়া তফশীলে মেয়র মকছুদ মিয়া আওয়ামীলীগ থেকে নৌকা মার্কায় মনোনয়ন নিয়েছেন, তার মনোনয়ন লাভের পিছনে কোটি কোটি টাকা খরচ হয়েছে বলে জানান তার অনুসারীরা।মকছুদ মিয়া মনোনয়ন লাভের খরচের অর্ধেক টাকা সালাউদ্দীনের কাছ থেকে দাবি করলে তিনি টাকা দিতে অপরগতা প্রকাশকরেন।এক পর্য্যায়ে মকছুদ মিয়া ক্ষীপ্ত হয়ে সালাউদ্দীনকে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে থানায় ধরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনার অংশই ২৯ তারিখের ঘটনা।সালাউদ্দীনের গ্যারেজে আগুন কি বৈদ্যুতিক শটচার্কিট না কেউ আগুন লাগিয়েছে? যদি আগুন লাগিয়ে দিয়ে থাকে তাহলে সেই দূর্বৃত্তদের ইয়াবা ট্যাবলেটের ব্যাপারে সন্দেহের বাহিরে রাখা যাবেনা।সালাউদ্দীন কে আসামী করে মাদক আইনে মামলা তদন্তে সব সথ্য বের হয়ে আসবে।