ঢাকা ০৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২
সংবাদ শিরোনাম ::
ন‌ওগাঁর আত্রাইয়ে এক মাদক ব্যবসায়ী সহ আটক চার গাজীপুর মহানগর পুলিশ কর্তৃক ২৪ ঘন্টার উদ্ধার অভিযান নারায়ণগঞ্জের তিতাস গ্যাস খেকো রফিক এর সম্পদের পাহাড় (পর্ব-১) ভাইরাল হওয়া ছাত্রকে বিয়ে করে শিক্ষিকা অবশেষে আত্মহত্যা হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্ম বিরতি পাংশায় সড়ক নির্মাণে নিম্ন মানের সামগ্রী ও অনিয়মের অভিযোগ হবিগঞ্জের মাধবপুরে সুমন হত্যাকান্ডের মূল হোতাসহ গ্রেফতার ৩ বাঘায় শুরু হতে যাচ্ছে নদী ড্রেজিং এর কাজ, নতুন স্বপ্নে উজ্জীবিত হচ্ছে চরাঞ্চলের মানুষ হবিগঞ্জের লাখাই সড়কে নিয়ন্ত্রণ হাড়িয়ে চালক নিহত গুরুতর আহত ( আশংকা) ৫ সিপিডির সম্মেলন জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগের সুযোগ কমেছে

যশোর আ.লীগের জেলা কমিটিতে মৃত ব্যক্তির নাম

টিটু রিপোর্টার।।

যশোর জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে প্রায় ৪ বছর আগে মৃত এক নেতার নাম তালিকায় থাকায় বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
তৃণমূল পর্যায়ের নেতারা বলছেন, জেলা পর্যায়ের নেতারা তৃণমূলের খবর রাখে না, তাই কমিটিতে মৃত নেতার নাম আসে। আর জেলার নেতারা বলছেন, সংশোধনী ম্যাসেজ কেন্দ্রে না পৌঁছানোতে এমন ভুল হয়েছে।
জানা যায়, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির তালিকা প্রকাশ হয় গত ৩০ জুলাই। কমিটিতে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য করা হয়েছে যশোরের শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোলাম রসুলকে। গত বৃহস্পতিবার দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত ১৯ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটিতে তাকে রাখা হয় গোলাম রসুলকে। কিন্তু গোলাম রসুল মারা গেছেন আরও ৪ বছর আগে। তারপরেও আওয়ামী লীগের কমিটিতে মৃত ব্যক্তি নাম আসায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
এদিকে, জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শার্শার আরও ৭ নেতা। এরা হলেন- যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন, দপ্তর সম্পাদক মজিবুদৌলা কনক, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক এএসএম আশিফুদৌলা, সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন এমপি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আব্দুল মান্নান মিন্নু ও মাস্টার আহসান উল্লাহ।
শার্শার গোঁগা গ্রামের মৃত গোলাম রসুলের ছেলে প্রভাষক ফারুক হোসেন বলেন, তার বাবা অসুস্থ হয়ে ২০১৭ সালের জুলাইয়ে মারা যায়।
শার্শার গোগা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ বলেন, জেলার নেতারা যে তৃণমূলের নেতাদের খবর রাখে না তার জ্বলন্ত প্রমাণ জেলা কমিটিতে চার বছর আগের মৃত নেতার নাম সংযোজন। এটা দুঃখজনক। এ হলো দলের অবস্থা।
এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, ছয় মাস আগে প্রস্তাবিত কমিটি কেন্দ্রে জমা দেওয়া হয়েছিল। চূড়ান্ত অনুমোদনের সময় মৃত গোলাম রসুলের নাম বাদ দেওয়ার জন্য সংশোধনী দেওয়া হয়। কিন্তু ম্যাসেজটা কেন্দ্রে পৌঁছায়নি। এতে এমন ভুল হয়েছে।

আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ন‌ওগাঁর আত্রাইয়ে এক মাদক ব্যবসায়ী সহ আটক চার

যশোর আ.লীগের জেলা কমিটিতে মৃত ব্যক্তির নাম

আপডেট টাইম : ০৩:২৫:১৫ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১ আগস্ট ২০২১

টিটু রিপোর্টার।।

যশোর জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে প্রায় ৪ বছর আগে মৃত এক নেতার নাম তালিকায় থাকায় বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
তৃণমূল পর্যায়ের নেতারা বলছেন, জেলা পর্যায়ের নেতারা তৃণমূলের খবর রাখে না, তাই কমিটিতে মৃত নেতার নাম আসে। আর জেলার নেতারা বলছেন, সংশোধনী ম্যাসেজ কেন্দ্রে না পৌঁছানোতে এমন ভুল হয়েছে।
জানা যায়, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির তালিকা প্রকাশ হয় গত ৩০ জুলাই। কমিটিতে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য করা হয়েছে যশোরের শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোলাম রসুলকে। গত বৃহস্পতিবার দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত ১৯ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটিতে তাকে রাখা হয় গোলাম রসুলকে। কিন্তু গোলাম রসুল মারা গেছেন আরও ৪ বছর আগে। তারপরেও আওয়ামী লীগের কমিটিতে মৃত ব্যক্তি নাম আসায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
এদিকে, জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শার্শার আরও ৭ নেতা। এরা হলেন- যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন, দপ্তর সম্পাদক মজিবুদৌলা কনক, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক এএসএম আশিফুদৌলা, সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন এমপি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আব্দুল মান্নান মিন্নু ও মাস্টার আহসান উল্লাহ।
শার্শার গোঁগা গ্রামের মৃত গোলাম রসুলের ছেলে প্রভাষক ফারুক হোসেন বলেন, তার বাবা অসুস্থ হয়ে ২০১৭ সালের জুলাইয়ে মারা যায়।
শার্শার গোগা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ বলেন, জেলার নেতারা যে তৃণমূলের নেতাদের খবর রাখে না তার জ্বলন্ত প্রমাণ জেলা কমিটিতে চার বছর আগের মৃত নেতার নাম সংযোজন। এটা দুঃখজনক। এ হলো দলের অবস্থা।
এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, ছয় মাস আগে প্রস্তাবিত কমিটি কেন্দ্রে জমা দেওয়া হয়েছিল। চূড়ান্ত অনুমোদনের সময় মৃত গোলাম রসুলের নাম বাদ দেওয়ার জন্য সংশোধনী দেওয়া হয়। কিন্তু ম্যাসেজটা কেন্দ্রে পৌঁছায়নি। এতে এমন ভুল হয়েছে।