ঢাকা ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর রাজস্ব কর্মকর্তার মতিউর রহমানের অবৈধ সম্পদের খোঁজ মিলেছে এবার দুদক ভারতের সঙ্গে সই হতে পারে ১০টির বেশি চুক্তি ও এমওইউ প্রধানমন্ত্রী নয়াদিল্লি যাচ্ছে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংক থেকে বাংলাদেশিদের অর্থ তুলে নেওয়ার হার গত কয়েক বছর ধরে বাড়ছে ভাঙা কালভার্টের সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত দেশের ক্ষতি চায় বিএনপি’ভারতের সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক সৃষ্টি করে রাশিয়ার দুটি জ্বালানি ডিপোতে ড্রোন হামলায় আগুন যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেনজীর ও আছাদুজ্জামানের সম্পদ নিয়ে এবার মুখ খুললেন বছরে ৯২ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়: সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মতিউর রহমান একজন জাতীয় রাজস্ব কর্মকর্তা। বর্তমানে কাস্টমস তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের পাহাড় রয়েছে

কাকরাইলে মা-ছেলেকে হত্যা ॥ স্বামীসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

  • সময়ের কন্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : ০৮:৩১:২০ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১
  • ২৮৫ ০.০০০ বার পাঠক

সময়ের কন্ঠ রিপোর্টার।।

রাজধানীর কাকরাইলে মা ও ছেলেকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিন জনের মৃত্যুদণ্ড ও প্রত্যেকের ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ রবিবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক রবিউল আলম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—নিহত শামসুন্নাহারের স্বামী আব্দুল করিম, করিমের দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন মুক্তা ও মুক্তার ভাই আল-আমিন ওরফে জনি।

এর আগে ১০ জানুয়ারি আসামি আব্দুল করিমের পক্ষে তার আইনজীবী অবশিষ্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুনানি শেষ করেন। শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের তারিখ নির্ধারণ করেন বিচারক।

এ মামলায় ২২ জনের মধ্যে ১৭ জন সাক্ষী দিয়েছেন।

এর আগে ২০১৮ সালের ১৬ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক মো. আলী হোসেন ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশীদ আলমের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১ নবেম্বর সন্ধ্যায় কাকরাইলের আঞ্জুমানে মুফিদুল ইসলাম রোডের ৭৯/১ বাড়িতে শামসুন্নাহার (৪৫) ও তার ছেলে শাওনকে (‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী) গলাকেটে হত্যা করা হয়। নিহতের স্বামী আবদুল করিম পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের ব্যবসায়ী। তিনি আদা, রসুন ও পেঁয়াজের আমদানিকারক।

ওই ঘটনায় পরের দিন নিহতের ভাই আশরাফ আলী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

২০১৮ সালের ১৬ জুলাই ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশীদ আলমের আদালতে আবদুল করিমসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন রমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলী হোসেন। চার্জশিটভুক্ত অপর দুজন হলেন- করিমের তৃতীয় স্ত্রী শারমিন মুক্তা ও তার ভাই আল-আমিন ওরফে জনি।

এরপর ২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রবিউল ইসলাম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

আরো খবর.......

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর রাজস্ব কর্মকর্তার মতিউর রহমানের অবৈধ সম্পদের খোঁজ মিলেছে এবার দুদক

কাকরাইলে মা-ছেলেকে হত্যা ॥ স্বামীসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট টাইম : ০৮:৩১:২০ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১

সময়ের কন্ঠ রিপোর্টার।।

রাজধানীর কাকরাইলে মা ও ছেলেকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিন জনের মৃত্যুদণ্ড ও প্রত্যেকের ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ রবিবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক রবিউল আলম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—নিহত শামসুন্নাহারের স্বামী আব্দুল করিম, করিমের দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন মুক্তা ও মুক্তার ভাই আল-আমিন ওরফে জনি।

এর আগে ১০ জানুয়ারি আসামি আব্দুল করিমের পক্ষে তার আইনজীবী অবশিষ্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুনানি শেষ করেন। শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের তারিখ নির্ধারণ করেন বিচারক।

এ মামলায় ২২ জনের মধ্যে ১৭ জন সাক্ষী দিয়েছেন।

এর আগে ২০১৮ সালের ১৬ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক মো. আলী হোসেন ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশীদ আলমের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১ নবেম্বর সন্ধ্যায় কাকরাইলের আঞ্জুমানে মুফিদুল ইসলাম রোডের ৭৯/১ বাড়িতে শামসুন্নাহার (৪৫) ও তার ছেলে শাওনকে (‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী) গলাকেটে হত্যা করা হয়। নিহতের স্বামী আবদুল করিম পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের ব্যবসায়ী। তিনি আদা, রসুন ও পেঁয়াজের আমদানিকারক।

ওই ঘটনায় পরের দিন নিহতের ভাই আশরাফ আলী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

২০১৮ সালের ১৬ জুলাই ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশীদ আলমের আদালতে আবদুল করিমসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন রমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলী হোসেন। চার্জশিটভুক্ত অপর দুজন হলেন- করিমের তৃতীয় স্ত্রী শারমিন মুক্তা ও তার ভাই আল-আমিন ওরফে জনি।

এরপর ২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রবিউল ইসলাম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।