ঢাকা ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর রাজস্ব কর্মকর্তার মতিউর রহমানের অবৈধ সম্পদের খোঁজ মিলেছে এবার দুদক ভারতের সঙ্গে সই হতে পারে ১০টির বেশি চুক্তি ও এমওইউ প্রধানমন্ত্রী নয়াদিল্লি যাচ্ছে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংক থেকে বাংলাদেশিদের অর্থ তুলে নেওয়ার হার গত কয়েক বছর ধরে বাড়ছে ভাঙা কালভার্টের সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত দেশের ক্ষতি চায় বিএনপি’ভারতের সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক সৃষ্টি করে রাশিয়ার দুটি জ্বালানি ডিপোতে ড্রোন হামলায় আগুন যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেনজীর ও আছাদুজ্জামানের সম্পদ নিয়ে এবার মুখ খুললেন বছরে ৯২ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়: সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মতিউর রহমান একজন জাতীয় রাজস্ব কর্মকর্তা। বর্তমানে কাস্টমস তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের পাহাড় রয়েছে

চলতি মাসেই ৬৬ হাজার পরিবার পাবে প্রধানমন্ত্রীর উপহার

  • সময়ের কন্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : ০৫:৫৯:২৬ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২১
  • ৩৪০ ০.০০০ বার পাঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রায় নয় লাখ ভূমি ও গৃহহীন অসহায় পরিবার বসবাসের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাচ্ছেন পাকা ঘর।

সম্প্রতি আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের বিভিন্নস্থান সরেজমিনে দেখে এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প, গুচ্ছগ্রাম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এ তিন সংস্থার সমন্বয়ে, জেলা এবং উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় সংসদ সদস্য, নির্বাচিত অন্যান্য জনপ্রতিনিধি এবং সুধিজনের সমন্বয়ে গঠিত ট্রাস্কফোর্সের মাধ্যমে আশ্রয়ণ প্রকল্পের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ ঘোষণা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দেশের সব ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের তালিকা করা হয়েছে। ঘর এবং জমি নেই এমন পরিবারের সংখ্যা দুই লাখ ৯৩ হাজার ৩৬১ জন। অপরদিকে জমি আছে, ঘর নেই এমন পরিবারের সংখ্যা পাঁচ লাখ ৯২ হাজার ২৬১টি। সর্বমোট আট লাখ ৮৫ হাজার ৬২২টি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে বাসস্থান নির্মাণ করে দেওয়া হবে সরকারের পক্ষ থেকে। দুই শতক জমির ওপরে নির্মিত প্রতিটা ঘরের নির্মাণ ব্যয় হচ্ছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। দুই কক্ষ বিশিষ্ট ঘরের সঙ্গে একটি রান্নাঘর, একটি সংযুক্ত টয়লেট ও ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা রাখা হয়েছে। ভূমিহীন যারা রয়েছে তাদের দুই শতক ঘরের জমির মালিকানাও দেওয়া হবে।প্রথম পর্যায়ে সারাদেশে ভূমিহীন-গৃহহীন বিধবা, অসহায়, বয়স্ক, দুস্থ এবং প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রায় ৬৬ হাজার পরিবারের জন্য গৃহ নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এ ঘরগুলো উপকারভোগীদের দেওয়া হবে। চলতি মাসের কোনো এক সময় এ ঘরগুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমি ও গৃহহীন দুস্থ মানুষদের মধ্যে বিতরণ করবেন।এ বিষয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. মাহবুব হোসেন বলেন, প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৬৬ হাজার পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ মাসেই ঘর বুঝিয়ে দেবেন। মুজিববর্ষে একবছরের মধ্যে আরও এক লাখ ঘর নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। পর্যায়ক্রমে সরকারের পক্ষ থেকে নয় লাখ পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে। ঘর দেওয়ার পাশাপাশি এসব ভূমিহীন-গৃহহীন বিধবা, অসহায়, বয়স্ক, দুস্থ এবং প্রতিবন্ধী মানুষদের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নে ভবিষ্যতে সরকারের পক্ষ থেকে আয় বর্ধক নানা কর্মসূচিও গ্রহণ করা হবে বলে জানান প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা।এ বিষয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. মাহবুব হোসেন বলেন, প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৬৬ হাজার পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ মাসেই ঘর বুঝিয়ে দেবেন। মুজিববর্ষে একবছরের মধ্যে আরও এক লাখ ঘর নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। পর্যায়ক্রমে সরকারের পক্ষ থেকে নয় লাখ পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে। ঘর দেওয়ার পাশাপাশি এসব ভূমিহীন-গৃহহীন বিধবা, অসহায়, বয়স্ক, দুস্থ এবং প্রতিবন্ধী মানুষদের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নে ভবিষ্যতে সরকারের পক্ষ থেকে আয় বর্ধক নানা কর্মসূচিও গ্রহণ করা হবে বলে জানান প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা।

আরো খবর.......

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর রাজস্ব কর্মকর্তার মতিউর রহমানের অবৈধ সম্পদের খোঁজ মিলেছে এবার দুদক

চলতি মাসেই ৬৬ হাজার পরিবার পাবে প্রধানমন্ত্রীর উপহার

আপডেট টাইম : ০৫:৫৯:২৬ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রায় নয় লাখ ভূমি ও গৃহহীন অসহায় পরিবার বসবাসের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাচ্ছেন পাকা ঘর।

সম্প্রতি আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের বিভিন্নস্থান সরেজমিনে দেখে এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প, গুচ্ছগ্রাম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এ তিন সংস্থার সমন্বয়ে, জেলা এবং উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় সংসদ সদস্য, নির্বাচিত অন্যান্য জনপ্রতিনিধি এবং সুধিজনের সমন্বয়ে গঠিত ট্রাস্কফোর্সের মাধ্যমে আশ্রয়ণ প্রকল্পের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ ঘোষণা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দেশের সব ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের তালিকা করা হয়েছে। ঘর এবং জমি নেই এমন পরিবারের সংখ্যা দুই লাখ ৯৩ হাজার ৩৬১ জন। অপরদিকে জমি আছে, ঘর নেই এমন পরিবারের সংখ্যা পাঁচ লাখ ৯২ হাজার ২৬১টি। সর্বমোট আট লাখ ৮৫ হাজার ৬২২টি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে বাসস্থান নির্মাণ করে দেওয়া হবে সরকারের পক্ষ থেকে। দুই শতক জমির ওপরে নির্মিত প্রতিটা ঘরের নির্মাণ ব্যয় হচ্ছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। দুই কক্ষ বিশিষ্ট ঘরের সঙ্গে একটি রান্নাঘর, একটি সংযুক্ত টয়লেট ও ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা রাখা হয়েছে। ভূমিহীন যারা রয়েছে তাদের দুই শতক ঘরের জমির মালিকানাও দেওয়া হবে।প্রথম পর্যায়ে সারাদেশে ভূমিহীন-গৃহহীন বিধবা, অসহায়, বয়স্ক, দুস্থ এবং প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রায় ৬৬ হাজার পরিবারের জন্য গৃহ নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এ ঘরগুলো উপকারভোগীদের দেওয়া হবে। চলতি মাসের কোনো এক সময় এ ঘরগুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমি ও গৃহহীন দুস্থ মানুষদের মধ্যে বিতরণ করবেন।এ বিষয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. মাহবুব হোসেন বলেন, প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৬৬ হাজার পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ মাসেই ঘর বুঝিয়ে দেবেন। মুজিববর্ষে একবছরের মধ্যে আরও এক লাখ ঘর নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। পর্যায়ক্রমে সরকারের পক্ষ থেকে নয় লাখ পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে। ঘর দেওয়ার পাশাপাশি এসব ভূমিহীন-গৃহহীন বিধবা, অসহায়, বয়স্ক, দুস্থ এবং প্রতিবন্ধী মানুষদের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নে ভবিষ্যতে সরকারের পক্ষ থেকে আয় বর্ধক নানা কর্মসূচিও গ্রহণ করা হবে বলে জানান প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা।এ বিষয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. মাহবুব হোসেন বলেন, প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৬৬ হাজার পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ মাসেই ঘর বুঝিয়ে দেবেন। মুজিববর্ষে একবছরের মধ্যে আরও এক লাখ ঘর নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। পর্যায়ক্রমে সরকারের পক্ষ থেকে নয় লাখ পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে। ঘর দেওয়ার পাশাপাশি এসব ভূমিহীন-গৃহহীন বিধবা, অসহায়, বয়স্ক, দুস্থ এবং প্রতিবন্ধী মানুষদের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নে ভবিষ্যতে সরকারের পক্ষ থেকে আয় বর্ধক নানা কর্মসূচিও গ্রহণ করা হবে বলে জানান প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা।