ঢাকা ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
ড. ইউনূসের বলিষ্ঠ পররাষ্ট্রনীতি : এব্যাপারে বিএনপির অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে হরিরামপুরে তারুণ্যের উৎসব -২০২৫ বিজয়ীদের পুরস্কার বিতারন করা হয় ইপিজেড থানার দক্ষিণ হালিশহর উচ্চ বিদ্যালয়ে,এস এস সি-২০২৫ এর বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন টঙ্গীতে মারধর ও মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি কথিত যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ শহিদ মিনারে ২ দফা দাবি নিয়ে ‘বিডিআর কল্যাণ পরিষদের’ অবস্থান একযুগ পর বাংলাদেশ-পাকিস্তান রাজনৈতিক সংলাপ হতে যাচ্ছে সিএমজিকে সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা বড় রকমের সংস্কার করতে চাই, দেশকে নতুনভাবে গড়তে চাই ভারতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি রাজধানীতে সন্ধ্যায় দমকা হাওয়ার সঙ্গে হালকা বৃষ্টি নাসিরনগরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহা অষ্টমী স্নানোৎসব

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে স্বাধীনতা পূর্ণতা পেয়েছিলো: পানিসম্পদ উপমন্ত্রী

সময়ের কন্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : ১০:৪৬:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ জানুয়ারী ২০২১
  • / ২৮৭ ৫০০০.০ বার পাঠক

সময়ের কন্ঠ রিপোর্ট।।

জাতীয় প্রেসক্লাবে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম। ছবিঃ ফোকাস বাংলা
Nogod

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পূর্ণতা পায়। একটি স্বাধীন দেশের রাষ্ট্রনায়কের প্রত্যাবর্তনে এ দেশের লাখো-কোটি মানুষ আনন্দে উদ্বেলিত হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন পাকিস্তানের কারাগার থেকে যুক্তরাজ্যে যান, তখন সেখানে তাঁকে রাষ্ট্রনায়ক এবং বাঙালি জাতির পিতা হিসেবে অভ্যর্থনা জানানো হয়।

ভারতে পৌঁছালেও একইভাবে তাঁকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে যখন প্রত্যাবর্তন করেন, তখন সারাদেশের মানুষ ঢাকায় এসে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।

সোমবার (১১ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ এস.এম একরামুল হক, মেহেরুন নেছা, অধ্যক্ষ মনতাজ উদ্দিন, অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান। তিনি আরও বলেন, মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে একটি জাতিকে লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য যে যে ‘গ্রাউন্ড ওয়ার্ক’ করার দরকার, বঙ্গবন্ধু সেটাই করেছিলেন। তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক এবং অভিন্ন। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ।

এনামুল হক শামীম আরও বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার অবদান অবিস্মরণীয়। এখন বছরের প্রথমদিন শিক্ষার্থীরা নতুন পায়। এ সরকারের আমলে দেশে নতুন নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হয়েছে। দেশের বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত হয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশ্বমানের করতে নিরলসভাবে কাজ চলছেন। তিনি শিক্ষকদের সম্মানিত ও মর্যাদাও বৃদ্ধি করেছেন। শিক্ষাবান্ধব প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বসেরা। তাই এদেশের জনগণ বারবার জননেত্রী হাসিনাকে ক্ষমতায় আনে।

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে স্বাধীনতা পূর্ণতা পেয়েছিলো: পানিসম্পদ উপমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১০:৪৬:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ জানুয়ারী ২০২১

সময়ের কন্ঠ রিপোর্ট।।

জাতীয় প্রেসক্লাবে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম। ছবিঃ ফোকাস বাংলা
Nogod

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পূর্ণতা পায়। একটি স্বাধীন দেশের রাষ্ট্রনায়কের প্রত্যাবর্তনে এ দেশের লাখো-কোটি মানুষ আনন্দে উদ্বেলিত হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন পাকিস্তানের কারাগার থেকে যুক্তরাজ্যে যান, তখন সেখানে তাঁকে রাষ্ট্রনায়ক এবং বাঙালি জাতির পিতা হিসেবে অভ্যর্থনা জানানো হয়।

ভারতে পৌঁছালেও একইভাবে তাঁকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে যখন প্রত্যাবর্তন করেন, তখন সারাদেশের মানুষ ঢাকায় এসে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।

সোমবার (১১ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ এস.এম একরামুল হক, মেহেরুন নেছা, অধ্যক্ষ মনতাজ উদ্দিন, অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান। তিনি আরও বলেন, মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে একটি জাতিকে লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য যে যে ‘গ্রাউন্ড ওয়ার্ক’ করার দরকার, বঙ্গবন্ধু সেটাই করেছিলেন। তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক এবং অভিন্ন। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ।

এনামুল হক শামীম আরও বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার অবদান অবিস্মরণীয়। এখন বছরের প্রথমদিন শিক্ষার্থীরা নতুন পায়। এ সরকারের আমলে দেশে নতুন নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হয়েছে। দেশের বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত হয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশ্বমানের করতে নিরলসভাবে কাজ চলছেন। তিনি শিক্ষকদের সম্মানিত ও মর্যাদাও বৃদ্ধি করেছেন। শিক্ষাবান্ধব প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বসেরা। তাই এদেশের জনগণ বারবার জননেত্রী হাসিনাকে ক্ষমতায় আনে।