ঢাকা ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩
সংবাদ শিরোনাম ::
শেরপুরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ছাত্রদের মাঝে পুনাকের খাদ্যসামগ্রী ও শীতবস্ত্র বিতরণ বিট পুলিশিং বাড়ি-বাড়ি, নিরাপদ সমাজ গড়ি”- এই স্লোগানকে সামনে রেখে ময়মনসিংহ জেলার পাগলা থানা পুলিশের আয়োজনে গোবিন্দগঞ্জে দেড় হাজার পিস নেশাজাতীয় ইনজেকশনসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার চট্রগ্রামের শ্রমিক ইউনিয়নের নাম ভাঙ্গিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে কিছু অসাধু শ্রমিক নেতা খুলনা সরকারী মহিলা কলেজের পিঠা উৎসবে কেএমপি’র কমিশনার নওগাঁর বদলগাছীতে বিষাক্ত গ‍্যাস ট‍্যাবলেট খেয়ে পৃথক পৃথক স্থানে সোমা আক্তার (১৮) ও পান্না হোসেন (৬০) নামের দুই জন ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে এবার কলকাতায় বাংলাদেশিদের জন্য নিয়ে এল নতুন রসনার রেস্টুরেন্ট ও খাবারের হোটেল মসিকের ৩০ কিলোমিটার রাস্তায় সড়কবাতি উদ্বোধন করেছেন মেয়র মোংলার যৌনপল্লীর কর্মীরা এখন মানবেতর জীবনযাপন করছে পীরগঞ্জের কৃতি সন্তান নাজমুলের সপ্ন পুরন

বঙ্গবন্ধুর ৫ খুনির রায় কার্যকর না করা পর্যন্ত জনগণ ক্ষান্ত হবে না : আইনমন্ত্রী

সময়ের কন্ঠ রিপোর্টার॥

সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর বাকি পাঁচ খুনিকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা চলছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, আপনারা নিশ্চিত থাকেন, যতক্ষণ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর পাঁচ খুনিকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও দেশের জনগণ ক্ষান্ত হবে না।

রবিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রিশন বিভাগের ভবনে ‘বঙ্গবন্ধু গ্যালারি’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে আইনমন্ত্রী ফিতা কেটে ‘বঙ্গবন্ধু গ্যালারি’ উদ্বোধন করেন। এরপর দোয়া মাহফিল করা হয়। পরে ভবন প্রাঙ্গণে তিনি একটি হরতকির চারা রোপণ করেন তিনি।

আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেন, নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডটি আমাদের হৃদয়কে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে। আমাদের কাছ থেকে বাঙালির জাতির পিতা ও মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। দুঃখের বিষয় হলো এ দেশেই একটি কালো আইন করা হয়েছিল।

যে আইনের মাধ্যমে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার করা যাবে না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কালো আইন বাতিল করার পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার সম্পূর্ণ করেছেন।

 

তিনি বলেন, উচ্চ আদালত থেকেও রায় পেয়েছি। অনেকাংশে রায় কার্যকর করা হয়েছে। তবে পাঁচ খুনি এখনও দেশের বাইরে পালিয়ে আছে। তাদের ফিরিয়ে আনতে প্রচেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর পরে অনেকেই বাংলাদেশকে শাসন করেছেন। তারা সব সময় চেয়েছেন দেশকে একটা তলাবিহীন ঝুড়ি ও ভিক্ষুকের দেশে পরিণত করতে। কিন্তু নেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ পদক্ষেপের কারণে আজ বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে সারা বিশ্বের কাছে পরিচিত হয়েছে।

বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রাকে ইনশাল্লাহ কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না। বঙ্গবন্ধুর সেই কথাই সত্য হবে- বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।

আইনমন্ত্রী বলেন, এ ষড়যন্ত্রের সম্মুখে যারা খুনি হিসেবে ছিলেন, তাদের বিচার আমরা করেছি। কিন্তু এ খুনের ঘটনার নেপথ্যে অনেক ষড়যন্ত্র ছিল, অনেকে জড়িত ছিল। এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য ষড়যন্ত্রকারী কারা? কুশীলব কারা? তাদের কেউও চিহ্নিত করতে হবে বলেও জোর দাবি জানান তিনি।

তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে একটি নিরপেক্ষ কমিশন গঠন করা হবে। দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গকে ওই কমিশনে রাখা হবে।

এ কমিশনের কাজ হবে, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের নেপথ্যে যে ষড়যন্ত্রকারী ও কুশীলবরা রয়েছে তাদেরসহ জিয়াউর রহমানকে চিহ্নিত করে, সবার ন্যক্কারজনক কার্যক্রম ও প্রমাণসহ তা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে।

 

এ সময় ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রেশন ভবনের সব কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুযায়ী আমাদের চলতে হবে। ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু কেমন ছিলেন সে বিষয়টি সবাইকে ধারণ করতে হবে। বঙ্গবন্ধু এমন এক মানুষ ছিলেন যার মধ্যে কোনো অহংকার ছিল না। খুব সাদামাটা একজন মানুষ ছিলেন তিনি।

এত বড় মাপের লোক, এত বড় মহানায়ক বাংলাদেশের সব মানুষের ভালোবাসার পাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খুব সাদামাটা জীবনযাপন করতেন। নতুন প্রজন্মকে আহ্বান জানাবো বঙ্গবন্ধুর ছবি দেখে ও জেনে তার নিরহংকার জীবনযাপন, সাদামাটা জীবনযাপন নিজেদের মধ্যে ধারণ করুন।

আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ছাত্রদের মাঝে পুনাকের খাদ্যসামগ্রী ও শীতবস্ত্র বিতরণ

বঙ্গবন্ধুর ৫ খুনির রায় কার্যকর না করা পর্যন্ত জনগণ ক্ষান্ত হবে না : আইনমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০১:৫০:০৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৫ আগস্ট ২০২১

সময়ের কন্ঠ রিপোর্টার॥

সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর বাকি পাঁচ খুনিকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা চলছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, আপনারা নিশ্চিত থাকেন, যতক্ষণ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর পাঁচ খুনিকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও দেশের জনগণ ক্ষান্ত হবে না।

রবিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রিশন বিভাগের ভবনে ‘বঙ্গবন্ধু গ্যালারি’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে আইনমন্ত্রী ফিতা কেটে ‘বঙ্গবন্ধু গ্যালারি’ উদ্বোধন করেন। এরপর দোয়া মাহফিল করা হয়। পরে ভবন প্রাঙ্গণে তিনি একটি হরতকির চারা রোপণ করেন তিনি।

আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেন, নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডটি আমাদের হৃদয়কে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে। আমাদের কাছ থেকে বাঙালির জাতির পিতা ও মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। দুঃখের বিষয় হলো এ দেশেই একটি কালো আইন করা হয়েছিল।

যে আইনের মাধ্যমে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার করা যাবে না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কালো আইন বাতিল করার পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার সম্পূর্ণ করেছেন।

 

তিনি বলেন, উচ্চ আদালত থেকেও রায় পেয়েছি। অনেকাংশে রায় কার্যকর করা হয়েছে। তবে পাঁচ খুনি এখনও দেশের বাইরে পালিয়ে আছে। তাদের ফিরিয়ে আনতে প্রচেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর পরে অনেকেই বাংলাদেশকে শাসন করেছেন। তারা সব সময় চেয়েছেন দেশকে একটা তলাবিহীন ঝুড়ি ও ভিক্ষুকের দেশে পরিণত করতে। কিন্তু নেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ পদক্ষেপের কারণে আজ বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে সারা বিশ্বের কাছে পরিচিত হয়েছে।

বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রাকে ইনশাল্লাহ কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না। বঙ্গবন্ধুর সেই কথাই সত্য হবে- বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।

আইনমন্ত্রী বলেন, এ ষড়যন্ত্রের সম্মুখে যারা খুনি হিসেবে ছিলেন, তাদের বিচার আমরা করেছি। কিন্তু এ খুনের ঘটনার নেপথ্যে অনেক ষড়যন্ত্র ছিল, অনেকে জড়িত ছিল। এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য ষড়যন্ত্রকারী কারা? কুশীলব কারা? তাদের কেউও চিহ্নিত করতে হবে বলেও জোর দাবি জানান তিনি।

তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে একটি নিরপেক্ষ কমিশন গঠন করা হবে। দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গকে ওই কমিশনে রাখা হবে।

এ কমিশনের কাজ হবে, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের নেপথ্যে যে ষড়যন্ত্রকারী ও কুশীলবরা রয়েছে তাদেরসহ জিয়াউর রহমানকে চিহ্নিত করে, সবার ন্যক্কারজনক কার্যক্রম ও প্রমাণসহ তা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে।

 

এ সময় ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রেশন ভবনের সব কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুযায়ী আমাদের চলতে হবে। ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু কেমন ছিলেন সে বিষয়টি সবাইকে ধারণ করতে হবে। বঙ্গবন্ধু এমন এক মানুষ ছিলেন যার মধ্যে কোনো অহংকার ছিল না। খুব সাদামাটা একজন মানুষ ছিলেন তিনি।

এত বড় মাপের লোক, এত বড় মহানায়ক বাংলাদেশের সব মানুষের ভালোবাসার পাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খুব সাদামাটা জীবনযাপন করতেন। নতুন প্রজন্মকে আহ্বান জানাবো বঙ্গবন্ধুর ছবি দেখে ও জেনে তার নিরহংকার জীবনযাপন, সাদামাটা জীবনযাপন নিজেদের মধ্যে ধারণ করুন।