ঢাকা ০২:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জের শায়েস্তাঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে ১বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার দিন দিন বেড়েই চলছে পণ্য, বাজারজুড়ে দীর্ঘশ্বাস পারমাণবিক চুক্তির দ্বারপ্রান্তে ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলো  পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাই: মির্জা ফখরুল কসবায় চার হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার যশোরের শার্শার রুদ্রপুর সীমান্তে সোনারবারসহ পাচারকারী আটক গাজীপুর মহানগর পুলিশ কর্তৃক ২৪ ঘন্টার উদ্ধার অভিযান কাশিমপুরে ৭ বছরের এক মাদ্রাসার। ছাত্র কে বলাৎকারে এক মুদি, দোকানদার আটক আশুলিয়া থানা যুবলীগের আয়োজনে জাতিয় শোক দিবস পালন অপশাসন কী, অপশাসনের ফল কী হতে পারে, বাংলাদেশের মানুষ তা প্রত্যক্ষ করেছে ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত

জামায়াতের কাতারে ফাঁক রাখার শরীয়তবিরোধী নির্দেশনার প্রতিবাদে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীকে আইনী নোটিশ

সময়ের কন্ঠ রিপোর্ট।।

২২ মাহে যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪২

পবিত্র মসজিদে জামায়াত আদায়ে মুসুল্লিদেরকে কথিত সামাজিক দুরত্বের অজুহাতে কাতারে ফাঁক রাখার শরীয়তবিরোধী নির্দেশনা দেয়ার প্রতিবাদে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আইনী নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার, ০৩ জুলাই) মুহম্মদপুর তাজ জামে মসজিদের খতীব মুফতীউল আযম আবুল খায়ের মুহম্মদ আযিযুল্লাহর পক্ষ থেকে এই নোটিশটি প্রেরণ করা হয়।

নোটিশে বলা হয়, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কাতারে নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে এবং শিশু, বয়বৃদ্ধ, যে কোন অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামায়াতে অংশগ্রহণ করা হতে বিরত থাকবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এমন শরীয়তবিরোধী বিজ্ঞপ্তি প্রতিবাদ জানিয়ে নোটিশে কাতারে ফাঁক বন্ধ করার নির্দেশনা ও গুরুত্ব সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফসহ শরীয়তের বিভিন্ন দলীলসমূহ উল্লেখ করা হয়।

এই প্রেক্ষিতে নোটিশে বলা হয়, কাতারে নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা এবং শিশু, বয়বৃদ্ধ, যে কোন অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামায়াতে অংশগ্রহণ করা হতে বিরত থাকবে এমন কোনো সুযোগ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীস শরীফ কিংবা শরীয়তের নির্দেশনায় নেই। সুতরাং ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত বিজ্ঞপ্তিতে প্রদত্ত শর্তসমূহ পবিত্র দ্বীন ইসলামের পরিপন্থী।

নোটিশে আরও বলা হয়, সাংবিধানিকভাবে যেহেতু বাংলাদেশের রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম, সুতরাং ইসলামী আক্বীদাসমূহ রাষ্ট্র দ্বারা সুরক্ষিত। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে মুসলিমদের নিজ দ্বীন পালনের অধিকারও রয়েছে। জামায়াতে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে কাতারে ফাঁক না রেখে দাঁড়ানোর দ্বীনি অধিকার বাংলাদেশের সকল মুসলিমের রয়েছে। অথচ বাংলাদেশের মুসলিমদেরকে তাদের সাংবিধানিক অধিকার পালনে বাধা সৃষ্টি করেছেন। সংবিধান সমুন্নত রাখার শপথ গ্রহণকারী একজন দায়িত্বশীল পদাধিকারী হিসেবে আপনার কাছে এটা মোটেও প্রত্যাশিত নয়।

এমতাবস্থায় এই নোটিশ পাওয়ার ৩ (তিন) কার্যদিবসের মধ্যে বিজ্ঞপ্তির উল্লেখিত শর্তসমূহ প্রত্যাহার করার আহ্বান জানানো হয়।

আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জের শায়েস্তাঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে ১বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

জামায়াতের কাতারে ফাঁক রাখার শরীয়তবিরোধী নির্দেশনার প্রতিবাদে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীকে আইনী নোটিশ

আপডেট টাইম : ১২:৩৭:২৫ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৬ জুলাই ২০২১

সময়ের কন্ঠ রিপোর্ট।।

২২ মাহে যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪২

পবিত্র মসজিদে জামায়াত আদায়ে মুসুল্লিদেরকে কথিত সামাজিক দুরত্বের অজুহাতে কাতারে ফাঁক রাখার শরীয়তবিরোধী নির্দেশনা দেয়ার প্রতিবাদে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আইনী নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার, ০৩ জুলাই) মুহম্মদপুর তাজ জামে মসজিদের খতীব মুফতীউল আযম আবুল খায়ের মুহম্মদ আযিযুল্লাহর পক্ষ থেকে এই নোটিশটি প্রেরণ করা হয়।

নোটিশে বলা হয়, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কাতারে নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে এবং শিশু, বয়বৃদ্ধ, যে কোন অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামায়াতে অংশগ্রহণ করা হতে বিরত থাকবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এমন শরীয়তবিরোধী বিজ্ঞপ্তি প্রতিবাদ জানিয়ে নোটিশে কাতারে ফাঁক বন্ধ করার নির্দেশনা ও গুরুত্ব সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফসহ শরীয়তের বিভিন্ন দলীলসমূহ উল্লেখ করা হয়।

এই প্রেক্ষিতে নোটিশে বলা হয়, কাতারে নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা এবং শিশু, বয়বৃদ্ধ, যে কোন অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামায়াতে অংশগ্রহণ করা হতে বিরত থাকবে এমন কোনো সুযোগ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীস শরীফ কিংবা শরীয়তের নির্দেশনায় নেই। সুতরাং ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত বিজ্ঞপ্তিতে প্রদত্ত শর্তসমূহ পবিত্র দ্বীন ইসলামের পরিপন্থী।

নোটিশে আরও বলা হয়, সাংবিধানিকভাবে যেহেতু বাংলাদেশের রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম, সুতরাং ইসলামী আক্বীদাসমূহ রাষ্ট্র দ্বারা সুরক্ষিত। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে মুসলিমদের নিজ দ্বীন পালনের অধিকারও রয়েছে। জামায়াতে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে কাতারে ফাঁক না রেখে দাঁড়ানোর দ্বীনি অধিকার বাংলাদেশের সকল মুসলিমের রয়েছে। অথচ বাংলাদেশের মুসলিমদেরকে তাদের সাংবিধানিক অধিকার পালনে বাধা সৃষ্টি করেছেন। সংবিধান সমুন্নত রাখার শপথ গ্রহণকারী একজন দায়িত্বশীল পদাধিকারী হিসেবে আপনার কাছে এটা মোটেও প্রত্যাশিত নয়।

এমতাবস্থায় এই নোটিশ পাওয়ার ৩ (তিন) কার্যদিবসের মধ্যে বিজ্ঞপ্তির উল্লেখিত শর্তসমূহ প্রত্যাহার করার আহ্বান জানানো হয়।