ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
মনোহরদীতে নানা আয়োজনে বর্ষবরণ উৎসব পালিত হয়েছে ঠাকুরগাঁও। রুহিয়া ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা করোনাভাইরাস এর কারণে বন্ধ থাকায় আবারও পাঁচ বছর পর ১০ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়েছে রানীশংকৈলে নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত রায়পুরে পহেলা বৈশাখে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নবাবগঞ্জে বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ পালিত ঘাটাইলে ব্যবসায়ীর হাত-পায়ের রগ কেটে সর্বস্ব লুট টঙ্গীতে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর উপর হামলা: তদন্তে গিয়ে সিসিটিভি আবদার করলো পুলিশ! আনোয়ারা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে ঈদ পূর্ণমিলনী ও মত বিনিময় সভা মোংলায় নিরুদ্দেশ মোতালেব জমাদ্দারের নাতিদের আকিকা অনুষ্ঠানে হাজারও লোকের ভিড় বহিষ্কার মোঃ রবিউল ইসলাম রবি কে দৈনিক সময়ের কন্ঠ পত্রিকা ও অনলাইন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে

ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভিরুল ইসলাম গাড়ি থেকে নেমে কোদাল দিয়ে  নিজে তৈরি করে দিলেন পানি নিষ্কাশনের নালা

প্রতিনিধি (ঠাকুরগাঁও।।

ঠাকুরগাঁও রোড শুক ব্রীজ সংলগ্ন চার লেনের রাস্তার পাশ্ববর্তী জায়গায়গুলো বালি ও মাটি দিয়ে ভরাট করে উচু করে রাখায়  একটু বৃষ্টি হলেই হাটুজল লেগে থাকে রাস্তাটিতে। ফলে দূর্ভোগ চরমে গিয়ে ঠেকেছে মানুষের। অনেকের ময়লা পানিতে কাপড় নষ্ট হয় যায়। অনেক পথচারী আবার সেখানকার ছেটানো পানিতে খানিকটা গোসলও করে ফেলে। কিন্তু পানি নিস্কাশনের কোন ব্যবস্থা সেখানে ছিলোনা।

এই দুর্ভোগ দেখে ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভিরুল ইসলাম গাড়ি থেকে নেমে মাটি ভরাট করা শ্রমিকের হাত থেকে কোদাল নিয়ে নিজে তৈরি করে দিলেন পানি নিষ্কাশনের নালা। সে নালা দিয়ে যখন পানিটি প্রবাহিত হচ্ছিলো তখন পাশে থাকা এক মানুষ বলে উঠলেন ওসি’র কেটে দেয়া নালা দিয়ে পানি নয়  যাচ্ছে জনদুর্ভোগ। এর জন্য তিনি সহ উপস্থিত সকলে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসিকে হাসি মুখে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতাও জানালেন।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি তানভিরুল ইসলাম বলেন, অনেকটা পানি এখানে জমাট বেঁধে ছিলো। নিষ্কাশনের কোন পথ ছিলোনা। মানুষজন খুব দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলো। তাই নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মানুষের দুর্ভোগ কমাতে একটু চেষ্টা করলাম মাত্র।

এদিকে মাটি যারা ভরাট করছিলো সেসব জমির মালিকদের একাংশ জানালেন, ড্রেন না থাকায় পানিটি এখানে বদ্ধ হয়ে থাকে!

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে আগে  এ রাস্তায়  কখনো পানি আটকে থাকতোনা। রাস্তার পাশে শুক নদী। রাস্তার পানি যেনো সহজে যেতে পারে এবং রাস্তা যেনো ভাঙ্গে না যায় সে জন্য বাঁধ ও তৈরি করা আছে। কিন্তু তারপরেও পানি আটকে থাকছে। কারনা মাটি দিয়ে বাঁধ ও পানি নির্গমের রাস্তা সব ‍বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আগে তো বাঁধ বেয়ে পানিটা চলে যেতো। কিন্তু এখন সব মাটি দিয়ে ভরাট করে ফেলায় পানি যেতে পারছেনা। এ সমস্যাটির দ্রুত সমাধান চায় মানুষজন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলোতে  মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সমস্যাটি সরজমেনি  দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা বলেন।

আরো খবর.......

জনপ্রিয় সংবাদ

মনোহরদীতে নানা আয়োজনে বর্ষবরণ উৎসব পালিত হয়েছে

ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভিরুল ইসলাম গাড়ি থেকে নেমে কোদাল দিয়ে  নিজে তৈরি করে দিলেন পানি নিষ্কাশনের নালা

আপডেট টাইম : ০৮:২৩:২৩ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৩ জুন ২০২১

প্রতিনিধি (ঠাকুরগাঁও।।

ঠাকুরগাঁও রোড শুক ব্রীজ সংলগ্ন চার লেনের রাস্তার পাশ্ববর্তী জায়গায়গুলো বালি ও মাটি দিয়ে ভরাট করে উচু করে রাখায়  একটু বৃষ্টি হলেই হাটুজল লেগে থাকে রাস্তাটিতে। ফলে দূর্ভোগ চরমে গিয়ে ঠেকেছে মানুষের। অনেকের ময়লা পানিতে কাপড় নষ্ট হয় যায়। অনেক পথচারী আবার সেখানকার ছেটানো পানিতে খানিকটা গোসলও করে ফেলে। কিন্তু পানি নিস্কাশনের কোন ব্যবস্থা সেখানে ছিলোনা।

এই দুর্ভোগ দেখে ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভিরুল ইসলাম গাড়ি থেকে নেমে মাটি ভরাট করা শ্রমিকের হাত থেকে কোদাল নিয়ে নিজে তৈরি করে দিলেন পানি নিষ্কাশনের নালা। সে নালা দিয়ে যখন পানিটি প্রবাহিত হচ্ছিলো তখন পাশে থাকা এক মানুষ বলে উঠলেন ওসি’র কেটে দেয়া নালা দিয়ে পানি নয়  যাচ্ছে জনদুর্ভোগ। এর জন্য তিনি সহ উপস্থিত সকলে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসিকে হাসি মুখে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতাও জানালেন।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি তানভিরুল ইসলাম বলেন, অনেকটা পানি এখানে জমাট বেঁধে ছিলো। নিষ্কাশনের কোন পথ ছিলোনা। মানুষজন খুব দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলো। তাই নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মানুষের দুর্ভোগ কমাতে একটু চেষ্টা করলাম মাত্র।

এদিকে মাটি যারা ভরাট করছিলো সেসব জমির মালিকদের একাংশ জানালেন, ড্রেন না থাকায় পানিটি এখানে বদ্ধ হয়ে থাকে!

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে আগে  এ রাস্তায়  কখনো পানি আটকে থাকতোনা। রাস্তার পাশে শুক নদী। রাস্তার পানি যেনো সহজে যেতে পারে এবং রাস্তা যেনো ভাঙ্গে না যায় সে জন্য বাঁধ ও তৈরি করা আছে। কিন্তু তারপরেও পানি আটকে থাকছে। কারনা মাটি দিয়ে বাঁধ ও পানি নির্গমের রাস্তা সব ‍বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আগে তো বাঁধ বেয়ে পানিটা চলে যেতো। কিন্তু এখন সব মাটি দিয়ে ভরাট করে ফেলায় পানি যেতে পারছেনা। এ সমস্যাটির দ্রুত সমাধান চায় মানুষজন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলোতে  মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সমস্যাটি সরজমেনি  দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা বলেন।