ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
ঘুসের টাকা নিতে বিকাশ নাম্বার দিয়ে যান পিডিবির প্রকৌশলী ব্যাংককে ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক গঠনমূলক সম্পর্ক নষ্ট করে এমন বক্তব্য এড়িয়ে চলার আহ্বান মোদির বিমসটেক সদস্য দেশগুলোকে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার মৃত সন্তান প্রসবে বাংলাদেশ এখনো দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার নবীনগরে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথ বাহিনী মোতায়েন জেলা ও ইউনিয়ন নগরজুড়ে ছোট নেতার বড় পোস্টার ডা. বোরহানে অবৈধ সিন্ডিকেটে দুর্ভোগের শিকার রোগীরা বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা-মারধর, গ্রেপ্তার ৩ থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

কালিয়াকৈরে দুই সহোদরের হাতে বন্ধু খুন

মোঃ ফরিদ আহমেদ ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি (গাজীপুর)
  • আপডেট টাইম : ০৬:৫৯:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • / ১২৪ ৫০০০.০ বার পাঠক

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় একটি দশতলা ভবনের ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে বন্ধুকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। নিহত যুবক সাব্বির হোসেন (২০) আন্ধার মানিক গ্রামের লিটন মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত দুই সহোদর রাকিব ও সাকিব, আব্দুর রহিমের পুত্র। স্থানীয়দের ধারণা, রাকিব ও সাকিব এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকতে পারে।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে ইউনিক টাওয়ারের ছাদে সাব্বিরকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোন, ধারালো অস্ত্র, মুড়িভর্তি একটি পট এবং একটি বাটি উদ্ধার করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে রাকিব, সাকিব এবং সাব্বির একসাথে জিম সেন্টারে শারীরিক চর্চা শেষ করে রাকিব ও সাকিবের বাসা ইউনিক টাওয়ারের ছাদে ঘুরতে যায়। সঙ্গে ছিল করণ ও সোহান নামের দুই কিশোর। রাকিব ও সাকিব করণ ও সোহানকে মুড়ি ও দেশলাই আনতে দোকানে পাঠায়। কিছুক্ষণ পর করণ ও সোহান ফিরে আসার সময় নিচে মানুষের ভিড় দেখতে পায় এবং সেখানে গিয়ে রক্তমাখা অবস্থায় সাব্বিরকে পড়ে থাকতে দেখে। পরে তারা ছাদে গিয়ে সাব্বিরের কাটা নখ ও রক্তমাখা অস্ত্র পড়ে থাকতে দেখে।

স্থানীয়রা বিকট শব্দ শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে এবং রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা সাব্বিরকে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তবে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। অভিযুক্ত রাকিব ও সাকিব ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের (থাকার ঘর) ফ্ল্যাট তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে। পুলিশ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে চেষ্টা চালাচ্ছে এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান পরিচালনা করবে।

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য স্থানীয়রা দাবি জানাচ্ছে।

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কালিয়াকৈরে দুই সহোদরের হাতে বন্ধু খুন

আপডেট টাইম : ০৬:৫৯:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় একটি দশতলা ভবনের ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে বন্ধুকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। নিহত যুবক সাব্বির হোসেন (২০) আন্ধার মানিক গ্রামের লিটন মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত দুই সহোদর রাকিব ও সাকিব, আব্দুর রহিমের পুত্র। স্থানীয়দের ধারণা, রাকিব ও সাকিব এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকতে পারে।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে ইউনিক টাওয়ারের ছাদে সাব্বিরকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোন, ধারালো অস্ত্র, মুড়িভর্তি একটি পট এবং একটি বাটি উদ্ধার করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে রাকিব, সাকিব এবং সাব্বির একসাথে জিম সেন্টারে শারীরিক চর্চা শেষ করে রাকিব ও সাকিবের বাসা ইউনিক টাওয়ারের ছাদে ঘুরতে যায়। সঙ্গে ছিল করণ ও সোহান নামের দুই কিশোর। রাকিব ও সাকিব করণ ও সোহানকে মুড়ি ও দেশলাই আনতে দোকানে পাঠায়। কিছুক্ষণ পর করণ ও সোহান ফিরে আসার সময় নিচে মানুষের ভিড় দেখতে পায় এবং সেখানে গিয়ে রক্তমাখা অবস্থায় সাব্বিরকে পড়ে থাকতে দেখে। পরে তারা ছাদে গিয়ে সাব্বিরের কাটা নখ ও রক্তমাখা অস্ত্র পড়ে থাকতে দেখে।

স্থানীয়রা বিকট শব্দ শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে এবং রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা সাব্বিরকে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তবে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। অভিযুক্ত রাকিব ও সাকিব ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের (থাকার ঘর) ফ্ল্যাট তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে। পুলিশ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে চেষ্টা চালাচ্ছে এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান পরিচালনা করবে।

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য স্থানীয়রা দাবি জানাচ্ছে।