ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শহীদ পরিবারের পাশে থাকার আহবান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হোমনায় ইয়াবা ব্যবসায়ী,সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন লামা বনবিভাগের সাড়াশি ৯ টি ব্রীকফিল্ডের প্রায় ৯ হাজার ঘনফুট গাছ জব্দ বর্তমান সরকার উন্নয়ন বান্ধব সরকার এই সরকারের সময় গ্রামীণ অবকাঠামোয় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে বাশিস পীরগঞ্জ শাখার নবনির্বাচিতদের শপথ পাঠ করা হয়েছে খুলনা নগরের-খাঁন এ সবুর রোড-(আপার যশোর রোড)-এ-চলছে-রাস্তা সম্পসারনের কাজ রাঙামাটিতে উপজাতীয় সন্ত্রাসীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে নিহত-১ সন্দ্বীপের বানীরহাটে একরাতে ১৮দোকান চুরি মেট্রোপলিটন পুলিশ (ট্রাফিক) বন্দর বিভাগের আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা তারাকান্দায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী জন্মদিন উদযাপন

হিলি বন্দর দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ

সময়ের কন্ঠ রিপোর্টার।।

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গত বুধবার থেকে ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। গত মঙ্গলবার সর্বশেষ এই বন্দর দিয়ে চাল আমদানি করা হয়।

Nogod

বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ জানান, বাংলাদেশে কোন পণ্য আমদানি করার ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট এইচএস কোড থাকে। চাল আমদানির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। আমরা ভারত থেকে সিদ্ধ চাল (নন-বাসমতি) আমদানি করার জন্য ১০০৬.২০-০০ নম্বর বিশিষ্ট এইচএস কোড ব্যবহার করে আমদানি করছি। এরফলে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ওই এইচএস কোডে চাল আমদানি করা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার ভারতের চাল রপ্তানিকারকরা তাদের সরকার ১০০৬.৩০.৯০ এইচএস কোড ছাড়া চাল রপ্তানি করবে না বলে জানান। ফলে পূর্বের ১০০৬.২০-০০ এইচএস কোড অকার্যকর হয়ে পড়ে। এ কারণে গত বুধবার থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে চাল আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে ভারতের ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা চলছে। তবে খুব তাড়াতাড়ি সমাধান হয়ে যাবে বলে আমরা আশা করছি।

বন্দরে চাল খালাস কাজে নিয়োজিত সিএন্ডএফ এজেন্ট সেরেগুল ইসলাম জানান, বর্তমানে যে এইচএস কোডের মাধ্যমে ভারত থেকে চাল আমদানি করা হচ্ছিলো এবং এখন যে এইচএস কোডের মাধ্যমে আমদানির কথা বলা হচ্ছে তা প্রায় একই এইচএস কোড হিসেবে বিবেচিত। এই দুই এইচএস কোডের মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য হয় না। সবই হাসকিং মিলের সিদ্ধ চাল এবং একই গুণগত মানের। ভারত সরকার চালের রপ্তানি মূল্য বাড়ানোর জন্য এই ফন্দি করছে। এর আগেও গম আমদানি করা হচ্ছিল। কিন্তু একপর্যায়ে গম রপ্তানি বন্ধ করে দিয়ে তারা তাদের পছন্দের লোকদের দিয়ে সমুদ্রপথে রপ্তানি শুরু করে। যাতে অন্য কেউ ব্যবসা করতে না পারে। চালের ক্ষেত্রেও তারা এই কৌশল করছে।

বন্দরের পানামা হিলি পোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক জানান, গত ৯-১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ভারত থেকে ৫৪ টি ট্রাকে মোট ২ হাজার ১৩৩ মেট্রিকটন সিদ্ধ চাল আমদানি করা হয়েছে। এরপর থেকে এই বন্দর দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ আছে।

বন্দরের কাস্টমস কার্যালয় বলছে, দীর্ঘ বছর পর গত ৯ জানুয়ারি থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়। বন্দরের আমদানিকারকেরা প্রতি মেট্রিক টন নন-বাসমতি চাল ৩৫৬ ডলারে আমদানি করছেন। এর ফলে বন্দরের ব্যবসায়ী, সিএন্ডএফ এজেন্ট ও কুলি-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্যতা শুরু হয়।

এদিকে সাম্প্রতিককালে দেশে চালের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠে। সরকার দামের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে ভারত থেকে বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানি করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ কারণে হিলিসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার আমদানিকারকরা ভারত থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে চাল আমদানি শুরু হয়।

আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শহীদ পরিবারের পাশে থাকার আহবান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

হিলি বন্দর দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ

আপডেট টাইম : ০৬:৫৮:০৬ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১

সময়ের কন্ঠ রিপোর্টার।।

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গত বুধবার থেকে ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। গত মঙ্গলবার সর্বশেষ এই বন্দর দিয়ে চাল আমদানি করা হয়।

Nogod

বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ জানান, বাংলাদেশে কোন পণ্য আমদানি করার ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট এইচএস কোড থাকে। চাল আমদানির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। আমরা ভারত থেকে সিদ্ধ চাল (নন-বাসমতি) আমদানি করার জন্য ১০০৬.২০-০০ নম্বর বিশিষ্ট এইচএস কোড ব্যবহার করে আমদানি করছি। এরফলে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ওই এইচএস কোডে চাল আমদানি করা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার ভারতের চাল রপ্তানিকারকরা তাদের সরকার ১০০৬.৩০.৯০ এইচএস কোড ছাড়া চাল রপ্তানি করবে না বলে জানান। ফলে পূর্বের ১০০৬.২০-০০ এইচএস কোড অকার্যকর হয়ে পড়ে। এ কারণে গত বুধবার থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে চাল আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে ভারতের ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা চলছে। তবে খুব তাড়াতাড়ি সমাধান হয়ে যাবে বলে আমরা আশা করছি।

বন্দরে চাল খালাস কাজে নিয়োজিত সিএন্ডএফ এজেন্ট সেরেগুল ইসলাম জানান, বর্তমানে যে এইচএস কোডের মাধ্যমে ভারত থেকে চাল আমদানি করা হচ্ছিলো এবং এখন যে এইচএস কোডের মাধ্যমে আমদানির কথা বলা হচ্ছে তা প্রায় একই এইচএস কোড হিসেবে বিবেচিত। এই দুই এইচএস কোডের মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য হয় না। সবই হাসকিং মিলের সিদ্ধ চাল এবং একই গুণগত মানের। ভারত সরকার চালের রপ্তানি মূল্য বাড়ানোর জন্য এই ফন্দি করছে। এর আগেও গম আমদানি করা হচ্ছিল। কিন্তু একপর্যায়ে গম রপ্তানি বন্ধ করে দিয়ে তারা তাদের পছন্দের লোকদের দিয়ে সমুদ্রপথে রপ্তানি শুরু করে। যাতে অন্য কেউ ব্যবসা করতে না পারে। চালের ক্ষেত্রেও তারা এই কৌশল করছে।

বন্দরের পানামা হিলি পোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক জানান, গত ৯-১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ভারত থেকে ৫৪ টি ট্রাকে মোট ২ হাজার ১৩৩ মেট্রিকটন সিদ্ধ চাল আমদানি করা হয়েছে। এরপর থেকে এই বন্দর দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ আছে।

বন্দরের কাস্টমস কার্যালয় বলছে, দীর্ঘ বছর পর গত ৯ জানুয়ারি থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়। বন্দরের আমদানিকারকেরা প্রতি মেট্রিক টন নন-বাসমতি চাল ৩৫৬ ডলারে আমদানি করছেন। এর ফলে বন্দরের ব্যবসায়ী, সিএন্ডএফ এজেন্ট ও কুলি-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্যতা শুরু হয়।

এদিকে সাম্প্রতিককালে দেশে চালের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠে। সরকার দামের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে ভারত থেকে বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানি করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ কারণে হিলিসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার আমদানিকারকরা ভারত থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে চাল আমদানি শুরু হয়।