ঢাকা ১০:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
ইপিজেড থানা পুলিশের অভিযানে (৫০)লিটার দেশীয় তৈরী চোলাই মদ সহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আবারো বাংলাদেশি যুবক আশিকের বিশ্ব রেকর্ড বিমান বাহিনীর নতুন প্রধান হাসান মাহমুদ খাঁন আজ ঘূর্ণিঝড় রেমাল বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ২৫ লাখ গ্রাহক মোংলায় ঘূর্ণিঝড় রিমেল মোকাবেলায় ব্যাপক কাজ করছে উপজেলা প্রশাসন রায়পুরে সেপটিক ট্যাংকে নেমে আবারও দুই যুবকে মৃত্যু জামালপুরে সবজি চাষে জৈব সার ব্যবহারের উদ্যোগ ঘূর্ণিঝড় রেমাল সতর্কতায় কোস্টগার্ডের মাইকিং টঙ্গীতে রাজনীতির ছত্রছায়ায় ফকির মার্কেটের সুলতানার মাদক ব্যবসা জমজমাট। সবকিছুই জানে, এখনো কেন গ্রেফতার হয়নি, প্রশ্ন আনারকন্যার

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস পালন করবে নিউ ইয়র্ক স্টেট

আন্তর্জাতিক রিপোর্টার।।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরে নিউ ইয়র্ক সিনেটে একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজ্যুলেশন পাশ হয়েছে। চলতি বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করবে নিউ ইয়র্ক স্টেট। নিউ ইয়র্কের সিনেটর জন ল্যু এই রেজ্যুলেশনটি স্টেটের আইন সভায় উত্থাপন করেন। যা সম্প্রতি পাশ হয়েছে। এর ফলে বিষয়টি ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

নিউ ইয়র্কের মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিৎ সাহার একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়টি সিনেটে উত্থাপন করেন জন ল্যু। রেজ্যুলেশনে বলা হয়েছে, ৫০ বছর আগে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। একটি শান্তিপূর্ণ দেশের বিনির্মাণে যা এখনো দেশটির মানুষের কাছে প্রেরণার উৎস হয়ে কাজ করছে।

রেজ্যুলেশনে আরো বলা হয়, ‘আর্থ-সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসাবে নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশি-আমেরিকানরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। বাংলাদেশি আমেরিকানদেরকে তাদের সুবর্ণ জয়ন্তী পালনে সহায়তা করার মধ্য দিয়ে তাদেরকে অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর কাছাকাছি নিয়ে আসবে নিউ ইয়র্ক স্টেট’।

২০১৬ সালের ২৬ মার্চ থেকে রঙিন প্যারেড অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মুক্তধারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস পালন করার জন্যে বড় ভূমিকা রেখে আসছে বলে রেজ্যুলেশনে উল্লেখ করা হয়। মুক্তধারার উদ্যোগে ভাষা দিবস পালন, বইমেলার আয়োজন এবং গত পাঁচ বছর ধরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী উদযাপনের কথাও এই রেজ্যুলেশনে তুলে ধরা হয়েছে।

মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, ‘নিউ ইয়র্কে প্রায় তিন লাখ প্রবাসী বাংলাদেশির প্রতি সম্মান এই অর্জন। আমরা সক্রিয় ছিলাম এবং এ নিয়ে কাজ করেছি। যে কারণে এমন অর্জন সম্ভব হয়েছে। আমি আপ্লুত’।

এদিকে এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বরকে ‘বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্ট ডে’ বা ‘বাংলাদেশি অভিবাসী দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে এই আইন করে। ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

আরো খবর.......

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইপিজেড থানা পুলিশের অভিযানে (৫০)লিটার দেশীয় তৈরী চোলাই মদ সহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস পালন করবে নিউ ইয়র্ক স্টেট

আপডেট টাইম : ০৬:২৩:০৬ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ ২০২১

আন্তর্জাতিক রিপোর্টার।।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরে নিউ ইয়র্ক সিনেটে একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজ্যুলেশন পাশ হয়েছে। চলতি বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করবে নিউ ইয়র্ক স্টেট। নিউ ইয়র্কের সিনেটর জন ল্যু এই রেজ্যুলেশনটি স্টেটের আইন সভায় উত্থাপন করেন। যা সম্প্রতি পাশ হয়েছে। এর ফলে বিষয়টি ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

নিউ ইয়র্কের মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিৎ সাহার একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়টি সিনেটে উত্থাপন করেন জন ল্যু। রেজ্যুলেশনে বলা হয়েছে, ৫০ বছর আগে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। একটি শান্তিপূর্ণ দেশের বিনির্মাণে যা এখনো দেশটির মানুষের কাছে প্রেরণার উৎস হয়ে কাজ করছে।

রেজ্যুলেশনে আরো বলা হয়, ‘আর্থ-সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসাবে নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশি-আমেরিকানরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। বাংলাদেশি আমেরিকানদেরকে তাদের সুবর্ণ জয়ন্তী পালনে সহায়তা করার মধ্য দিয়ে তাদেরকে অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর কাছাকাছি নিয়ে আসবে নিউ ইয়র্ক স্টেট’।

২০১৬ সালের ২৬ মার্চ থেকে রঙিন প্যারেড অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মুক্তধারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস পালন করার জন্যে বড় ভূমিকা রেখে আসছে বলে রেজ্যুলেশনে উল্লেখ করা হয়। মুক্তধারার উদ্যোগে ভাষা দিবস পালন, বইমেলার আয়োজন এবং গত পাঁচ বছর ধরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী উদযাপনের কথাও এই রেজ্যুলেশনে তুলে ধরা হয়েছে।

মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, ‘নিউ ইয়র্কে প্রায় তিন লাখ প্রবাসী বাংলাদেশির প্রতি সম্মান এই অর্জন। আমরা সক্রিয় ছিলাম এবং এ নিয়ে কাজ করেছি। যে কারণে এমন অর্জন সম্ভব হয়েছে। আমি আপ্লুত’।

এদিকে এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বরকে ‘বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্ট ডে’ বা ‘বাংলাদেশি অভিবাসী দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে এই আইন করে। ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।