ঢাকা ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::

নানা আয়োজনে জবিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উদযাপন

ড়নানা আয়োজনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৩ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২৩ পালিত হয়েছে।

শুক্রবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজিব মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক।

এরপর একে একে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নীল দল, কর্মকর্তা সমিতি, কর্মচারী সমিতি, পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ এর পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এসময় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের চেয়ারম্যান, দপ্তরের পরিচালক, প্রক্টর, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. সরোয়ার আলম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. এ কে এম লুৎফর রহমান, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা, বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তা, সাংবাদিক প্রতিনিধি এবং কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৩ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২৩ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি র‌্যালী পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে এবং কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে কেক কাটা হয়।

এদিন সকাল ১১টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৩ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২৩ উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু ও আগামীর শিশু’ শীর্ষক শিশুদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে ‘স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্নে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, শিশুদের চোখ সমৃদ্ধির স্বপ্নে রঙিন’ স্লোগানকে সামনে রেখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৩ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২৩ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, “৭ মার্চের ভাষনের পর পাক আইন দিয়ে নয় বঙ্গবন্ধুর নির্দেশেই নিয়ন্ত্রিত হতো পূর্ব বাংলা; বঙ্গবন্ধু শুধু বাঙালি নয় পুরো বিশ্বে নেতৃত্বের দৃষ্টান্তে অবধারিত ছিলেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের বেশিরভাগ সময়ই লড়াই-সংগ্রাম, কারা বরণের মধ্য দিয়ে কাটিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠন পুরণ করে যেতে পারেননি, কিন্তু তাঁরই সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা বিশ্বের কাছে উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশকে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।”

এসময় তিনি আরও বলেন, “জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে কেউ যেন শিক্ষাঙ্গন সহ সারা দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে, সে ব্যাপারে ছাত্র-শিক্ষক সহ সকলকে সজাগ থাকতে হবে।”

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, “বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে আমাদের বুকে ধারণ করে আমাদের চলতে হবে, বঙ্গবন্ধু সবসময় শিক্ষক শিক্ষার্থী সহ কর্মচারীদের দাবি-দাওয়ার ব্যাপারে সোচ্চার ছিলেন।”

এসময় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এস এম মাসুম বিল্লাহ, লাইফ এন্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান খন্দকার, শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. সরোয়ার আলম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ কে এম লুৎফর রহমান, কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল কাদের এবং কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, প্রক্টর, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ প্রচার করা হয়। এদিকে বাদ জুম্মা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বিশেষ দোয়া মাহফিল হয়। এতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, ছাত্রনেতৃবৃন্দ, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরো খবর.......

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকুন্দিয়ায় পুলিশের অভিজানে চোরাই মোটরসাইকেল সহ ১ জন আটক

নানা আয়োজনে জবিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উদযাপন

আপডেট টাইম : ১১:৪৬:৩১ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৭ মার্চ ২০২৩

ড়নানা আয়োজনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৩ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২৩ পালিত হয়েছে।

শুক্রবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজিব মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক।

এরপর একে একে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নীল দল, কর্মকর্তা সমিতি, কর্মচারী সমিতি, পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ এর পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এসময় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের চেয়ারম্যান, দপ্তরের পরিচালক, প্রক্টর, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. সরোয়ার আলম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. এ কে এম লুৎফর রহমান, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা, বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তা, সাংবাদিক প্রতিনিধি এবং কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৩ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২৩ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি র‌্যালী পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে এবং কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে কেক কাটা হয়।

এদিন সকাল ১১টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৩ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২৩ উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু ও আগামীর শিশু’ শীর্ষক শিশুদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে ‘স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্নে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, শিশুদের চোখ সমৃদ্ধির স্বপ্নে রঙিন’ স্লোগানকে সামনে রেখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৩ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২৩ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, “৭ মার্চের ভাষনের পর পাক আইন দিয়ে নয় বঙ্গবন্ধুর নির্দেশেই নিয়ন্ত্রিত হতো পূর্ব বাংলা; বঙ্গবন্ধু শুধু বাঙালি নয় পুরো বিশ্বে নেতৃত্বের দৃষ্টান্তে অবধারিত ছিলেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের বেশিরভাগ সময়ই লড়াই-সংগ্রাম, কারা বরণের মধ্য দিয়ে কাটিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠন পুরণ করে যেতে পারেননি, কিন্তু তাঁরই সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা বিশ্বের কাছে উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশকে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।”

এসময় তিনি আরও বলেন, “জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে কেউ যেন শিক্ষাঙ্গন সহ সারা দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে, সে ব্যাপারে ছাত্র-শিক্ষক সহ সকলকে সজাগ থাকতে হবে।”

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, “বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে আমাদের বুকে ধারণ করে আমাদের চলতে হবে, বঙ্গবন্ধু সবসময় শিক্ষক শিক্ষার্থী সহ কর্মচারীদের দাবি-দাওয়ার ব্যাপারে সোচ্চার ছিলেন।”

এসময় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এস এম মাসুম বিল্লাহ, লাইফ এন্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান খন্দকার, শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. সরোয়ার আলম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ কে এম লুৎফর রহমান, কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল কাদের এবং কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, প্রক্টর, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ প্রচার করা হয়। এদিকে বাদ জুম্মা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বিশেষ দোয়া মাহফিল হয়। এতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, ছাত্রনেতৃবৃন্দ, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।