1. [email protected] : admi2017 :
বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ই-পেপার আজকের এমপি হারুনের ৫ বছরের কারাদণ্ড হাইকোর্টে বহাল আ.লীগ ক্ষমতায় আসার পর রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলে গেছে : ফখরুল মোংলায় ’দুর্নীতিকে না বলুন’ শ্লোগানে দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালন নমিনেশন পেপার্স জমা দিতেই ব্যাপক আনন্দ উদ্দীপনায় সিক্ত মেম্বার আব্দুল খালেক গাজীপুরের কাশিমপুর সুরাবাড়ী এলাকায় ২৬ টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, ফোর্বসের প্রভাবশালী নারীর তালিকায় ৪৩তম শেখ হাসিনা ১০৮৬ জনকে চাকরি দেবে বাংলাদেশ রেলওয়ে আসন্ন রায়পুরা পৌরসভা নির্বাচনে ৪,৫ও ৬নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী তমা আক্তারকে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর করতে চান “ওয়ার্ডবাসী” এনবিসি ইউকে “ইস্ট লন্ডন” শাখার কমিটি গঠন মাল্টিপারপাস সেডে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসেম্বরের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

এফআরসির নির্দেশনা মানছে না পাওয়ার গ্রিড

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২১, ৮.২৫ এএম
  • ৬৯ বার পঠিত

সময়ের কন্ঠ রিপোর্ট।।

ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) নির্দেশনা মানছে না শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ও রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি। ফলে গ্রাহকদের কাছ থেকে ২৯১ কোটি টাকার পাওনা আদায় নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কোম্পানিটির নিরীক্ষক। পাওয়ার গ্রিডের ২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক হিসাব নিরীক্ষার নিরীক্ষক এমন মন্তব্য করেছেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে।

Nogod

নিরীক্ষক জানিয়েছেন, বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে পাওয়ার গ্রিডের পাওনা রয়েছে ৬২২ কোটি ৬১ লাখ টাকা। এর মধ্যে ডিপিডিসির কাছে ৯৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা, ডেসকোর কাছে ২৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা, বিপিডিবির কাছে ২৬৫ কোটি ০৯ লাখ টাকা, পিবিএসের কাছে ১৮৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকা, ডব্লিউজেডপিডিসিএলের কাছে ১৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকা, এম/এস আবুল খায়ের স্টিল প্রডাক্টের কাছে শূন্য দশমিক ৬৪ কোটি টাকা ও বিডব্লিউডিবি জিকের কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার প্রজেক্টের কাছে ১৬ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। এসব গ্রাহকের কাছে পাওনা টাকার পরিমাণ বছরের পর বছর বাড়ছে।

এছাড়া ঐ গ্রাহকদের কাছে পাওনা টাকার মধ্যে ২৯১ কোটি ১৭ লাখ টাকা আদায় নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ডিপিডিসির কাছে ৬৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকা, ডেসকোর কাছে ৫৬ লাখ টাকা, বিপিডিবির কাছে ২১৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা, পিবিএসের কাছে ১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, ডব্লিউজেডপিডিসিএলের কাছে ৭০ হাজার টাকা, এম/এস আবুল খায়ের স্টিল প্রডাক্টের কাছে ৬৪ লাখ টাকা ও বিডব্লিউডিবি জিকের কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার প্রজেক্টের কাছে ১৬ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। এ টাকা আদায়ের সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করছেন নিরীক্ষক।এফআরসির চলতি বছরের ২ মার্চের এক নির্দেশনায় শেয়ার মানি ডিপোজিটকে অফেরতযোগ্য ও ৬ মাসের মধ্যে শেয়ার ক্যাপিটালে রূপান্তর করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া শেয়ার মানি ডিপোজিটকে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) গণনায় বিবেচনায় নিতে বলা হয়েছে। তবে পাওয়ার গ্রিড কর্তৃপক্ষ এফআরসির এ নির্দেশনা পরিপালন করছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazarsomoyer14
© All rights reserved  2019-2021 somoyerkontha.com