ঢাকা ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঘায় সৎ ভাইয়ের হাতে হত্যা হলো সাদেক আলী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে নিরাপদ জায়গায় রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: আসিফ মাহমুদ ঠাকুরগাঁওয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগের পার্টি অফিস দখল আজমিরীগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্রকরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নারী পুরুষসহ ৪০ জন আহত, বাড়ি-ঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর ও লোটপাট। সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে এই প্রথমবারের মতো আজ নিজ জেলা চট্টগ্রামে আসলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস কোনাবাড়ী ফ্লাইওভার ব্রিজের মাথায় বাসের ধাক্কায় নারী শ্রমিক নিহত কর্নেল সোফিয়াকে ‘জঙ্গিদের বোন’ বলে বিতর্কের মুখে বিজেপি মন্ত্রী কালুরঘাট সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, নেই প্রধান উপদেষ্টার নাম আওয়ামী লীগসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সব অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বন্ধে বিটিআরসিকে চিঠি ঢাবির ছাত্রদল নেতা হত্যার ঘটনায় উপাচার্য–প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ

দিনাজপুরে আলোচিত গৃহবধূ হত্যা মামলায়,তিন জনের মৃত্যুদন্ড

নিজস্ব সংবাদদাতা:
  • আপডেট টাইম : ০৪:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মে ২০২২
  • / ২৪৮ ১৫০০০.০ বার পাঠক

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম

বিভাগীয় প্রতিনিধি রংপুর।।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার গৃহবধূ হত্যার দায়ে তিন জনের মৃত্যুদণ্ড,একজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও একজনকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বুধবার (১১ মে) দুপুরে দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-৩ আদালতের বিচারক এসএম রেজাউল বারী এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলো ফুলবাড়ী উপজেলার দক্ষিণ সুজাপুর গ্রামের সাধনানন্দ চৌধুরীর স্ত্রী শ্রীমতি প্রতিমা রানী চৌধুরী (৪৫), তার ছেলে আকাশ চৌধুরী (২৭) এবং কাটাবাড়ী গ্রামের কার্তিক চন্দ্র মহন্তের ছেলে কাজল মহন্ত (৩১)
আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলো- সাধনানন্দ চৌধুরী (৬৩)। চকচকা গ্রামের রবীন্দ্রনাথ দাশের ছেলে জীবন চন্দ্র দাসকে (৩০) ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, সাধনা নন্দ চৌধুরী তার প্রথম স্ত্রী তপতী রানী চৌধুরীর সঙ্গে সংসার করার সময় ২০১৪ সালের দিকে প্রতিমা রানী চৌধুরীকে বিয়ে করেন। এরপর থেকেই তপতী রানীর সঙ্গে আলাদা থাকতেন এবং এবং ভরণ-পোষণ দিতেন না। এ নিয়ে প্রতিনিয়তই পারিবারিক কলহ হতো।

২০১৭ সালের ৬ এপ্রিল রাত ৯টার পর থেকে স্বামী, সতিন ও সতিনের ছেলেসহ পাঁচ জন মিলে তপতী রানীকে নির্যাতন করে। এক পর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তারা। পরে উত্তর কৃষ্ণপুর গ্রামের একটি বাঁশবাগানে নিয়ে লাশে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এঘটনায় নিহতের ছেলে শুভ নন্দ চৌধুরী বাদী হয়ে ফুলবাড়ী থানায় একটি মামলা করেন। পরে পুলিশ তদন্ত করে অভিযোগ দেন। মামলার চার জন আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পরে আদালতে মামলাটি চলাকালীন ২২ জন সাক্ষ্য দেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন পাবলিক প্রসিউকিউটর রবিউল ইসলাম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ছিলেন হামিদুল ইসলাম।

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দিনাজপুরে আলোচিত গৃহবধূ হত্যা মামলায়,তিন জনের মৃত্যুদন্ড

আপডেট টাইম : ০৪:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মে ২০২২

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম

বিভাগীয় প্রতিনিধি রংপুর।।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার গৃহবধূ হত্যার দায়ে তিন জনের মৃত্যুদণ্ড,একজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও একজনকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বুধবার (১১ মে) দুপুরে দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-৩ আদালতের বিচারক এসএম রেজাউল বারী এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলো ফুলবাড়ী উপজেলার দক্ষিণ সুজাপুর গ্রামের সাধনানন্দ চৌধুরীর স্ত্রী শ্রীমতি প্রতিমা রানী চৌধুরী (৪৫), তার ছেলে আকাশ চৌধুরী (২৭) এবং কাটাবাড়ী গ্রামের কার্তিক চন্দ্র মহন্তের ছেলে কাজল মহন্ত (৩১)
আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলো- সাধনানন্দ চৌধুরী (৬৩)। চকচকা গ্রামের রবীন্দ্রনাথ দাশের ছেলে জীবন চন্দ্র দাসকে (৩০) ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, সাধনা নন্দ চৌধুরী তার প্রথম স্ত্রী তপতী রানী চৌধুরীর সঙ্গে সংসার করার সময় ২০১৪ সালের দিকে প্রতিমা রানী চৌধুরীকে বিয়ে করেন। এরপর থেকেই তপতী রানীর সঙ্গে আলাদা থাকতেন এবং এবং ভরণ-পোষণ দিতেন না। এ নিয়ে প্রতিনিয়তই পারিবারিক কলহ হতো।

২০১৭ সালের ৬ এপ্রিল রাত ৯টার পর থেকে স্বামী, সতিন ও সতিনের ছেলেসহ পাঁচ জন মিলে তপতী রানীকে নির্যাতন করে। এক পর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তারা। পরে উত্তর কৃষ্ণপুর গ্রামের একটি বাঁশবাগানে নিয়ে লাশে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এঘটনায় নিহতের ছেলে শুভ নন্দ চৌধুরী বাদী হয়ে ফুলবাড়ী থানায় একটি মামলা করেন। পরে পুলিশ তদন্ত করে অভিযোগ দেন। মামলার চার জন আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পরে আদালতে মামলাটি চলাকালীন ২২ জন সাক্ষ্য দেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন পাবলিক প্রসিউকিউটর রবিউল ইসলাম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ছিলেন হামিদুল ইসলাম।