ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
মেট্রোরেল স্টেশনের ধ্বংসলীলা দেখে কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী রুশ এমআই-২৮ সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত মস্কোর দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত কালুগা অঞ্চলে আজ বৃহস্পতিবার হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয় কে হামলা চালাবে—বিএনপির নীল নকশা আগেই প্রস্তুত ছিল: কাদের ৪ দিন কোথায় কী অবস্থায় ছিলেন সমন্বয়ক আসিফ সারা দেশে হাজারো প্রাণ কেড়ে নেওয়ার ব্যাপারে সরকার কোনো কথা বলছে না: মির্জা ফখরুল সব ধরনের সহিংসতার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ডিএমপির তিন যুগ্ম-কমিশনারকে স্থান বদলি বাসে আগুন দিতে ৪ লাখ টাকায় চুক্তি, শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেপ্তার রোকেয়া হলে ছাত্রলীগ নেত্রীদের হলছাড়া করল আন্দোলনকারীরা আন্দোলনকারীদের মৃত্যুর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে, ৩৩ নাগরিকের বিবৃতি বিবৃতিতে বলা হয়, দাবি আদায় করতে হয় জীবনের বিনিময়ে বা দমন করতে হয় হত্যা করে

এডিসি কামরুল ও স্ত্রীর ১১ কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতি সম্পদ ক্রোকের আদেশ

  • আপডেট টাইম : ০৯:৩৯:০২ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪
  • / ২০ ৫০০.০০০ বার পাঠক

এডিস কামরুল ছবি : সংগৃহীত
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান ও তার স্ত্রী সায়মা বেগমের সম্পদ ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৮ জুলাই) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক ড. বেগম জেবুন্নেছার আদালত এ আদেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মো. এমরান হোসেনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন।

দুদকের চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমেদ লাভলু গণমাধ্যমকে বলেন, দুদকের আবেদন পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার আদালত পুলিশ কর্মকর্তা কামরুল ও তার স্ত্রীর ১১ কোটি ৩৪ লাখ ৩৫ হাজার ৯১৯ টাকা মূল্যের সম্পদ ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন।

অনুসন্ধানে দুদক এডিসি কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে ৯ কোটি ৭৩ লাখ ২২ হাজার ৪৪ টাকার আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পায়। এছাড়া তার স্ত্রী সায়মা বেগমের ১ কোটি ৬২ লাখ ৮৫ হাজার ১৮৮ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। গত ১৩ মে প্রধান কার্যালয় বরাবরে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. এমরান হোসেন।

পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হাসান ১৯৮৯ সালে সাব-ইন্সপেক্টর পদে পুলিশ বিভাগে যোগদান করেন। পদোন্নতি পেয়ে তিনি বর্তমানে অতিরিক্ত এডিসি (ক্রাইম) হিসেবে সিএমপিতে কর্মরত আছেন।

জানা যায়, কামরুল হাসান ১৯৮৯ সালে উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। পরে পদোন্নতি পেয়ে তিনি হাটহাজারী বাঁশখালীসহ বিভিন্ন থানায় ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গত বছর নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার প্রসিকিউশন হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তাকে বদলি করা হয়। তিনি চট্টগ্রাম আদালতের হাজতখানার আসামিদের জন্য সরকারি বরাদ্দের খাবার বিতরণ না করে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বিল উত্তোলন করে নিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এডিসি কামরুল ও স্ত্রীর ১১ কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতি সম্পদ ক্রোকের আদেশ

আপডেট টাইম : ০৯:৩৯:০২ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪

এডিস কামরুল ছবি : সংগৃহীত
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান ও তার স্ত্রী সায়মা বেগমের সম্পদ ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৮ জুলাই) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক ড. বেগম জেবুন্নেছার আদালত এ আদেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মো. এমরান হোসেনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন।

দুদকের চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমেদ লাভলু গণমাধ্যমকে বলেন, দুদকের আবেদন পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার আদালত পুলিশ কর্মকর্তা কামরুল ও তার স্ত্রীর ১১ কোটি ৩৪ লাখ ৩৫ হাজার ৯১৯ টাকা মূল্যের সম্পদ ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন।

অনুসন্ধানে দুদক এডিসি কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে ৯ কোটি ৭৩ লাখ ২২ হাজার ৪৪ টাকার আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পায়। এছাড়া তার স্ত্রী সায়মা বেগমের ১ কোটি ৬২ লাখ ৮৫ হাজার ১৮৮ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। গত ১৩ মে প্রধান কার্যালয় বরাবরে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. এমরান হোসেন।

পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হাসান ১৯৮৯ সালে সাব-ইন্সপেক্টর পদে পুলিশ বিভাগে যোগদান করেন। পদোন্নতি পেয়ে তিনি বর্তমানে অতিরিক্ত এডিসি (ক্রাইম) হিসেবে সিএমপিতে কর্মরত আছেন।

জানা যায়, কামরুল হাসান ১৯৮৯ সালে উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। পরে পদোন্নতি পেয়ে তিনি হাটহাজারী বাঁশখালীসহ বিভিন্ন থানায় ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গত বছর নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার প্রসিকিউশন হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তাকে বদলি করা হয়। তিনি চট্টগ্রাম আদালতের হাজতখানার আসামিদের জন্য সরকারি বরাদ্দের খাবার বিতরণ না করে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বিল উত্তোলন করে নিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।