1. [email protected] : admi2017 :
বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৩০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঘায় বুদ্ধি ও অটিষ্ট্রিক প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে শীতবস্ত্র বিতরণ বেতাগী থানাকে মাদক ও বাল্য বিবাহ মুক্ত করার ঘোষনা অফিসার ইনচার্জ শাহ আলম পাথরঘাটায় কমিউনিটি পুলিশিং সভা রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল এর মালিক র‍্যাব-৩ হাতে গ্রেফতার আমাদের কাগজ স্প্যাকম্যান মিডিয়া গ্রুপের শিল্পী লি চো-হি আসন্ন কোরিয়ান টিভি নাটকে অভিনয় করতে চলেছেন, রাষ্ট্রপতি জিওং ইয়াক-ইয়ং, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুক্তি পাবে গাজীপুর শহরের কে এই নেতা বাবুল ওরফে ঘাড়কাটা বাবুল রাজনীতির ব্যানার দিয়ে অন্তরালে করছে চাঁদাবাজি নিরব প্রশাসন সাধারণ মানুষের অভিযোগ বাঘায় বাবার সামনে থেকে ছেলেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধরের অভিযোগ, উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি বাঘায় শিয়ালের কামড়ে ২ বছরের শিশুসহ আহত-৫ কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এলাকার প্রধান সড়কগুলোর মাঝে-ডিভাইডার নির্মাণ করা দরকার

বরগুনায় শিশু ধর্ষণ মামলা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১ মার্চ, ২০২১, ৭.৫৫ পূর্বাহ্ণ
  • ৭৪ বার পঠিত

পাথরঘাটা রিপোর্টার।।

শিশু ধর্ষণ মামলায় ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানায় ৩৫ দিন কারাবাসের অভিযোগ তুলেছেন বরগুনা সদর উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঢলুয়া গ্রামের বাসিন্দা কৃষক মো. বাদল মিয়া (৫৭)। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তুলে ক্ষতিপূরণ দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর ডাক যোগে ঢাকার শিশু আদালত থেকে বাদল মিয়া নামে একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা আসে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে। সেটি গ্রহণ করার পর এ গ্রেফতারি পরোয়ানা বরগুনার আদালতে পাঠায় পুলিশ। এরপর সেখান থেকে পাঠানো হয় বরগুনা সদর থানায়।
গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর বাদল মিয়াকে গ্রেফতার করে বরগুনা থানায় কর্মরত এএসআই নাঈমুর রহমান। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। টানা ৩৫ দিন কারাবাসের পর গত ১৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) জামিনের সাথে মামলা থেকে বাদল মিয়াকে অব্যাহতি দেয় আদালত।

জামিনের পাশাপাশি মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়ার আদেশে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত উল্লেখ করেন, যে গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে বাদল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে সেখানে মামলা নম্বর লেখা হয়েছে জি.আর ৪২৫/১৭ ও শিশু ৮৯০/১৮ (ঢাকা)।

এছাড়াও মামলা দায়েরের সাল ২০১৭ হলেও গ্রেফতারি পরোয়ানার বিচারকের স্বাক্ষরের স্থলে তারিখ দেওয়া হয়েছে ৪ এপ্রিল ২০১৪।

অন্যদিকে বাদল মিয়াকে গ্রেফতারের পর সেই তথ্য ডাকযোগে ঢাকা জজ আদালতে পাঠানো হলেও এ নামের কোন আদালত নেই বলে চিঠিটি ফেরত আসে। বাদল মিয়ার গ্রেফতারি পরোয়ানায় উল্লেখ থাকা নম্বরে কোন মামলা বিচারাধীন নেই বলেও নিশ্চিত হয় বরগুনার আদালত। তাই বাদল মিয়াকে জামিনের পাশাপাশি এ মামলা থেকে অব্যহতি দেয়া হয়।

বাদল মিয়া আরও অভিযোগ করে বলেন, শুধুমাত্র টাকার জন্য ভুয়া একটি গ্রেফতারি পরোয়ানায় পুলিশের সোর্স সাইফুল ও ইলিয়াস বরগুনা থানায় কর্মরত এএসআই নাঈমুর রহমান ও সাইফুল ইসলাম ষড়যন্ত্র করে আমাকে ঘৃণ্য অপরাধের মিথ্যা অভিযোগে ৩৫ দিন কারাভোগ করিয়েছে। তাই আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

এ বিষয়ে বরগুনা থানায় কর্মরত এএসআই নাঈমুর রহমান বলেন, ‘বাদল মিয়ার গ্রেফতারি পরোয়ানা বরগুনা থানায় এসেছে ২০১৮ সালে। তখন আমি পিরোজপুরে কর্মরত ছিলাম। আমি বরগুনা থানায় যোগদান করেছি গত বছরের ৬ নভেম্বর। সে হিসেবে আমি যোগদান করার দুই বছর আগেই বরগুনা থানায় বাদল মিয়ার গ্রেফতারি পরোয়ানা আসে। তাই আদালতের আদেশ অনুযায়ী বাদল মিয়াকে গ্রেফতার করে আমি আইনানুগ প্রক্রিয়া অবলম্বন করি।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘অন্যসব গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের মতই বাদল মিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এখানে পুলিশের কোন দোষ নেই। কেননা সকল ক্ষেত্রে গ্রেফতারি পরোয়ানার সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয় না পুলিশের। তবে পুলিশের সঙ্গে প্রতারণা করে একজন নিরাপরাধ মানুষকে হয়রানি করেছে তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazarsomoyer14
© All rights reserved  2019-2021

Dailysomoyerkontha.com