ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩
সংবাদ শিরোনাম ::
রংপুর পীরগঞ্জের বড় আলমপুর ইউনিয়নের বর্ষপুতিতে কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হামলা চালিয়ে ভাঙ্চুর, মারপিট, টাকা ও অলঙ্কার লুট করে উল্টো হাসপাতালে ভর্তি হিরো আলমকে সমর্থন নতুনধারার ঢাকাস্থ ভাটারা সমিতির সহযোগিতায় জামালপুরে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ প্রভাবশালীর অত্যাচারে ৬ মাস বাড়ি ছাড়া বিচারের দাবিতে পথে পথে অসহায় পরিবার দুটি নাসিরনগরে বাস ও অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে ৯ জন আহত বান্দরবানের পাহাড়ের ঢালুতে বানিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে ঠান্ডা আলু বাংলাদেশ একটি সফল উন্নয়নের গল্প: বিশ্ব ব্যাংক বিরামপুর রেলস্টেশনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান। টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে পারছে না প্রতিবন্ধী জাকারিয়া। মোঃ আসাদুজ্জামান

মাঠ পর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা ভালো ব্যবহার করলে তখনই সাফল্য ইত্তেফাকের সঙ্গে আলাপকালে আইজিপি

সময়ের কন্ঠ রিপোর্টার।।

মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করলে তখনই নিজেকে সফল বলে মনে করব।’ ইত্তেফাকের সঙ্গে আলাপকালে এমন মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদ।

তিনি বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে যখন মানুষের কোনো অভিযোগ থাকবে না, সবাই থানায় গিয়ে ভালো সেবা পাবেন; তখন আমি আইজিপি হিসেবে মনে করব মানুষের জন্য কিছু করতে পেরেছি, নিজে সফল হয়েছি।

ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর পুলিশ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সদস্য পর্যন্ত অনেকের মধ্যেই পদোন্নতি নিয়ে ক্ষোভ ছিল। সম্প্রতিকালে আমি ডিআইজি থেকে কনস্টেবল পর্যন্ত সবার পদোন্নতির ব্যবস্থা করেছি। পুলিশ সদর দপ্তরে একটা শক্তিশালী মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে। সেখান থেকে প্রতিটি সদস্যের কার্যক্রম মনিটরিং করা হয়। মানুষের সঙ্গে শুধু ভালো ব্যবহার নয়, কেউ দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে কি না, সে ব্যাপারেও খোঁজখবর নেওয়া হয়। আমি নিজে থেকে পদোন্নতি প্রক্রিয়া মনিটরিং করেছি। যারা ভালো পরীক্ষা দিয়েছে তারাই পদোন্নতি পেয়েছে। কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি হয়নি।

বেনজীর আহমেদ বলেন, তবে এসআই পদে যারা পরীক্ষা দিয়ে চাকরিতে আসেন তারা আসলে ইন্সপেক্টরের ওপরে যেতেই পারে না। দীর্ঘদিন তাদের একই পদে চাকরি করতে হয়। এখানে আসলে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দরকার। একজন অফিসার সারা জীবন একই পদে চাকরি করতে পারেন না। তার পদোন্নতির ব্যবস্থা থাকা উচিত।

নিজে দায়িত্ব নেওয়ার পর পুলিশের চেইন অব কমান্ড শক্তিশালী হয়েছে উল্লেখ করে পুলিশপ্রধান বলেন, একটি শৃঙ্খল বাহিনীতে চেইন অব কমান্ড খুবই দরকার। অনিয়ম দুর্নীতি একটি শৃঙ্খলা বাহিনীতে থাকতে পারে না। পাশাপাশি দক্ষ ও যোগ্যদের মূল্যায়ন করতে হবে। আমি প্রতিটি নিয়োগ পরীক্ষা স্বচ্ছতার সঙ্গে করেছি। নিজে মনিটরিং করেছি। যাতে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি না হয়। যোগ্যরা মূল্যায়িত হন। এখন বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে একটা বিষয় পরিষ্কার হয়েছে যে, যারা দক্ষ ও যোগ্য তারাই শুধু মূল্যায়িত হবেন। অনিয়ম ও দুর্নীতি এবং মানুষকে সেবা না দিয়ে এই বাহিনীতে টিকে থাকা যাবে না।

সময়ের কন্ঠ পএিকার

আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুর পীরগঞ্জের বড় আলমপুর ইউনিয়নের বর্ষপুতিতে কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মাঠ পর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা ভালো ব্যবহার করলে তখনই সাফল্য ইত্তেফাকের সঙ্গে আলাপকালে আইজিপি

আপডেট টাইম : ০৮:১৫:৪১ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১ জানুয়ারি ২০২১

সময়ের কন্ঠ রিপোর্টার।।

মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করলে তখনই নিজেকে সফল বলে মনে করব।’ ইত্তেফাকের সঙ্গে আলাপকালে এমন মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদ।

তিনি বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে যখন মানুষের কোনো অভিযোগ থাকবে না, সবাই থানায় গিয়ে ভালো সেবা পাবেন; তখন আমি আইজিপি হিসেবে মনে করব মানুষের জন্য কিছু করতে পেরেছি, নিজে সফল হয়েছি।

ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর পুলিশ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সদস্য পর্যন্ত অনেকের মধ্যেই পদোন্নতি নিয়ে ক্ষোভ ছিল। সম্প্রতিকালে আমি ডিআইজি থেকে কনস্টেবল পর্যন্ত সবার পদোন্নতির ব্যবস্থা করেছি। পুলিশ সদর দপ্তরে একটা শক্তিশালী মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে। সেখান থেকে প্রতিটি সদস্যের কার্যক্রম মনিটরিং করা হয়। মানুষের সঙ্গে শুধু ভালো ব্যবহার নয়, কেউ দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে কি না, সে ব্যাপারেও খোঁজখবর নেওয়া হয়। আমি নিজে থেকে পদোন্নতি প্রক্রিয়া মনিটরিং করেছি। যারা ভালো পরীক্ষা দিয়েছে তারাই পদোন্নতি পেয়েছে। কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি হয়নি।

বেনজীর আহমেদ বলেন, তবে এসআই পদে যারা পরীক্ষা দিয়ে চাকরিতে আসেন তারা আসলে ইন্সপেক্টরের ওপরে যেতেই পারে না। দীর্ঘদিন তাদের একই পদে চাকরি করতে হয়। এখানে আসলে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দরকার। একজন অফিসার সারা জীবন একই পদে চাকরি করতে পারেন না। তার পদোন্নতির ব্যবস্থা থাকা উচিত।

নিজে দায়িত্ব নেওয়ার পর পুলিশের চেইন অব কমান্ড শক্তিশালী হয়েছে উল্লেখ করে পুলিশপ্রধান বলেন, একটি শৃঙ্খল বাহিনীতে চেইন অব কমান্ড খুবই দরকার। অনিয়ম দুর্নীতি একটি শৃঙ্খলা বাহিনীতে থাকতে পারে না। পাশাপাশি দক্ষ ও যোগ্যদের মূল্যায়ন করতে হবে। আমি প্রতিটি নিয়োগ পরীক্ষা স্বচ্ছতার সঙ্গে করেছি। নিজে মনিটরিং করেছি। যাতে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি না হয়। যোগ্যরা মূল্যায়িত হন। এখন বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে একটা বিষয় পরিষ্কার হয়েছে যে, যারা দক্ষ ও যোগ্য তারাই শুধু মূল্যায়িত হবেন। অনিয়ম ও দুর্নীতি এবং মানুষকে সেবা না দিয়ে এই বাহিনীতে টিকে থাকা যাবে না।

সময়ের কন্ঠ পএিকার