ঢাকা ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
সরাইলে ১০ম বারের মতো আশুতোষ চক্রবর্তী স্মারক শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অবশেষে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠ অবশেষে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা মৃত্যুপুরী গাজা নগরী, ‘কুকুরে খাচ্ছে লাশ’ আন্দোলনকারীদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য সুশান্ত পালের ‘তোমরা এমনিতেই চাকরি পাবে না, কোটা থাক না থাক’ গাজীপুরে উচ্চ আদালতের রায় উপেক্ষা:ভূমিদস্যুদের সহযোগিতায় স্থানীয় পুলিশ পর্ব ১ মঠবাড়ীয়া আমড়াগাছিয়ায় মাদক সহ ১জন আটক ৬ মাসের কারাদন্ড কোটা আন্দোলন নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা ঘরে ফিরে যাবে নিজের আরো সম্পদের পাহাড় এদিকে স্ত্রীকে পাঁচটি জাহাজ কিনে দিয়েছেন এডিসি কামরুল রোববার কোটা আন্দোলনকারীরা সড়কে নামলেই ‘কঠোর ব্যবস্থা’ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুতে ইতিবাচক মিয়ানমার। ভারত

মৌসুমি এখন সময় পলাশের

সময়ের কন্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : ১১:১৮:৩৬ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১
  • / ২৫৮ .000 বার পাঠক

সময়ের কন্ঠ রিপোর্ট।।

এই বসন্তে রঙের আগুন ছড়িয়ে ফুটে আছে ফুল। সংস্কৃতে এটি ‘কিংশুক’ এবং মনিপুরী ভাষায় ‘পাঙ গোঙ’ নামে পরিচিত। পলাশ মাঝারি আকারের পাতাঝরা বৃক্ষ। বাংলাদেশে প্রায় সব জায়গাতে কমবেশি পলাশগাছ দেখতে পাওয়া যায়। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের পাশে, বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব অংশে অনেক পলাশগাছ চোখে পড়ে। ছবিটি গত ৫ মার্চ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিসৌধের উত্তর পাশ থেকে তুলেছি।

পলাশগাছ ১৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়ে থাকে। শীতে গাছের পাতা ঝরে যায়। বসন্তে ফুল ফোটায়। টকটকে লাল ছাড়াও হলুদ ও লালচে কমলা রঙের পলাশ ফুলও চোখে পড়ে। মূলত বসন্তের শেষে গাছগুলি যখন তাদের পাতা হারায়, তখনই প্রকৃতি তার আপন লীলায় মত্ত হয়ে উজ্জ্বল লাল বা গাঢ় কমলা রঙের এই পলাশ ফোটায়।পাতাহীন গাছের যত্রতত্র ফুটতে দেখা যায় পলাশ। দেখে মনে হয় যেন রঙের আগুন লেগেছে। এর বাকল ধূসর। শাখা-প্রশাখা ও কাণ্ড আঁকাবাঁকা। নতুন পাতা রেশমের মতো সূক্ষ্ম। গাঢ় সবুজ পাতা ত্রিপত্রী, দেখতে অনেকটা মান্দারগাছের পাতার মতো হলেও আকারে বড়। পলাশের ফল দেখতে অনেকটা শিমের মতো। বীজ থেকে সহজেই চারা জন্মায়। বাড়েও দ্রুত।

পলাশের ভেষজগুণ রয়েছে অনেক। দেহের লাবণ্যহীনতা, বিছার কামড়, পেটের সমস্যা, কৃমির উপদ্রব ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহূত হয়। একসময় পলাশগাছের শিকড় দিয়ে মজবুত দড়ি তৈরি করা হতো। পলাশের পাতা দিয়ে তৈরি হতো থালা। আজো কলকাতাসহ ভারতের বিভিন্ন স্থানে পলাশপাতার ছোট্ট বাটিতে ফুচকা বা পানিপুরি বিক্রি করা হয়।

আরো খবর.......

আপলোডকারীর তথ্য

মৌসুমি এখন সময় পলাশের

আপডেট টাইম : ১১:১৮:৩৬ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১

সময়ের কন্ঠ রিপোর্ট।।

এই বসন্তে রঙের আগুন ছড়িয়ে ফুটে আছে ফুল। সংস্কৃতে এটি ‘কিংশুক’ এবং মনিপুরী ভাষায় ‘পাঙ গোঙ’ নামে পরিচিত। পলাশ মাঝারি আকারের পাতাঝরা বৃক্ষ। বাংলাদেশে প্রায় সব জায়গাতে কমবেশি পলাশগাছ দেখতে পাওয়া যায়। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের পাশে, বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব অংশে অনেক পলাশগাছ চোখে পড়ে। ছবিটি গত ৫ মার্চ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিসৌধের উত্তর পাশ থেকে তুলেছি।

পলাশগাছ ১৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়ে থাকে। শীতে গাছের পাতা ঝরে যায়। বসন্তে ফুল ফোটায়। টকটকে লাল ছাড়াও হলুদ ও লালচে কমলা রঙের পলাশ ফুলও চোখে পড়ে। মূলত বসন্তের শেষে গাছগুলি যখন তাদের পাতা হারায়, তখনই প্রকৃতি তার আপন লীলায় মত্ত হয়ে উজ্জ্বল লাল বা গাঢ় কমলা রঙের এই পলাশ ফোটায়।পাতাহীন গাছের যত্রতত্র ফুটতে দেখা যায় পলাশ। দেখে মনে হয় যেন রঙের আগুন লেগেছে। এর বাকল ধূসর। শাখা-প্রশাখা ও কাণ্ড আঁকাবাঁকা। নতুন পাতা রেশমের মতো সূক্ষ্ম। গাঢ় সবুজ পাতা ত্রিপত্রী, দেখতে অনেকটা মান্দারগাছের পাতার মতো হলেও আকারে বড়। পলাশের ফল দেখতে অনেকটা শিমের মতো। বীজ থেকে সহজেই চারা জন্মায়। বাড়েও দ্রুত।

পলাশের ভেষজগুণ রয়েছে অনেক। দেহের লাবণ্যহীনতা, বিছার কামড়, পেটের সমস্যা, কৃমির উপদ্রব ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহূত হয়। একসময় পলাশগাছের শিকড় দিয়ে মজবুত দড়ি তৈরি করা হতো। পলাশের পাতা দিয়ে তৈরি হতো থালা। আজো কলকাতাসহ ভারতের বিভিন্ন স্থানে পলাশপাতার ছোট্ট বাটিতে ফুচকা বা পানিপুরি বিক্রি করা হয়।